A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

জঙ্গীমুক্ত ঘোষণার পর করাচি বিমানবন্দরে আবারও বিস্ফোরণ ও গোলাগুলি: নতুন করে সেনা অভিযান শুরু | Probe News

জঙ্গীমুক্ত ঘোষণার পর করাচি বিমানবন্দরে আবারও বিস্ফোরণ ও গোলাগুলি: নতুন করে সেনা অভিযান শুরু

তেহরিক-ই তালেবানের দায় স্বীকার

 

k lead.jpgপ্রোবনিউজ, ডেস্ক: পাকিস্তানের করাচি বিমানবন্দরে হামলা চালিয়ে ১৩জনকে হত্যার পর রোববার মাঝরাতের সেনা অভিযানে ১০ বন্দুকধারীর সবাই নিহত হয়েছেন বলে সেদেশের সেনাসূত্রে খবর প্রকাশিত হলেও সোমবার আবারও বিস্ফোরণ ও গোলাগুলির শব্দ পাওয়া গেছে। এর পরপরই আবার সেনা অভিযান শুরুর ঘোষণা এসেছে সেনাবাহিনীর তরফ থেকে। তবে সোমবারের বিস্ফোরণের উৎস কিংবা কারণ সম্পর্কে এখনও কিছু জানা যায়নি।

তেহরিক-ই-তালেবান, পাকিস্তান ঘটনার দায় স্বীকার করেছে। আফগান সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সেনবাহিনীর পরিচালিত বিমান অভিযানের বদলা নিতেই এই হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে সশস্ত্র ইসলামপন্থী এই সংগঠন।

রোববার গভীর রাতে পাকিস্তানের করাচি বিমানবন্দরে হামলা চালিয়ে ১৪জনকে হত্যার পর সেনা অভিযানে নিহত হয়েছেন ১০ বন্দুকধারীর সবাই। রোববার রাতে ৪ থেকে ১০ জনের একটি দল জিন্নাহ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পুরাতন টার্মিনালে এই হামলা চালায়। নিরাপত্তা সংশ্লিষ্টরা জানান, হামলার সময় বিমানবন্দর ঘিরে এবং যাতায়াতের সকল রাস্তা বন্ধ করে দিয়ে সেনাবাহিনীকে তলব করা হয়। বন্ধ রাখা হয় বিমানবন্দরের সকল কার্যক্রম। সেনা অভিযান শেষে সোমবার সকালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর তরফে জানানো হয়, অভিযান সমাপ্ত হয়েছে এবং সব বন্দুকধারীই অভিযানে প্রাণ হারিয়েছেন।

এদিকে বন্দুকধারীদের হামলায় যে নিরাপত্তা রক্ষীরা মারা গেছেন, তারা বিমানবন্দর নিরাপত্তা বাহিনী (এএসএফ) এর সদস্য ছিলেন বলে জানা গেছে। জিন্নাহ হাসপাতালের একজন ডাক্তার জানান, একজন অজ্ঞাত পরিচয়ের লাশসহ ৫টি মৃতদেহ সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ডন জানিয়েছে, বন্দুকধারীরা ফকার গেট এলাকা দিয়ে বিমানবন্দর এলাকায় প্রবেশ করে। এখন পর্যন্ত আক্রমনের নেতৃত্বদানকারী ব্যক্তি বা সংস্থা চিহ্নিত করা যায়নি।
বিমানবন্দরের এই পুরাতন টার্মিনাল সাধারণত নিয়মিত বিমান চলাচলে আর ব্যবহৃত হয় না, তবে কার্গো চলাচল এবং বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যবহৃত হয়। একজন এএসএফ মূখপাত্র জানান, যেকোনো ভাবেই হোক সন্ত্রাসীরা রানওয়েতে পৌঁছে যায় এবং সেখানে থেকেই নিরাপত্তা রক্ষীদের সাথে বন্দুক যুদ্ধ শুরু হয়।

পাকিস্তান কয়েক দশক ধরে তেহরিক-ই তালেবানসহ সশস্ত্র ইসলামপন্থী বিদ্রোহীদের অন্যান্য গ্রুপ বিভিন্ন সময়েই করাচি বিমানবন্দরকে হামলার লক্ষ্যে পরিণত করেছে। ২০১১ সালে করাচিতে এক নৌঘাঁটিতে এমনভাবেই বন্দুকধারীদের হামলা হয় এবং প্রায় ১৭ ঘণ্টা ধরে চলা সে সংঘর্ষে ১০ জন নিহতসহ দু’টি এয়ারক্রাফট ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।

প্রোব/বান/আন্তর্জাতিক

 

৯ জুন ২০১৪ | আন্তর্জাতিক | ১০:১৭:৫৮ | ২০:১৬:০৩

আন্তর্জাতিক

 >  Last ›