A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

আইনে সংগঠনের শাস্তি সুনির্দিষ্ট নয় | Probe News

rana.jpgপ্রোব নিউজ: মানবতা বিরোধী আন্তর্জাতিক অপরাধ আইনে সংগঠনের শান্তি নির্দিষ্ট করা নাই। তবে বিচারকদের যেকোন দন্ড দেয়ার স্বাধীনতা আছে। আর সংগঠন ব্যক্তি নয়। সংগঠনকে মৃত্যুদন্ড দেয়া যায়না। তবে বিচারকরা জামায়াতকে অপরাধী মনে করলে সংগঠনটি নিষিদ্ধ করতে পারে বলে জানিয়েছেন ট্রাইবুন্যালের প্রসিকিউটর এ্যাডভোকেট রাণা দাসগুপ্ত।
রাণা দাসগুপ্ত প্রোব নিউজকে বলেন, ‘জামায়াত নেতাদের বিচারের একাধিক রায়ে জামায়াতকে ক্রিমিনাল অর্গানাইজেশন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বলা হয়েছে জামায়াত পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগি শক্তি হিসেবে কাজ করেছে। আর ট্রাবুন্যালের আইন সংশোধন করে ব্যক্তির পাশাপাশি সংগঠনের বিচারের বিধান করা হয়েছে। ট্রাবুন্যাল আইনের ২০ ধারায় বলা হয়েছে মানবতাবিরোধী অপরাধের সর্বোচ্চ শস্তি মৃত্যুদন্ড অথবা ট্রাইবুন্যাল যেরকম শান্তি দেয়া যৌক্তিক মনে করেন।’ তাহলে জামায়াতের বিচার হলে চেইন অব কমান্ডেরও বিচার হবে কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে প্রসিকিউটর বলেন,‘ না, এখানে শুধু সংগঠনের বিচার হবে। জামায়াতের জড়িত নেতাদের বিচারতো চলছেই। তাদের ব্যক্তিগত অপরাধের বিচার ব্যক্তিগতভাবে করার বিধান আছে আইনে। এখানে শুধু সংগঠনের বিচার হবে।’ সংগঠনের শাস্তি কি হতে পারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আইনে বিচারকদের ক্ষমতা দেয়া আছে। তারা যা যৌক্তিক মনে করবেন সেই শাস্তি দিতে পারবেন। কিন্তু সংগঠনকে তো আর মৃত্যুদন্ড দেয়া যায়না। তাই বিচারে জামায়াত দোষি প্রমাণিত হলে দলটি নিষিদ্ধ হতে পারে। দলের সবধরণের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হতে পারে।’
গত বছরের ১লা আগস্ট জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। কিন্তু জামায়াত এখনো নিষিদ্ধ নয়।তবে এর আগে তিনবার নিষিদ্ধ হয়েছিল জামায়াতে ইসলামী। ১৯৫৯ এবং ১৯৬৪ সাালে পাকিস্তানে নিষিদ্ধ হয় জামায়াত। আর বাংলাদেশে নিষিদ্ধ হয় ১৯৭২ সালে। জিয়াউর রহমানের শাসনামলে আমলে ১৯৭৯ সালের ২৫শে মে বাংলাদেশে রাজনীতি করার সুযোগ পায় জামায়াতে ইসলামী।
প্রোব / হার/ জাতীয়/২৫.০৩.২০১৪

২৫ মার্চ ২০১৪ | জাতীয় | ১০:১৮:০৯ | ১৩:১০:৪২

জাতীয়

 >  Last ›