A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

ভারতের মত বাংলাদেশেও ‘না’ ভোটের বিধান চালুর দাবি | Probe News

commission indiaপ্রোবনিউজ, ঢাকা: ভারতের লোকসভা নির্বাচনে এবারই প্রথম ‘না’ ভোটের দেওয়ার সুযোগ থাকছে ভোটারদের। আর আচরণবিধির ব্যাপরেও কড়া নির্বাচন কমিশন। তাই লোকসভা নির্বাচনে সোস্যাল মিডিয়ার উপরও নজর রাখা হবে। যা আকৃষ্ট করেছে বাংলাদেশের সুশীল সমাজ এবং নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের। তারা বলছেন বাংলাদেশেই প্রথম এই ‘না’ ভোটের বিধান চালু হয়েছিল। কিন্তু তা বাতিল করে ভোটাদের অধিকার হরণ করা হয়েছে।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)- এর সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার প্রোব নিউজকে জানান, সিভিল সোসাইটি এবং ভোটারদের দাবির মুখে নির্বাচন কমিশন ড. ফকরুদ্দিনের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ‘না’ ভোটের বিধানটি করেছিল। এটা ছিল ভোটারদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের হাতিয়ার। শেখ হাসিনার গত মেয়াদের সরকার ‘না’ ভোটের বিধান তুলে দিয়েছে, যা দুঃখজনক। এটা ভোটারদেও অধিকারকে ক্ষুন্ন করেছে। ভারত না ভোটের বিধান চালু করায় বাংলাদেশেও পুনরায় এটা চালুর দাবি প্রশস্ত হতে পারে।
তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ‘না’ ভোটের বিধান মেনেই ২০০৮ সালের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিল। দুর্ভাগ্যজনক, ক্ষমতায় গিয়েই শেখ হাসিনার সরকার ‘না’ ভোটের বিধান বাতিল করে দেয়। আমাদের রাজনীতিকদের ধারণা হয়তোবা ‘না’ ভোটদাতারা জিতে যাবে। এ জন্য তারা ‘না ভোট’ কেও প্রতিদ্বন্দ্বি মনে করে। তাঁর মতে ‘না’ ভোটের বিধান থাকলে ৫ জানুয়ারির একতরফা নির্বাচন হতে পারতো না।’ 

india 222

ড. মজুমদার আরো বলেন, ‘ ভারতের নির্বাচন কমিশন অত্যন্ত শক্তিশালী এবং স্বাধীন। আর বাংলাদেশের নির্বাচন হচ্ছে নতজানু। তারা দুর্বৃত্তায়িত রাজনীতির কাছে আত্মসমর্পন করেছে।’
ভারতের আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের ঘোষিত ‘না’ ভোটের বিধান সম্পর্কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক ইমতিয়াজ আহমেদ বলেছেন- বিশ্বে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অনেক দেশেই ‘না’ ভোটের ব্যবস্থা রয়েছে। এবারের লোকসভা নির্বাচনে ভারত এ নিয়মটি চালু করায় সেদেশের ভোটারদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের বিষয়টি আরো টেকসই হলো। দুঃখজনক, আমাদেও রাজনীতিকরা ‘না’ ভোটকে ভয় পায়।’
ড. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ‘ ভারতের এ উদ্যোগটি বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক হতে পারে। এখানে যেসব সংগঠন নির্বাচন নিয়ে কাজ করে, তারা নির্বাচনী বিধিতে ‘না’ ভোট অন্তর্ভুক্ত করার ব্যাপারে এখন নির্বাচন কমিশনের কাছে জোরালো দাবি জানাতে পারবে।’
আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বিধি অনুযায়ী এবার থেকে সোস্যাল মিডিয়াতে নির্বাচনী বিজ্ঞাপন দেয়ার জন্য প্রার্থীদেরকে নির্বাচন কমিশনের আগাম অনুমতিও নিতে হবে। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী সব মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য প্রার্থী বা দলকে আগাম অনুমতি নিতে হয়। এ সম্পর্কে অধ্যাপক ইমতিয়াজ জানান, ভারতে টিএন সেসনের আমল থেকেই প্রার্থীদের জন্য নির্বাচনী বিধি অত্যন্ত কড়াকড়ি ভাবে পালন করা হচ্ছে। সেখানে নির্বাচন কমিশন প্রার্থীদের জবাবদিহিতা অক্ষরে অক্ষরে মানতে বাধ্য করে। নির্বাচনী প্রচারণায় প্রার্থীদের বিজ্ঞাপন দেয়ার প্রবণতা নিয়ন্ত্রণের যেসব বিধি তারা করেছে, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য এটা গুরুত্বপূর্ণ। কেউ বেশী টাকা খরচ করলে তাকে দ্রুত জবাবদিহির আওয়ায় আনা যাবে। অথচ, আমাদের এখানে এই নিয়মই নেই, যা নিয়ম-কানুন আছে তা মেনে চলার বালাই নেই। আমাদের নির্বাচন কমিশন যেন নিয়মের বাইরে চলে।


প্রোব/পারভেজ/জাতীয়/৫.৩.২০১৪৫
৫ মার্চ ২০১৪। জাতীয়

৫ মার্চ ২০১৪ | জাতীয় | ২০:৫৬:৪২ | ১২:৪৪:৪৪

জাতীয়

 >  Last ›