A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

চতুর্থ ধাপে ৯১ উপজেলায় ভোটগ্রহণ রোববার | Probe News

Upozila-Election-5.jpgপ্রোবনিউজ, ঢাকা: সহিংসতার আশংকা নিয়েই চতুর্থ ধাপে ৪৩ জেলার ৯১ উপজেলা পরিষদে রোববার ভোটগ্রহণ হবে। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে বিরতিহীন ভোট। শুক্রবার মধ্যরাত থেকে শেষ হয়েছে প্রচার-প্রচারণা। গত তিনটি ধাপের নির্বাচনে সহিংসতা, জাল ভোট, ব্যালট ছিনতাই, গুলি এবং কেন্দ্র দখলসহ নানা ঘটনায় আতঙ্ক বিরাজ করছে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায়। চতুর্থ ধাপে সহিংসতার মাত্রা আরো বেড়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা সংশ্লিষ্টদের। তবে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মোবারক দাবি করেছেন, নির্বাচন সুষ্ঠু করার সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। সহিংসতামুক্ত ভোট অনুষ্ঠিত হবে। যারা সহিংসতায় জড়িত থাকবে তাৎক্ষণিক তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন হলেও উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে দলীয় আমেজে। আর বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে দুই দলই টেনশনে রয়েছে। চতুর্থ ধাপে আওয়ামী লীগের ৩৭ আর বিএনপির ৩৩ উপজেলায় বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছে। ৯১টি উপজেলার ৪৯ টিতে আওয়ামী লীগ সমর্থিত একক প্রার্থী রয়েছে। বিএনপির আছে ৫১টি উপজেলায়। বাকি উপজেলাতে উভয় দলেরই একাধিক প্রার্থী আছেন।
এদিকে, চতুর্থ ধাপের এই নির্বাচনে গত তিন ধাপের চেয়েও বেশি সহিংসতা হতে পারে বলে আশঙ্কার কথা জানিয়েছে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। এ পরিস্থিতি রীতিমতো অস্বস্তিতে ফেলেছে ইসিকে। স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধিরা ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের পক্ষে কাজ করায় নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘন আর সহিংসতা দমনে অনেকটা অসহায় হয়ে পড়েছে ইসি। ফলে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বললেও বস্তুত বা কাজে আসছে না। ধাপে ধাপে নির্বাচন করতে গিয়েই আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে।
চতুর্থ ধাপের নির্বাচন উপলক্ষে শুক্রবার সকাল থেকে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসাবে নির্বাচনী দায়িত্ব পালন শুরু করেছে সশস্ত্রবাহিনীর সদস্যরা। রয়েছে পর্যাপ্তসংখ্যক র্যাব, বিজিবি, পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্য। ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে তারা সবকিছু করবেন। এছাড়া প্রতিটি উপজেলায় একজন বিচারিক ও চারজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে রয়েছেন।
নির্বাচন কমিশন চতুর্থ দফায় ৯৩টি উপজেলার তফসিল ঘোষণা করলেও দুই কেন্দ্রে ভোট স্থগিত করা হয়েছে। সীমানা নির্ধারণ নিয়ে জটিলতার কারণে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর ও শেরপুরের সদর উপজেলায় নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। পৃথকভাবে একইদিনে ঢাকার ধামরাই উপজেলাতে নির্বাচন।

চতুর্থ ধাপের ৯৩টি উপজেলায় মোট এক হাজার ১৮৬ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান প্রার্থী ৩৮৯ জন, ভাইস-চেয়ারম্যান প্রার্থী ৪৮৫ জন এবং মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান প্রার্থী ৩১২ জন। এসব এলাকায় মোট ভোটার এক কোটি ৪৩ লাখ ২৫ হাজার ৬৪৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৭১ লাখ ৩৯ হাজার ১০২ জন, নারী ভোটার ৭১ লাখ ৮৬ হাজার ৫৪২ জন।
যে ৯১ উপজেলায় নির্বাচন
চতুর্থ ধাপে যে ৯১টি উপজেলার নির্বাচন হবে তা হলো-ঢাকার ধামরাই, ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ, দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ ও ফুলবাড়ী, জয়পুরহাটের পাঁচবিবি, বগুড়ার গাবতলী, রাজশাহীর তানোর, পুটিয়া ও বাগমারা, নাটোরের বড়াইগ্রাম, সিরাগঞ্জের চৌহালী, পাবনার ঈশ্বরদী ও ফরিদপুর, নড়াইল সদর, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর, চুয়াডাঙ্গার জীবননগর, ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু, যশোরের সদর ও কেশবপুর, বাগেরহাটের চিতলমারী ও মোল্লাহাট, খুলনার ফুলতলা, তেরখাদা, রূপসা, বটিয়াঘাটা ও দাকোপ, সাতক্ষীরার কলারোয়া, বরগুনার বেতাগী, পটুয়াখালীর সদর, গলাচিপা, মির্জাগঞ্জ, বাউফল ও দুমকী, ভোলার তজুমুদ্দিন, মনপুরা ও দৌলতখান, বরিশালের আগৈলঝারা, উজিরপুর ও বানারীপাড়া, ঝালকাঠির সদর, কাঠালিয়া, রাজাপুর ও নলছিটি, পিরোজপুরের সদর, জিয়ানগর, ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়া, টাঙ্গাইলের কালিহাতি, ভুয়াপুর, নাগরপুর ও মধুপুর, শেরপুরের নালিতাবাড়ী, ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট, নেত্রকোনার মদন, কিশোরগঞ্জের ভৈরব, ইটনা, কটিয়াদি, মিঠামইন ও তাড়াইল, মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া, গাজীপুরের কালিয়াকৈর, সুনামগঞ্জের শাল্লা ও ধর্মপাশা, সিলেটের সদর ও কানাইঘাট, মৌলভীবাজারের সদর, কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গল, হবিগঞ্জের সদর, আজমেরীগঞ্জ, লাখাই ও নবীগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার আখাউড়া ও নাসিরনগর, কুমিল্লার মেঘনা ও বরুড়া, চাঁদপুরের শাহরাস্তি, ফেনীর সোনাগাজী ও ফুলগাজী, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ, চট্টগ্রামের বাঁশখালী, আনোয়ারা, রাউজান, ফটিকছড়ি, রাঙ্গুনিয়া, বোয়ালখালী ও সাতকানিয়া, কক্সবাজারের রামু ও কুতুবদিয়া, রাঙ্গামাটির জুড়াছড়ি এবং বান্দরবানের নাইক্ষংছড়ি।
প্রোব/বান/জাতীয় ২২.০৩.২০১৪

২২ মার্চ ২০১৪ | জাতীয় | ১১:৩৪:৫৮ | ১৯:২৩:১৬

জাতীয়

 >  Last ›