A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

ভাইস চেয়ারম্যান পদে এখনো এগিয়ে বিএনপি | Probe News

BNP Office.jpgপ্রোবনিউজ, ঢাকা: চারধাপে উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ এগিয়ে থাকলেও ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিএনপি এগিয়ে রয়েছে। নারী ও পুরুষ মিলিয়ে ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিএনপি সমর্থিত ২৬৮ জন প্রার্র্থী বিজয়ী হয়েছেন। এর বিপরীতে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন ২৫৪ জন। এ পদে বিএনপির ১৪ জন এগিয়ে রয়েছেন। ‘এতেই প্রমাণিত হয় ক্ষমতাসীন দল ভোট ডাকাতির আশ্রয় না নিলে এবং সুষ্ঠু নির্বাচন হলে চেয়ারম্যান পদেও বিএনপি অনেক বেশি আসনে বিজয়ী হতো।’- এ কথা বলছেন বিএনপির নেতারা। তারা মনে করেন, বিএনপি একটি জনপ্রিয় দল। নানা কারণে সরকারের জনপ্রিয়তা শূন্যের কোঠায় পৌঁছেছে। এ জন্যই তারা সহিংসতা, ভোট জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে চেয়ারম্যান পদ দখলে নেমেছে।
চতুর্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের চারধাপে এ পর্যন্ত মোট ৩৭৯টি উপজেলার নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। প্রথম ধাপের নির্বাচন সুষ্ঠু হলেও দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ ধাপের নির্বাচন ছিল ব্যাপক অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা, জালভোট, কারচুপি, কেন্দ্র দখলসহ সহিংসতায় পূর্ণ। যেহেতু উপজেলায় চেয়ারম্যান পদটি হচ্ছে সকল কর্মকা-ের কেন্দ্রবিন্দু, তাই ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীরা এ পদে বিজয়ী হতে মরিয়া হয়ে উঠে। দেখা গেছে, এ পর্যন্ত বেশিরভাগ সহিংসতা হয়েছে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে। নির্বাচনী বেসরকারি ফলাফলের হিসাবে চারধাপে ৩৭৯ উপজেলায় মোট ভাইস চেয়ারম্যানের পদ ৭৫৮টি (পুরুষ ও নারী) এর মধ্যে বিএনপি পেয়েছে মোট ২৬৮টি, আওয়ামী লীগ ২৫৪টি, জামায়াত ১৩৩টি, জাতীয় পার্টি ১৫টি, অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছেন ৮৭টি। এ ছাড়া কুমিল্লার বরুরা উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান পদের ফলাফল স্থগিত রাখা হয়েছে। এক্ষেত্রে বিএনপি থেকে ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ এখনও ১৪টি পিছিয়ে আছে।
BNP-logo_41.jpgঅপর দিকে, এ পর্যন্ত চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন ১৭১ জন। আর বিএনপি ১৪৭ জন, জামায়াত ৩৪ জন, জাতীয় পার্টি ৩ জন এবং অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র ২৪ জন। চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ ২৫টি এগিয়ে রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য লে. জে. মাহবুবুর রহমান (অব.) প্রোবনিউজকে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন, ‘এটাতো সবাই জানে যে, সরকারের জনপ্রিয়তা শূন্যের কোঠায়। ভোটের লড়াইয়ে তারা পরাজিত হবে জেনেই নজিরবিহীন সহিংসতার আশ্রয় নিয়েছে তারা। ফেয়ার ইলেকশন হলে আওয়ামী লীগ চেয়ারম্যান পদেও অনেক কম আসন পেত। তারা চেয়ারম্যান পদের জন্য ভোট ডাকাতির মহোৎসবে নেমেছে। আগামী দু’পর্বে এ সহিংসতা আরো ভয়াবহ হতে পারে।’
আর বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও দপ্তর সম্পাদক রুহুল কবির রিজভী এ প্রঙ্গে বলেন, ‘চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদের ব্যালট পেপার আলাদা। তারা চেয়ারম্যান পদটি ধরে রাখতে জোর জবরদস্তির আশ্রয় নিয়েছে। এ কারণে ভাইস চেয়ারম্যান পদকে হয়তো কম গুরুত্ব দিয়েছে। তবে আমরা মনে করি, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে চেয়ারম্যান পদেও বিএনপি শতকরা ৮০ ভাগ বিজয়ী হতো।’
রিজভী অভিযোগ করেন, ‘ক্ষমতাসীন দলের ভোট ডাকাতি উত্তরোত্তর বেড়েই চলছে। আগামী পর্বে সহিংসতার ভয়াবহতা বাড়তে পারে। এতে প্রমাণিত হয় ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে বিএনপি অংশ গ্রহণ করলে এর চেয়েও বড় ধরনের নাটকের আশ্রয় নিতো আওয়ামী লীগ এবং দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচনের কোন সুযোগ ছিল না।’
প্রোব/পার/জাতীয়/২৫.০৩.২০১৪

২৫ মার্চ ২০১৪ | জাতীয় | ১৫:২২:৪০ | ১১:৫৬:৪৭

জাতীয়

 >  Last ›