A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

সাগর-রুনি হত্যা তদন্তের অগ্রগতি জানাল র‍্যাব | Probe News

প্রোবনিউজ, ঢাকা: আদালতের তলবে হাই কোর্টে হাজির হয়ে সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে প্রতিবেদন দিয়েছেন র্যা বের তদন্ত কর্মকর্তা। একইসঙ্গে এ মামলার তিন আসামির জামিন শুনানি হলেও আদালত তা মঞ্জুর করেনি। আসামিপক্ষের আবেদনে আদালত ওই আবেদন ‘উপস্থাপিত হয়নি মর্মে’ খারিজ করে দিয়েছে। বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমেদের বেঞ্চ সোমবার শুনানি শেষে এ আদেশ দেয়।
সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র্যাবে দায়িত্বরত সিনিয়র এএসপি মো. জাফর উল্লাহ গত ৫ মার্চ প্রতিবেদন জমা দিতে এলেও জামিন শুনানির এখতিয়ার না থাকায় বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর বেঞ্চ তা ফিরিয়ে দেয়। এরপর বিষয়টি বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমেদের বেঞ্চে এলে সোমবার হাজির হয়ে তদন্তের অগ্রগতির প্রতিবেদন দেন জাফর উল্লাহ।
আদালত প্রতিবেদন গ্রহণ করে জানিয়েছে, বিষয়টি যেহেতু তদন্তাধীন, সেহেতু ওই প্রতিবেদনের তথ্য প্রকাশ করা হবে না। আর যে আসামিদের জামিনের আবেদন পেয়ে আদালত তদন্ত কর্মকর্তার কাছে অগ্রগতি জানতে চেয়েছিল, তাদের আবেদন শুনানি শেষে নাকচ করে দেয়া হয়। আদালতে আসামিপক্ষে শুনানি করেন এসএম মাসুদ হোসেন দোলন। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট গাজী মো. মামুনুর রশীদ।
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পূর্ব রাজাবাজারে নিজেদের বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রুনি। হত্যারহস্যের কিনারা করতে না পারায় হাই কোর্টের নির্দেশেই ২০১২ সালের ১৮ই এপ্রিল মামলাটি পুলিশ থেকে র্যাবে স্থানান্তর করা হয়। র্যাব তদন্তের দায়িত্ব নেয়ার পর সন্দেহভাজন ১৬ জনের ডিএনএ নমুনা পরীক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে পাঠায়। এছাড়া আলামত হিসেবে জব্দকৃত ছুরি ও পোশাকের নমুনাও পাঠানো হয়। কিন্তু তাতেও খুনি সনাক্ত করা যায়নি।
হত্যাকাণ্ডের এক বছর আট মাস পর ঘটনায় ‘জড়িত’ আটজনকে চিহ্নিত করে সাতজনকে গ্রেপ্তারের কথা জানান তখনকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর। এর মধ্যে পাঁচজনই আবার চিকিৎসক নেতা ডা. নারায়ণ চন্দ্র দত্ত নিতাই হত্যা মামলার আসামি। গ্রেপ্তার আসামিদের মধ্যে বকুল মিয়া, রফিকুল ইসলাম ও কামরুল হারান অরুণ নামে তিনজনের পক্ষে জামিনের আবেদন নিয়ে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি হাই কোর্টে আসেন তাদের আইনজীবী এস এম মাসুদ হোসেন দোলন।

ওইদিন শুনানিতে তিনি বলেন, দুই বছর পেরিয়ে গেলেও এ মামলায় অভিযোগপত্র হয়নি। মামলার অগ্রগতি না হওয়ার পরও আসামিদের আটকে রাখা হয়েছে। তাদের জামিন দেয়া হোক। এরপর বিচারপতি এম এনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর বেঞ্চ জামিন শুনানির আগে তদন্তের অগ্রগতি জানতে চান এবং এজন্য র্যাবের তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব করেন।
কিন্তু এরইমধ্যে তলবকারী বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি ইনায়েতুর রহিম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দায়িত্ব পাওয়ায় গত ৫ মার্চ বিষয়টি শুনানির জন্য তোলা হয় বিচারপতি মো. শওকত হোসেন ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের বেঞ্চে। এএসপি জাফর উল্লাহও ওই আদালতে হাজির হন।
কিন্তু জামিন শুনানির এখতিয়ার না থাকায় ওইদিন দুই বিচারপতির বেঞ্চ তা না শুনে ‘এখতিয়ার আছে’ এমন বেঞ্চ বা প্রধান বিচারপতির কাছে বিষয়টি উপস্থাপন করতে বলে।
প্রোব/বান/জাতীয়/১০.০৩.১০১৪

১০ মার্চ ২০১৪ | জাতীয় | ১৩:০৮:০০ | ১৭:৫৫:৩০

জাতীয়

 >  Last ›