A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

রাজনৈতিক অস্থিরতা অর্থনীতির মূল চ্যালেঞ্জ | Probe News

বাংলাদেশ ইকোনোমিস্ট ফোরামের সম্মেলনে বক্তারা
রাজনৈতিক অস্থিরতা অর্থনীতির মূল চ্যালেঞ্জ

প্রোবনিউজ, ঢাকা : জলবায়ু পরিবর্তন এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা বাংলাদেশের অর্থীতির মূল চ্যালেঞ্জ। এছাড়া অবকাঠামোগত দুর্বলতা এবং অকার্যকর স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকেও
অর্থনৈতিক অগ্রগতির মুল বাধা হিসেবে উল্লেখ করেছেন দেশি বিদেশী অর্থনীতিবিদ ও রাজনীতিকরা। তাদের মতে, চলমান অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে টেকসেই রূপ দিতে হলে বুদ্ধিবিত্তিক চেনতার মাধ্যমে সীমিত মুলধনের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে এবং বিনিয়োগের পরিবেশ বজায় রাখতে হবে।
শনিবার রাজধানীর রেডিসন হোটেলে অর্থনীতিবিদদের নিয়ে সদ্য গঠিত সংগঠন বাংলাদেশ ইকোনমিস্ট ফোরাম আয়োজিত ‘ভিশন ২০৩০: ফ্রেমওয়ার্ক ফর ইকোনোমিক পলিসি মেকিং অ্যান্ড স্ট্রাটেজি ফরমুলেশন ইন এ প্রুরালিস্টিক ডেমোক্রেসি’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী সম্মেলনের উদ্বোধনী দিনে বক্তারা এসব কথা বলেন।
স্থানীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) চেয়ারম্যান অর্থনীতিবিদ ড. রেহমান সোবহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিষয়ের ওপর মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যুক্তরাজ্যের সাসেক্স বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মাইকেল লিফটন। তার মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলা এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির মূল চ্যালেঞ্জ।
তিনি বলেন, ইতোমধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতি অনেক দূর এগিয়েছে। গড়ে তুলেছে শক্ত ভিত। এরপরেও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলা বিশেষ করে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, ভূমি ধস ও লবণাক্ততা বৃদ্ধিসহ নানা দুর্যোগ সক্ষমতা ও দক্ষতার সঙ্গে মোকাবেলা করতে পারলে অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতি আরো ত্বরান্বিত হবে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ কৃষি খাতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অধিক অগ্রগতি হয়েছে। একই সঙ্গে প্রায় দেড় দশকের মধ্যে দারিদ্র্য বিমোচন, লিঙ্গ বৈষম্য দূর এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে আশানুরূপ অগ্রগতি করেছে বাংলাদেশ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার দিয়ে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। এর জন্যে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে তা কাজে লাগাতে হবে।
তিনি আরো বলেন, প্রবৃদ্ধি অর্জনের ধারা অব্যাহত রাখতে হলে উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর বিকল্প নেই। আর সেই জন্যেই বাংলাদেশের জনসংখ্যাকে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করা হবে। না হলে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা সম্ভব নয়।
এছাড়া উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর জন্য রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং উন্নত অবকাঠামো থাকা দরকার বলেও উল্লেখ করেন অর্থমন্ত্রী। তবে অবকাঠামো উন্নয়নে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারী উদ্যোক্তাদের সম্পৃক্ততা আরো বাড়াতে হবে বলে মনে করছেন তিনি।
সভাপতির বক্তব্যে ড. রেহমান সোবহান বলেন, অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়েছে কিন্তু কোনপ্রক্রিয়ায় এ উন্নয়নকে টেকসই করা যায় সেটাই আমাদের ভাবতে হবে। এছাড়া দেশের সীমিত মূলধনের বুদ্ধিবৃত্তিক চিন্তা চেতনার মাধ্যমে সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে বলে তিনি জানান।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান, ডেপুটি গভর্নর এসকে সুর, সাবেক গভর্নর সালেহ উদ্দিন আহমেদ, অর্থনীতিবিদ ড. কাজী খলিকুজ্জামান, বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাবেক সভাপতি ড. মহিউদ্দিন আলমগীর ও ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড.ফায়েকুজ্জামান প্রমুখ।
প্রোব/আরএম/শর/অর্থনীতি ২১.৬.২০১৪

২১ জুন ২০১৪ | অর্থনীতি | ১৯:৩৪:০০ | ১৪:২৩:২৭

অর্থনীতি

 >  Last ›