A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

মালয়েশিয়ার বিমানটি এখনও অক্ষত! | Probe News

প্রোব নিউজ, ডেস্ক: এখনও অক্ষত অবস্থায় পাওয়া যেতে পারে মালয়েশিয়ার নিখোঁজ বিমানটিকে। আর এমন আশা জাগানিয়া খবরটি উঠে এসেছে জাতিসংঘ সমর্থিত পর্যবেক্ষক সংস্থা কমপ্রিয়েনসিভ নিউক্লিয়ার টেস্ট ব্যান ট্রিটি অর্গানাইজেশন- সিটিবিটিও এর প্রতিবেদনে।
অস্ট্রিয়া ভিত্তিক সংস্থাটি জানায়, বিমানটি নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে কোন ধরনের বিস্ফোরণ কিংবা বিধ্বস্ত হওয়ার আলামত খুঁজে পাওয়া যায়নি। সংস্থার পর্যবেক্ষণ বিভাগের চারটি প্রযুক্তির তিনটি দিয়েই বিমান দুর্ঘটনা সনাক্ত করা যায় বলে দাবি করেছেন সিটিবিটিও’র নির্বাহী সচিব ল্যাসিনা জারবো। তিনি বলেন, ‘আমাদের তথ্য উপাত্তগুলো নিখোঁজ বিমানের হদিস পেতে সহায়তা করতে পারে।’
সাধারণত পারমাণবিক বিস্ফোরণ সনাক্ত করার জন্য মনিটরিং সিস্টেম স্থাপন করা হলেও এর মাধ্যমে বড় ধরনের বিমানের বিস্ফোরণ সনাক্ত করা সম্ভব বলেও দাবি করেন তিনি। ভূমি কিংবা পানি সব জায়গাতেই কাজ করে প্রযুক্তিটি।
বিশ্লেষকদের মতে সিটিবিটিও’র তথ্য যদি সঠিক হয়ে থাকে তবে কোথায় গেল বিমানটি। তবে তদন্তকারী কর্মকর্তারা এখন পর্যন্ত এমন কিছু বলেননি যে বিমানটি ভারত মহাসাগরেই বিধ্বস্ত হয়েছে। বরং কোথায় বিমানটি অবতরণ করতে পারে তা মাথায় রেখেও তদন্ত চালাচ্ছে তারা। দক্ষিণাঞ্চলীয় করিডোরে বেশ দ্বীপকে সম্ভাব্য অবতরণের জায়গা বলেও চিহ্নিত করেছে তারা।
পাশাপাশি মালদ্বীপের মালে, দিয়েগো গার্সিয়া, যুক্তরাষ্ট্রের বিমান ঘাঁটি, শ্রীলঙ্কার একটি বিমান বন্দরসহ বিমানের প্রধান পাইলট জাহারির তৈরি করা ফ্লাইট পরিকল্পনার অন্তর্ভূক্ত অবতরণের সবগুলো স্থানকে রাথা হয়েছে তদন্তের আওতায়।
মালদ্বীপের কুদাহুবাদু দ্বীপে বিমান নিখোঁজের ঘটনার দিন একটি বিমানকে নিচ দিয়ে যেতে দেখেছেন বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা। আর তা দিয়েগো গার্সিয়ার খুব কাছাকাছি। স্থানীয়রা এও জানান, বিমানটি সাদা রংয়ের এবং তার গায়ে লাল ডোরা কাটা ছিল। আর মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্স-এর বিমানগুলোও এমনই।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিমানটি উত্তর থেকে দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের দিকে যাচ্ছিল। এর আগে এত নিচ দিয়ে কোন বিমানকে যেতে দেখেননি বলেও জানান তারা।
অন্যদিকে দ্বীপটির ব্রু লিফ গেস্ট হাউজের ম্যানেজারের বরাত দিয়ে ইউকে টাইমস জানায়, তিনিও একটি বিমানকে নিচ দিয়ে উড়ে যেতে দেখেছেন। তবে এর গায়ে নীল ডোরা কাটা দাগ ছিল বলে দাবি করেছেন তিনি।
এদিকে স্যাটেলাইটে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী দিয়েগো গার্সিয়া এবং মালদ্বীপের আশপাশেই সনাক্ত করা হয়েছে বিমানের সম্ভাব্য সর্বশেষ অবস্থান।
এমনও গুঞ্জন রয়েছে যে দেখতে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্স-এর বিমানগুলোর মত হওয়ায় হয়তো অন্য কোন বিমানের আদতে কোন বিমান বন্দরেই অবতরণ করেছে মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্স-এর বিমানটি। এমনকি তা তুর্কমেনিস্তান, কিরগিস্তান, নেপাল এবং চীনের উইঘুর সম্প্রদায়ের স্বায়ত্ত্বশাসিত অঞ্চল উরুমকির বিমানবন্দর হতে পারে বলেও ধারণা রয়েছে অনেকের।
প্রোব/ফাউ/ডেস্ক/১৯.০৩.২০১৪

 

১৯ মার্চ ২০১৪ | আন্তর্জাতিক | ১০:৫০:৩৫ | ১৭:৫২:২২

আন্তর্জাতিক

 >  Last ›