A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

সাগর-রুনি হত্যা: র্যা বের বক্তব্য শুনবে ‘অন্য বেঞ্চ’ | Probe News

প্রোবনিউজ, ঢাকা: সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে হাজির হলেও জামিন ‘এখতিয়ার না থাকায়’ বিষয়টি কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছে হাই কোর্টের একটি বেঞ্চ। বিচারপতি মো. শওকত হোসেন ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের বেঞ্চ বুধবার এ মামলার অগ্রগতির বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তার বক্তব্য না শুনে ‘জামিন শুনানির এখতিয়ার আছে’ এমন বেঞ্চ বা প্রধান বিচারপতির কাছে বিষয়টি উপস্থাপন করতে বলেছে।
আসামিপক্ষে এদিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন এসএম মাসুদ হোসেন দোলন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট গাজী মো. মামুনুর রশীদ।
সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র্যা বে দায়িত্বরত সিনিয়র এএসপি মো. জাফর উল্লাহও নথিপত্র নিয়ে আদালতে হাজির ছিলেন। মাসুদ হোসেন দোলন পরে সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা এখন প্রধান বিচারপতির কাছে যাব। তিনি যদি এই বেঞ্চে আসতে বলেন, তাহলে এই বেঞ্চেই শুনানি করবে।”
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পূর্ব রাজাবাজারে নিজেদের বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রুনি। হত্যারহস্যের কিনারা করতে না পারায় হাই কোর্টের নির্দেশেই ২০১২ সালের ১৮ই এপ্রিল মামলাটি পুলিশ থেকে র‍্যাবে স্থানান্তর করা হয়।
র‍্যাব তদন্তের দায়িত্ব নেয়ার পর সন্দেহভাজন ১৬ জনের ডিএনএ নমুনা পরীক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে পাঠায়। এছাড়া আলামত হিসেবে জব্দকৃত ছুরি ও পোশাকের নমুনাও পাঠানো হয়। কিন্তু তাতেও খুনি সনাক্ত করা যায়নি।
হত্যাকাণ্ডের এক বছর আট মাস পর ঘটনায় ‘জড়িত’ আটজনকে চিহ্নিত করে সাতজনকে গ্রেপ্তারের কথা জানান তখনকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর। এর মধ্যে পাঁচজনই আবার চিকিৎসক নেতা ডা. নারায়ণ চন্দ্র দত্ত নিতাই হত্যা মামলার আসামি। গ্রেপ্তার আসামিদের মধ্যে বকুল মিয়া, রফিকুল ইসলাম ও কামরুল হারান অরুণ নামে তিনজনের পক্ষে জামিনের আবেদন নিয়ে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি হাই কোর্টে আসেন তাদের আইনজীবী এস এম মাসুদ হোসেন দোলন।
শুনানিতে তিনি বলেন, দুই বছর পেরিয়ে গেলেও এ মামলায় অভিযোগপত্র হয়নি। মামলার অগ্রগতি না হওয়ার পরও আসামিদের আটকে রাখা হয়েছে। তাদের জামিন দেয়া হোক। এরপর বিচারপতি এম এনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর বেঞ্চ জামিন শুনানির আগে তদন্তের অগ্রগতি জানতে চান এবং এজন্য র‍্যাবের তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব করেন।
সে অনুযায়ী, এএসপি জাফর উল্লাহ বুধবার সকালে আদালতে উপস্থিত হলেও মামলার নথি আসতে দেরি হওয়ায় শুনানি পিছিয়ে দুপুরে সময় রাখা হয়। আর তলবকারী বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি ইনায়েতুর রহিম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দায়িত্ব পাওয়ায় বিষয়টি শুনানির জন্য তোলা হয় বিচারপতি মো. শওকত হোসেন ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের বেঞ্চে।
প্রোবনিউজ/বান/জাতীয়/ ০৫.০৩.২০১৪

৫ মার্চ ২০১৪ | জাতীয় | ১৩:১১:৪৮ | ১২:৫৪:৫০

জাতীয়

 >  Last ›