A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

ফিরে এল নির্বাচনী সহিংসতা ‘দায় নির্বাচন কমিশনের, নিস্ক্রিয় ছিল আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী’ | Probe News

প্রোবনিউজ, ঢাকা: সহিংসতার মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে তৃতীয় পর্বে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ। এবারের নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন upazila file ph.jpgনির্বাচন পর্যব্ক্ষেকসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধারা। এ জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নিস্ক্রিয়তাকে দায়ী করেছেন। তারা বলছেন, নির্বাচন কমিশনের উচিৎ ছিল সংঘাতপূর্ণ এলাকাগুলোর নির্বাচন স্থগিত করা। তারা কোন ব্যবস্থা নেয়নি, এটা দুভার্গ্যজনক। এভাবে চললে আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু হবেনা। সংহিসতাকে কেন্দ্র করে সমাজে অশান্তি ছড়িয়ে পড়তে পারে।
উপজেলা নির্বাচনের তৃতীয় পর্যায়ে শনিবার ২জন নিহত হওয়া ছাড়াও ভোটকেন্দ্র দখল, ব্যাল বাক্স ছিনতাই, ব্যালট পেপারে সিল ও ভোটকেন্দ্র ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। নির্বাচন কমিশন এরই মধ্যে ২১টি কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ বাতিল করেছে। আর নির্বাচনে সহিংসতা এবং কারচুপির অভিযোগে বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। কোথাও কোথাও রোববার এর প্রতিবাদে হরতাল ডাকা হয়েছে।
এবারের নির্বাচনী সহিংসতার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে সুশাসনের জন্য জন্য নাগরিক (সুজন)-এর সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার প্রোবনিউজকে বলেন, ২০০৮ থেকে ২০১৩ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত নির্বাচনগুলো ২/১টি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া সুষ্ঠু হয়েছে। নির্বাচন কমিশনও তখন নিয়মভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে শক্ত পদক্ষেপ নিয়েছিল। কিন্তু এবারের উপজেলা নিবার্চনে কমিশন নির্বিকার রয়েছে। আজকের ঘটনায় আমরা শংকিত। সহিংসতা মুক্ত নির্বাচন না হলে আগামীতে দেশে শান্তি আসবে না।’ তিনি বলেন,‘ নির্বাচন কমিশন এর জন্য দায়ী। কারণ তারা সহিংসতা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। আর সরকারও দায় এড়াতে পারেনা।’
ড. মজুমদার বলেন, ‘শনিবারের নির্বাচন ছিল চরম বিশৃঙ্খল। দুটি প্রাণহানির পরও ইসি সাফাই গাইছে। তাদের এ আচরণ অনাকাঙ্খিত। এখনও সামনে নির্বাচন রয়েছে, পরবর্তী নির্বাচনের ব্যাপারেও আমরা চিন্তিত।
এ প্রসঙ্গে ডেমোক্রেসি ওয়াচের প্রধান নির্বাহী তালেয়া রেহমান জানান, দেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় একটা স্থিতিশীল পরিবেশ ফিরে এসেছিল। ভোটরদের মাঝে সচেতনতা বেড়ে যাওয়ায় আমরা গর্বিত ছিলাম। কিন্তু এখন দেখছি, নির্বাচনে আবারও সহিংসতা ফিরে এসেছে। এটা দুঃখজনক। তিনি বলেন, এজন্য আমরা বারবার দাবি জানিয়ে আসছি, নির্বাচন কমিশনকে পূর্ণ স্বাধীনতা দিতে হবে। কমিশনের নিজস্ব স্টাফ দিয়ে নির্বাচন পরিচালনা করতে হবে। কমিশনের এখনও সরকারের উপর নির্ভরশীল। এভাবে চললে স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব নয়।
নির্বাচনী সংহিংসতা প্রসঙ্গে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এম. হাফিজ উদ্দীন খান প্রোবনিউজকে বলেন, তৃতীয় পর্যায়ের নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপি ও সহিংসতা হলেও নির্বাচন কমিশন বলছে, নির্বাচন নাকি শান্তিপূর্ণ হয়েছে। তারা সহিংসতার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থাই নিল না। এটা সত্যিই দুঃখজনক। তাদের উচিৎ ছিল ওইসব এলাকার নির্বাচন স্থগিত করা। তারা তা করে নি, এটা একটা অশনি সংকেত।
প্রোব/পার/জাতীয়/১৫.০৩.২০১৪
১৫ মার্চ ২০১৪ । জাতীয়

 

১৫ মার্চ ২০১৪ | জাতীয় | ২১:০৭:৩০ | ১৬:৫২:২৩

জাতীয়

 >  Last ›