A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

আনন্দবাজারের প্রতিবেদন কথিত বাংলাদেশি বিতাড়ণ শুরু আসাম থেকে | Probe News

আনন্দবাজারের প্রতিবেদন
কথিত বাংলাদেশি বিতাড়ন শুরু আসাম থেকে

ASSAM final copy.jpgপ্রোবনিউজ, ডেস্ক: বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্তকরণের কাজ শুরু হবে ভারতের আসাম রাজ্য থেকে। প্রথম পর্যায়ে পশ্চিমবঙ্গ এ শনাক্তকরণের কাজে পড়ছে না।
শুক্রবার কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। আসামসহ গোটা উত্তর-পূর্ব ভারতের বিভিন্ন রাজ্য থেকে শুরু হবে এই অনুপ্রবেশকারী শনাক্তকরণের কাজ। এমনটিই চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার। আর প্রধানমন্ত্রী মোদির নির্বাচনী প্রচারণায়ও ছিলো বিষয়টি।
আনন্দবাজার লিখেছে, ‘বেআইনি বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি নরেন্দ্র মোদীর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির মধ্যে ছিল। কালক্ষেপ না করে সে কাজটি অসম থেকেই শুরু করে দিতে চায় কেন্দ্র। ঠিক হয়েছে, অসমে বসবাসকারী বেআইনি অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করতে ১৯৭১ সালের ভোটার তালিকার ভিত্তিতে নতুন করে জাতীয় নাগরিক পঞ্জি (ন্যাশনাল রেজিস্টার অফ সিটিজেনস) তৈরির কাজ শুরু হবে। সেই অনুযায়ীই ১৯৭১ সালের পর থেকে কারা বাংলাদেশ থেকে অসমে এসে বসবাস শুরু করেছেন, তা চিহ্নিত করা হবে। তার পরে তাদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া নিয়ে চিন্তাভাবনা করবে কেন্দ্র।
লোকসভা ভোটের প্রচারে পশ্চিমবঙ্গে গিয়ে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ফেরত পাঠানোর কথা বলেছিলেন নরেন্দ্র মোদী।
পাল্টা জবাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মন্তব্য করেছিলেন মোদীকে কোমরে দড়ি দিয়ে জেলে পাঠানো উচিত। সেই রাজনৈতিক তরজা ভোটের পরেও থামেনি। সংসদেও সম্প্রতি তৃণমূলের তরফে দাবি তোলা হয়েছে, আইন মেনে কাজ হোক, কিন্তু অনুপ্রবেশ নিয়ে যেন রাজনীতি না হয়।’
১৯৭১ সালের পর যেসব বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী ওই রাজ্যে এসে বসবাস করছেন, প্রথমে সেই তালিকা তৈরি করবে আসাম সরকার। এই লক্ষ্যে আসাম সরকার তৈরি করবে একটি জাতীয় নাগরিক রেজিস্টার। এই জাতীয় নাগরিকদের তালিকা করতে মোদি সরকার ২৬০ কোটি রুপি বরাদ্দও করেছে।
আনন্দবাজারের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কর্তাদের হিসেব, নাগরিক পঞ্জি তৈরি করতেই অন্তত ২ বছর সময় লাগবে। রাজ্যের সব বাসিন্দাকে নির্দিষ্ট ফর্ম পূরণ করতে হবে। সেই ফর্মে দেওয়া তথ্য ১৯৭১ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে। এখন যে নাগরিক পঞ্জি রয়েছে, তা ১৯৫১ সালের। এ বার ১৯৭১ সালের ভিত্তিতে নাগরিক পঞ্জি তৈরি হবে। এই প্রকল্পের জন্য ইতিমধ্যেই অসম সরকারকে ২৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। নাগরিক পঞ্জি তৈরির কাজ শুরু করতে রাজ্যের মুখ্যসচিব ও সংশ্লিষ্ট আমলাদের সঙ্গে বৈঠকও করেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈ।’
প্রোব/মুআ/দক্ষিণ এশিয়া ১৩.০৬.১৪

১৩ জুন ২০১৪ | জাতীয় | ১২:৩৩:৫৭ | ২১:১৬:৫১

জাতীয়

 >  Last ›