A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

৭ই মার্চে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা | Probe News

প্রোব নিউজ, ঢাকা: ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ আজ। সুদীর্ঘ আন্দোলনের এক পর্যায়ে ১৯৭১ সালের এই দিনে স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ঐতিহাসিক দিনটি উপলক্ষে শুক্রবার সকাল ৭টায় ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী এবং বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।
এ সময় সংসদের উপনেতা ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী এবং দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।
এর আগে বঙ্গবন্ধু ভবন ও দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় এবং দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষ্যে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাণীতে দিনটিকে বাঙালির ইতিহাসের এক গৌরবময় অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেছেন তাঁরা।
বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, “স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশকে একটি সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলায় পরিণত করা ছিল বঙ্গবন্ধুর আজীবনের লালিত স্বপ্ন। আমাদের মহান নেতার সে স্বপ্ন পূরণ করতে সমাজ থেকে ক্ষুধা, দারিদ্র্য, অশিক্ষাসহ নানা সামাজিক কুসংস্কার দূরীকরণে আমাদের অব্যাহত প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।”
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক ভাষণ। অসীম ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অমিত শক্তির উৎস ছিল এ ঐতিহাসিক ভাষণ। যার আবেদন আজও অটুট রয়েছে।”
৭ই মার্চ উপলক্ষে বিকাল ৩টায় ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজন করা হয়েছে জনসভা। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
১৯৭১ সালের এই দিনে মাত্র ১৯ মিনিটের ভাষণের মধ্যদিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অধিকার আদায়ে সোচ্চার হতে জাগিয়ে তুলেছিলেন পুরো বাঙালি জাতিকে । এদিন সামরিক আইন প্রত্যাহার, সৈন্যবাহিনীর ব্যারাকে প্রত্যাবর্তন, শহীদদের জন্য ক্ষতিপূরণ ও জনপ্রতিনিধিদের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তরে চারদফা দাবি উত্থাপন করেন তিনি। রেসকোর্স ময়দানের উত্তাল জনসমুদ্রকে লক্ষ্য করে বঙ্গবন্ধু বলেন, “তোমাদের যা কিছু আছে, তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকো। মনে রাখবা, রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দেব- এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম- এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। জয় বাংলা।”
বঙ্গবন্ধুর এ ভাষণের আহ্বানেই মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি শুরু করে বাঙালি। পরে ২৫শে মার্চের কালরাতে পাকবাহিনীর নৃশংস গণহত্যার পর ২৬শে মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ।

নয় মাসের যুদ্ধ শেষে ত্রিশ লাখ শহীদের আত্মদান, আড়াই লাখ মা-বোনের সম্ভমহানি এবং জাতির অসাধারণ ত্যাগের বিনিময়ে ১৬ই ডিসেম্বর অর্জিত হয় চূড়ান্ত বিজয়। অভ্যুদয় ঘটে বাংলাদেশ নামের একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের।
প্রোব/ফাউ/জাতীয়/০৭.০৩.২০১৪

৭ মার্চ ২০১৪ | জাতীয় | ১২:০৫:২৭ | ১৫:৫৭:১৮

জাতীয়

 >  Last ›