A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

টুকুর বিরুদ্ধে ভোট কারচুপি মামলার শুনানি শুরু হচ্ছে ‘দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়’ | Probe News

05_10th-Parliamentary-Elections.jpgপ্রোবনিউজ, ঢাকা: পাবনা-১ (সাথিয়া-বেড়া) আসনের সরকার দলীয় এমপি সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকুর বিরুদ্ধে পরাজিত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাইয়িদের দায়ের করা ভোট কারচুপি মামলার শুনানি শুরু হবে ৩ এপ্রিল। হাই কোর্টের ইলেকশন পিটিশন বেঞ্চের বিচারপতি সৌমেন্দ্র সরকারের বেঞ্চে এ শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। তিনি প্রোবকে জানান,‘দলীয় সরকারের অধীনে কখনোই সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না।’

Saeed- Tuku.jpgমামলার বাদী অধ্যাপক আবু সাইয়িদ ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে ওই আসনে তাকে এমপি হিসেবে ঘোষণা অথবা পুনর্নির্বাচনের আবেদন জানিয়ে সরকার দলীয় এমপি টুকুর বিরুদ্ধে ভোটকারচুপি ও ভোট ডাকাতির অভিযোগ এনেছেন। গত ২ ফেব্রুয়ারি বাদী অভিযোগ দাখিলের পর ১০ ফেব্রুয়ারি আদালত তা গ্রহণ করে।
পাবনা -১ আসনে ভোট কেন্দ্র ছিল মোট ১২৮ টি। অভিযোগ, এর মধ্যে ৬১টি কেন্দ্রে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। এসব কেন্দ্র থেকে বাদীর পক্ষের এজেন্টদের জোরপূর্বক বের করে দেয়া, টুকুর লোকজন কেন্দ্র দখল করে নৌকা প্রতীকে সিল মেরে ব্যালট বাক্সে ভরা, ভোটারদের কেন্দ্রে আসতে বাধা প্রদান, মারধর, ভয়ভীতিসহ বিভিন্ন অভিযোগ আনা হয়েছে।
জানা গেছে, ডকুমেন্টস স্বরূপ প্রায় আড়াইশো পৃষ্ঠার পেপার ক্লিপিং, ছবি, ভিডিও ক্লিপিং মামলার আবেদনের সঙ্গে জুড়ে দেয়া হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে অধ্যাপক আবু সাইয়িদ প্রোবকে বলেন, ‘ভোটের আগে ও পরে কেন্দ্রভিত্তিক ভোট ডাকাতির সুনির্দিষ্ট ঘটনা বারবার লিখিত, মৌখিক কিংবা ই-মেইলে নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন, পুলিশ-র্যাব এমনকি সেনাবাহিনীকে জানিয়েও কোন জবাব কিংবা প্রতিকার পাওয়া যায় নি। স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ সরাসরি সরকারদলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছে।’
অপর এক প্রশ্নের জবাবে সাইয়িদ জানান, নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনারএবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেছিলেন, ‘দলীয় সরকারের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে।’ বাস্তবে দেখা গেল- তাদের কথা সঠিক হয়নি।’
তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি দলীয় সরকারের অধীনে কখনোই সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না এবং নির্দলীয় সরকারের অধীনেও নির্বাচন সুষ্ঠু হবেনা। কারণ, নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা সরকারি কর্মচারিরা এখন আর প্রজাতন্ত্রে কর্মচারি নেই। তারা প্রধান দুটি দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির পক্ষে ভাগ হয়ে গেছে। সুতরাং এরা নিজেদেও স্বার্থে সব সময় নিজ নিজ দলের স্বার্থ রক্ষা করে চলে।’
প্রোব/পার/জাতীয়/২০.০৩.২০১৪
২০ মার্চ ২০১৪

২০ মার্চ ২০১৪ | জাতীয় | ১৪:০৩:৫৩ | ২০:০৭:১৯

জাতীয়

 >  Last ›