A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

মোদির বিদেশনীতিতে অগ্রাধিকার পাচ্ছে ঢাকা | Probe News

আনন্দবাজারের প্রতিবেদন
মোদির বিদেশনীতিতে অগ্রাধিকার পাচ্ছে ঢাকা

A report.jpg

প্রোবনিউজ, ডেস্ক: ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর নরেন্দ্র মোদির বিদেশ সফর নিয়ে নানা গুঞ্জন উঠেছিলো। সেই গুঞ্জনের শুরুতে বাংলাদেশের নাম শোনা গেলেও মোদি সফর শুরু করছেন ভুটান দিয়ে। এরপর ক্রমান্বয়ে জাপান, ব্রাজিল ও যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাবেন তিনি।
তবে প্রতিবেশী দেশ আর বিদেশনীতির অংশ হিসেবে বাংলাদেশের কথাও মাথায় রেখেছে ভারত। এরই ধারাবাহিকতায় চলতি মাসেই বাংলাদেশে আসবেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। শনিবার এমন তথ্যই উঠে এসেছে কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদনে।

আনন্দবাজার বলছে, ‘নরেন্দ্র মোদীর বিদেশনীতিতে আরও একটি চমকপ্রদ পদক্ষেপ। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রের খবর, চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজকে দু’দিনের সফরে ঢাকা পাঠাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। শেষ মুহূর্তে কোনও পরিবর্তন না হলে, দায়িত্ব পাওয়ার পর এটাই হবে সুষমার প্রথম একক বিদেশ সফর। সুষমার হাত দিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত সফরের আমন্ত্রণপত্রও পাঠাবেন নরেন্দ্র মোদী।’

এর আগে শপথ অনুষ্ঠানের সময়েই সার্কের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মোদি। সেখানে বাংলাদেশের পক্ষে স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরীর সঙ্গেও মোদির আলোচনা হয়েছে। প্রাধান্য পেয়েছে তিস্তা ও স্থলসীমান্ত চুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোও। আর এসব নিয়েই আলোচনা করতে ঢাকা আসছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ।

এদিকে আনন্দবাজার লিখেছে, ‘তবে চুক্তি দু’টির দিন ক্ষণ নির্ধারণ করে আসা সুষমার সফরের উদ্দেশ্য নয় বলেই বিদেশ মন্ত্রকের সূত্র জানাচ্ছেন। কিন্তু এই বিষয়গুলি নিয়ে যে নতুন সরকার আন্তরিক, সে কথাই বিদেশমন্ত্রী স্পষ্ট করবেন তাঁর ঢাকা সফরে। মূলত পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপত্তিতে প্রতিশ্রুতি দেওয়া সত্ত্বেও তিস্তা চুক্তি করতে পারেননি মনমোহন সিংহ। মুখ্যমন্ত্রীর যুক্তি ছিল, প্রস্তাবিত চুক্তি অনুযায়ী জলবণ্টন হলে রাজ্য ক্ষতিগ্রস্থ হবে। মমতার আপত্তি সম্পূর্ণ অগ্রাহ্য করে এগোবেন কি না, সেটাও ভেবে দেখতে হবে নরেন্দ্র মোদীকে।’

অন্যদিকে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সৈয়দ আকবরউদ্দিন জানিয়েছেন, ‘বিদেশনীতিতে প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলিকে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী জুন মাসে তাঁর প্রথম সফরে ভুটানে যাচ্ছেন। তারপর বিদেশমন্ত্রী যাবেন প্রতিবেশী আর একটি রাষ্ট্রে।’

আনন্দবাজার আরো লিখেছে, ‘স্থল-সীমান্ত চুক্তিতে নীতিগত ভাবে রাজি ছিলেন লালকৃষ্ণ আডবাণী এবং অরুণ জেটলির মতো বিজেপি নেতারা। কিন্তু দলের অসম এবং পশ্চিমবঙ্গ শাখার আপত্তিতে চুক্তিটি আটকে যায়। ওই চুক্তির জন্য সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন ছিল। বিজেপি বেঁকে বসায় এর জন্য প্রয়োজনীয় দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা জোগাড় করে উঠতে পারেনি মনমোহন সরকার। সুষমার ঢাকা সফরের পর রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গেও এবার বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় বসবেন মোদী।’


আনন্দবাজার পত্রিকা আরো বলছে, ‘নতুন সিদ্ধান্ত থেকে পরিষ্কার, বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ককে অগ্রাধিকার দিচ্ছে মোদীর বিদেশনীতি। প্রাক্তন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা শিবশঙ্কর মেননের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠকে সম্প্রতি বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত হয়েছেন মোদী। বাংলাদেশের মাটিতে জঙ্গি সংগঠন, আইএসআই এবং জামাতে ইসলামির ভারত-বিরোধী রাজনীতির স্বরূপটি ঠিক কী, সেটাও বুঝে নিতে চেয়েছেন। মোদী বিদেশ মন্ত্রকের সংশ্লিষ্ট অফিসারদের সঙ্গে আলোচনায় জানিয়েছেন, ঢাকার মাটি মৌলবাদী শক্তির হাতে চলে গেলে ভারতেরই নিরাপত্তা বিঘিœত হবে। ভারত-বিরোধী জঙ্গি সংগঠনগুলির দমনে গত পাঁচ বছরে ঢাকা যে সদর্থক ভূমিকা নিয়েছে, হাসিনার সঙ্গে টেলিফোন-আলাপে মোদী তার প্রশংসা করেন। ভবিষ্যতে যাতে এই ভূমিকা অক্ষুন্ন থাকে, তিনি সেই অনুরোধও করেন হাসিনাকে।’

প্রোব/মুআ/দক্ষিণ এশিয়া ০৭.০৬.১৪

 

৭ জুন ২০১৪ | দক্ষিণ এশিয়া | ১২:১৪:৪৯ | ২০:১৯:৩৬

দক্ষিণ এশিয়া

 >  Last ›