A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

রাষ্ট্রীয় জুটমিলে শ্রমিক ধর্মঘট | Probe News

প্রোবনিউজ, ডেস্ক: কয়েক দফায় বৈঠকের পরেও রাষ্ট্রায়ত্ত জুট মিল শ্রমিকদের ১১ দফা দাবি বাস্তবায়নের বিষয়ে কোনো সমাধান না হওয়ায় খুলনা-যশোর অঞ্চলসহ দেশের সব রাষ্ট্রায়ত্ত জুট মিলে ২৪ ঘণ্টার ধর্মঘট পালন করছেন শ্রমিকরা। বুধবার সকাল থেকে এ ধর্মঘট শুরু হওয়ায় মিলগুলোতে স্বাভাবিক উৎপাদন বন্ধ রয়েছে।
সকালে প্লাটিনাম জুট মিলের সিবিএ সভাপতি শাহানা শারমিন সাংবাদিকদের বলেন, মঙ্গলবার দুপুরে ১১ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে পাট মন্ত্রণালয়ে পাটপ্রতিমন্ত্রী মির্জা আযমের সঙ্গে পাটকল সিবিএ নেতাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে আলোচনা ফলপ্রসূ না হওয়ায় বৈঠক শেষে নেতারা বুধবার ২৪ ঘল্টা ধর্মঘটের আহ্বান করেন। এ আহ্বানে সাড়া দিয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল শ্রমিকরা বুধবার খুলনা-যশোরসহ সারাদেশে সফলভাবে ধর্মঘট পালন করছেন। তিনি জানান, সকাল ১০টায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এতে সব শ্রেণীর শ্রমিকেরা অংশগ্রহণ করবেন।
বেশ কয়েকজন সিবিএ নেতা জানান, ধর্মঘটের পাশাপাশি বিজেএমসি শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে শ্রমিক নেতারা পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা দিতে পারেন, যেখানে থাকতে পারে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালে সরকার রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানায় মুজরি কমিশন ঘোষণা করে। ওই কমিশন ২০০৯ সালের জুলাইয়ে বাস্তবায়ন হওয়ার কথা।
সরকারি গেজেট ২০১২ সালের জুলাই পর্যন্ত মুজরি কমিশনের টাকা চার কিস্তিতে পরিশোধের কথা। সে অনুযায়ী, এ বকেয়া প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় কিস্তির টাকা পরিশোধের পরিশোধ করা হয়েছে। তিনটি কিস্তির টাকায় শ্রমিকদের ক্যাশ স্লিপের পরিশোধ করা হয়। তবে, শ্রমিকদের মজুরি কমিশনের এ অর্থগুলো পেতেও বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন কর্মসূচি পালন করতে হয়েছে।
সর্বশেষ, মজুরি কমিশনের চতুর্থ কিস্তির টাকা দেওয়ার বিষয়ে জটিলতা বাধে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুয়ায়ী, বিজেএমসি শ্রমিকদের এ টাকা চেকের মাধ্যমে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু, শ্রমিকেরা এ অর্থ আগের তিনটি কিস্তির মতো ক্যাশ স্লিপের দাবি জানিয়ে আসছেন।
খুলনা-যশোর অঞ্চলসহ দেশের সব রাষ্ট্রায়ত্ত জুট মিলের শ্রমিকদের ১১ দফা দাবি আদায়ের লক্ষে শ্রমিকরা আন্দোলন কর্মসূচি পালন করে আসছেন। এ দাবিতে শ্রমিকরা গেটসভা, বিক্ষোভ মিছিলসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছেন। মিলের শ্রমিকদের আন্দোলনের কারণে মিলগুলোর স্বাভাবিক উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে, দাবি আদায়ে সর্বশেষ গত ১৮ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সকালে বাংলাদেশ পাটকল কর্পোরেশনের সিবিএ কার্যালয়ে সংগ্রাম পরিষদ, পাটকল শ্রমিক লীগ ও সিবিএ-নন সিবিএ নেতাদের এক জরুরি বৈঠকে ১১ দফা দাবিতে ১০ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
সে অনুয়ায়ী, নয় দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। তবে ৫ মার্চ মিলের ধর্মঘট থাকলেও ৪ মার্চ মঙ্গলবার বিকেল তিনটায় পাট মন্ত্রণালয়ে পাটপ্রতিমন্ত্রী মির্জা আযমের দফতরে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে পাটপ্রতিমন্ত্রী মির্জা আযম ১১ দফা বাস্তবায়নের জন্য ১১ মার্চ পর্যন্ত সময় চেয়েছিলেন শ্রমিক নেতাদের কাছে।
বৈঠকে শেষে নেতারা ধর্মঘট কর্মসূচি স্থগিত করেন। সে অনুযায়ী, মঙ্গলবার দুপুরে পাট মন্ত্রণালয়ে শ্রমিক লীগ, পাটকল শ্রমিক লীগ, পাটসুতা বস্ত্রকল সংগ্রাম পরিষদ ও সিবিএ সংগ্রাম পরিষদের নেতাদের সঙ্গে পাটপ্রতিমন্ত্রী মির্জা আযমের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক ফলপ্রসূ না হওয়ায় বৈঠকের পর শ্রমিক নেতারা ২৪ ঘণ্টার ধর্মঘটের ডাক দেন।
প্রোব/বান/জাতীয় ১২.০৩.২০১৪

১২ মার্চ ২০১৪ | জাতীয় | ১০:৪৮:৩৮ | ১৫:০৩:২৬

জাতীয়

 >  Last ›