A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

ইতালিকে বিদায় করে নক-আউটে উরুগুয়ে | Probe News

ইতালিকে বিদায় করে নক-আউটে উরুগুয়ে

Italy Vs Uruguyaপ্রোবনিউজ, ডেস্ক : ২০১০ দাক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপ আবারো ফিরে পেলো ইতালি। যেখানে গ্রুপপর্ব থেকে বিদায় নিয়েছিলো চার বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি। এবারো ধারাবাহিকতা রক্ষা করে উরুগুয়ের বিপক্ষে বাঁচা-মরার লড়াইয়ে অপমৃত্যু হয়েছে সিজার প্রাণদেল্লির শিষ্যদের। যেখানে ড্র করলেও দ্বিতীয় রাউন্ডে যেতে পারতো তার দল সেখানে পরাজয়ের গ্লানি। সর্বোপুরি বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ড থেকে টানা দুইবার বিদায়ের লজ্জা। দিয়েগো গডিনের হেড থেকে পাওয়া একমাত্র গোলে উরুগুয়ের কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে ইতালি। অবশ্য দ্বিতীয়ার্ধের শেষ ৩০ মিনিট দশজনে খেলেছে আজ্জুরিরা।
মঙ্গলবার নাতাল স্টেডিও ডাস ডুনাসে প্রথমার্ধে গোলের পরিস্কার কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি কোন দলই। দুর্ভেদ্য রক্ষণদুর্গ ভেঙে জানলুইজি বুফনকে তেমন কোনো পরীক্ষায় ফেলতে পারেননি লুইস সুয়ারেস-এডিনসন কাভানিরা। নিষ্প্রভ ছিলেন ইতালির স্ট্রাইকার মারিও বালোতেল্লির আক্রমণ। দ্বিতীয়ার্ধে এসি মিলানের এই স্ট্রাইকাররা আর মাঠেই নামাননি প্রানদেল্লি। প্রথমার্ধের ১২ মিনিটে ম্যাচের প্রথম সুযোগটি পেয়েছিল ইতালি। আন্দ্রে পিরলোর ফ্রি-কিক ঠেকিয়ে দিতে কোনো সমস্যা হয়নি উরুগুয়ের গোলরক্ষক ফার্নান্দো মুসলেরার। খেলার ধারার বিপরীতে ৩৩ মিনিটে গোল প্রায় পেয়েই যাচ্ছিল উরুগুয়ে। তবে বুফনের দৃঢ়তায় বেঁচে যায় ইতালি। প্রথমে সুয়ারেসের ও ফিরতি বলে নিকোলাস লোদেইরার শট ঝাঁপিয়ে পড়ে ঠেকিয়ে দেন বুফন।
দ্বিতীয়ার্ধের ৫৮ মিনিটে একটি সুযোগ পেয়েছিল উরুগুয়ে। সুয়ারেস চমৎকার একটি পাস দিয়েছিলেন ক্রিস্টিয়ান রদ্রিগেজকে। বাঁ-দিক থেকে ডি বক্সে ঢুকে শট নিয়েছিলেন তিনি। বল রাখতে পারেননি, নিজে শট না নিয়ে একটু পেছনে থাকা কাভানিকে পাস দিলে ভিন্ন ফল হতেই পারতো। পরের মিনিটে আরেভালো রিয়োসকে ফাউল করে সরাসরি লালকার্ড দেখেন ক্লাদিও মার্কিসিও। তিনি মাঠ ছাড়লে আরো আরো আক্রমণাত্মক হয়ে উঠে উরুগুয়ে। ৬৬ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারতো উরুগুয়ে। কিন্তু আবারো চারবারের চ্যাম্পিয়নদের রক্ষক হয়ে ওঠেন অধিনায়ক বুফন। বক্সের বাইরে বল পেয়ে জোরালো শট নিয়েছিলেন সুয়ারেস। কিন্তু ঝাঁপিয়ে পড়ে সেই চেষ্টাটি ব্যর্থ করেন তিনি। দ্বিতীয়ার্ধের ৭৯ মিনিটে জর্জো কিয়েল্লিনির সঙ্গে বিবাদে জড়ান সুয়ারেস। সংঘর্ষের পর পড়ে গিয়েছিলেন দুইজনই। ইতালির ডিফেন্ডারকে কামড় দিয়েছেন উরুগুয়ের স্ট্রাইকার। ৮১ মিনিটে আর পারেননি বুফন। কর্নার থেকে গদিনের হেড জালে খুঁজে পেলে এগিয়ে যায় দুইবারের চ্যাম্পিয়নরা। এরপর রীতিমত মরিয়া হয়ে উঠেছিল ইতালি। কিন্তু উরুগুয়ের জমাট রক্ষণ ভাঙতে পারেনি তারা। প্রতি-আক্রমণ থেকে কয়েকটি সুযোগ পেয়েছিল ল্যাটিন দলটি। কিন্তু সুয়ারেসের ব্যর্থতায় অন্তত দুবার বেঁচে যায় ইতালি। সমতা ফেরাতে মরিয়ে ছিলেন প্রানদেল্লির শিষ্যরা। এমনকি ম্যাচের শেষের দিকে গোলবার খালি রেখেই উরুগুয়ের রক্ষণভাগে উঠে এসেছিলেন বুফন। উরুগুয়ের খেলোয়াড়দের পায়ে বল গেলেও গোলপোস্টে ফেরেননি, বল কেড়ে নেয়ার চেষ্টা করেছিলেন। পারেননি, কিন্তু আর গোলও খেতে হয়নি। রেফারি বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে নিশ্চিত হয়ে যায় ইংল্যান্ডের সঙ্গী হচ্ছে ইতালি।
ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে চমৎকার শুরু করেছিল ইতালি। কিন্তু পরের ম্যাচে কোস্টারিকার সঙ্গে ১-০ গোলের হারে ছন্দ পতন ঘটে দলটির। তবু নক-আউট পর্বে যেতে মাত্র ১ পয়েন্ট প্রয়োজন ছিল ইতালির। ১ পয়েন্টের লক্ষ্যেই খেলছিল ইতালি। কিন্তু প্রানদেল্লির শিষ্যরা উরুগুয়ের রক্ষণ ভাঙতে পারছিল না। গ্রুপের অন্য ম্যাচে কোস্টারিকার কাছে ৩-১ গোলের হার দিয়ে শুরু হয়েছিল গতবারের সেমিফাইনাল খেলা উরুগুয়ের। পরের ম্যাচে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডের আশা বাঁচিয়ে রাখে দুইবারের চ্যাম্পিয়নরা। গ্রুপের শেষ ম্যাচে ইংল্যান্ডের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে 'ডি' গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হয়েই শেষ ষোলতে পৌঁছে গেল কোস্টারিকা।
প্রোব/এহ/খেলা ২৫.০৬.২০১৪

২৫ জুন ২০১৪ | খেলা | ১০:১৫:০৭ | ১২:২৩:০৭