A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

আমরা আসামি, বিচার হবে তৃণমূলের কাঠগড়ায়: গয়েশ্বর | Probe News

প্রোবনিউজ, ঢাকা: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন “সারাদেশের আন্দোলনের জোয়ার বইলেও ঢাকা নীরব ছিল। আন্দোলনে ঢাকার নেতারা ব্যর্থ হয়েছেন। আমরা সবাই আসামি। তাই আমাদের বিচার হবে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের কাঠগড়ায়।” মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে জাতীয়তাবাদী যুবদল ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আয়োজিত বিএনপির সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৮ম কারাবন্দি দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় গয়েশ্বর এসব কথা বলেন।
গয়েশ্বর বলেন, “সারাদেশে আন্দোলনের ঢেউ লাগলেও ঢাকা কেন নীরব ছিল। যারা ঢাকার দায়িত্বে ছিলেন তারা তখন কী করেছেন। তাদের বলবো আপনারা প্রস্তুতি নিন, সারাদেশের তৃণমূল নেতা-কর্মীদের কাঠগড়ায় আপনাদের বিচার হবে। আমরা যারা ঢাকায় আছি, তারা সবাই তৃণমূল নেতাকর্মীদের কাছে আসামি।”
মাঠে অনুপস্থিত থেকে মঞ্চে উচ্চ কণ্ঠে বক্তব্য দিয়ে সরকারের পতন ঘটনো যাবে না বলেও মন্তব্য করেন বিএনপির এই শীর্ষ নেতা।
তিনি বলেন, “সরকারের পতন ঘটাতে হলে আন্দোলনের বিকল্প নেই। কেননা , হাসিনার পেছনে ইন্ডিয়ার মতো বটবৃক্ষ রয়েছে।”
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, “ঘরের ভেতর না থেকে স্লোগান না দিয়ে রাজপথে নামতে হবে। তারেক রহমানকে দেশে ফিরে আনতে হলে আন্দোলন করতে হবে।”
তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনা নির্বাচনের আগেই ১৫৩ জন সন্তান কোলে নিয়েছেন। আর ১৪৭ আসনের মধ্যে ৫৭ কেন্দ্রে কোনো ভোটেই পড়েনি। বেগম জিয়ার আহ্বানে কেউ ভোট দেয়নি। ভোটকেন্দ্রে কুকুর বসেছিল। এখন ভারতকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, তারা কার সঙ্গে থাকবে। তারা যদি একটি দলের সঙ্গে থাকতে চায় তবে তাদের বলবো আপনারা আপনাদের বান্ধবীকে ভারতে নিয়ে যান। সেখানে তাকে আদর-সোহাগ করেন।”
গুন্ডে ছবিতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি করেছে দাবি করে বিএনপির এই নেতা বলেন, “আমি ছবিটি দেখেনি, তবে শুনেছি। সেখানে বলা হয়েছে একদা এক সময়ে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ হয়েছে। সেই যুদ্ধের ফল স্বরূপ বাংলাদেশের জন্ম হয়। আমার চিন্তা হয়, কখন জানি তারা আবার বলে বসে বাংলাদেশ আমাদের ভূখন্ড। ১৬ ডিসেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পাকিস্তানীরা কেন ইন্ডিয়ান কাছে আত্মসমর্পণ করেছে? আসলে সেই দিন থেকে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে।”
তিনি বলেন, ‘গত কয়েক মাসের আন্দোলনে তৃণমূল নেতাকর্মীরা সফল। আমরা নেতৃত্বে দিতে পারেনি বলেই আন্দোলনের ফসল ঘরে উঠেনি। আমরা যদি রাজপথে নামতে না পারি, তবে পদ-পদবি শুধু অলংকার হয়েই থাকবে।”
অনুষ্ঠানে যুবদলের সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল আন্দোলনে নিজেদের ব্যর্থতার কথা স্বীকার করে নিয়ে বলেন, “ঢাকায় বিএনপির মূল সংগঠনেই আন্দোলনে নামেনি বলেই অঙ্গসংগঠনগুলো নীরব ছিল।”
ঢাকা মহানগরে নেতৃত্বে পরিবর্তন হলে কিংবা ব্যর্থদের বিরুদ্ধে অন্য কোনো ব্যবস্থা নিলে যুবদল তাদের সঙ্গে থাকবে বলেও উল্লেখ করেন এই যুবনেতা।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, যুবদলের জেষ্ঠ্য সহ-সভাপতি আবদুস সালাম আযাদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মীর নেওয়াজ আলী প্রমুখ।
প্রোব/পার/রাজনীতি/ ১১.০৩.২০১৪
১১ মার্চ ২০১৪ । রাজনীতি

১১ মার্চ ২০১৪ | রাজনীতি | ১৫:১৩:৪২ | ১১:১১:২৪

রাজনীতি

 >  Last ›