A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

ভারতের ১৬তম লোকসভায় ধনী আর ফৌজদারি আসামিদের নিরঙ্কুশ আধিপত্য | Probe News

ভারতের ১৬তম লোকসভায় ধনী আর ফৌজদারি আসামিদের নিরঙ্কুশ আধিপত্য


India Loksabha.jpgপ্রোবনিউজ, ডেস্ক: ভারতের ১৬তম লোকসভার নির্বাচিত সদস্যদের মধ্যে ৮২ শতাংশই কোটিপতি। স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির বিবেচনায় এবারের লোকসভাই এ যাবৎকালের মধ্যে সবচেয়ে ধনী। একইসঙ্গে হবু সংসদ সদস্যদের এক-তৃতীয়াংশই বিভিন্ন ফৌজদারি মামলার আসামি। ‘দাগি’ সংসদ সদস্যের সংখ্যার দিক থেকেও এবারের লোকসভা রেকর্ড গড়তে চলেছে। নির্বাচনের সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা নির্বাচন কমিশনে যে হলফনামা জমা দিয়েছেন, তাতেই উঠে এসেছে এ সব তথ্য।
কেবল ভারতে নয়, বিশ্বজুড়েই সংসদীয় গণতন্ত্রে যারা নির্বাচিত হন, খুব ব্যতিক্রম বাদ দিলে তারা সবাই কমবেশি ধনী হয়ে থাকেন। প্রতিনিধিত্বমূলক সংসদীয় গণতন্ত্রের এই সঙ্কট বহুলভাবে আলোচিত হচ্ছে সমাজ ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানের আলোচনায়। ভারতের পার্লামেন্টও এর ব্যতিক্রম হবে না, সেটাই স্বাভাবিক। তবে মোদির পক্ষে কর্পোরেট পুঁজির প্রচারণা আর একটি ব্যবসাবান্ধব সরকারের প্রতি কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর আগ্রহ আমাদের সামনে তথ্য আকারে হাজির করেছে এই বাস্তবতা যে, লোকসভায় ক্রমান্বয়ে গরীবদের প্রতিনিধিত্ব কমছে। এডিআর-এর বিশ্লেষণ অনুযায়ী- এবার বিজয়ী এমপিদের মধ্যে ৮৬ শতাংশই কোটিপতি। ২০০৯ সালে কোটিপতি ছিল ৫৮ শতাংশ আর এরআগে ২০০৪ সালে ছিলো ৩০ শতাংশ।
হলফনামার তথ্য-পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্র্যাটিক রিফর্মস (এডিআর) জানিয়েছে, ষোড়শ লোকসভার সবচেয়ে ধনী সংসদ সদস্য হলেন চন্দ্রবাবু নাইডুর দল টিডিপি’র জয়দেব গাল্লা। সদ্য নির্বাচিত গুন্টরের এই সংসদ সদস্যের সম্পত্তির অর্থমূল্য ৬৮৩ কোটি টাকা। সবচেয়ে দরিদ্র সংসদ সদস্য পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূলের উমা সোরেন। সবচেয়ে ধনী হলেন টিডিপি, টিআরএস এবং ওয়াইএসআরসিপি’র এমপিরা। কংগ্রেস সংসদ সদস্যদের গড় সম্পত্তির আর্থিক মূল্য ১৬ কোটি টাকা। বিজেপি এমপিদের সম্পত্তির গড় ১১ কোটি টাকা। এদিক থেকে সিপিএম এমপিরা অনেকটাই দরিদ্র। তাদের গড় সম্পত্তির অর্থমূল্য মাত্র ৭৯ লক্ষ টাকা।
রিপোর্টে বলা হয়েছে, সংসদ সদস্য হিসেবে যারা শপথ নিতে যাচ্ছেন তাদের ৩৪ শতাংশ অর্থাৎ এক-তৃতীয়াংশই ফৌজদারি মামলার আসামি। ২০০৯ সালে ‘দাগি’ আসামির সংখ্যা ছিল ৩০ শতাংশ। ২০০৪ সালে ছিল ২৪ শতাংশ। এডিআর বলেছে, এবার ৫৪১ জন বিজয়ী প্রার্থী যারা সংসদে যাবেন, তাদের মধ্যে ১৮৬ জনের বিরুদ্ধেই চলছে ফৌজদারি মামলা। ‘দাগি’ এমপিদের তালিকায় সবচেয়ে এগিয়ে বিজেপি। তাদের ৩৫ শতাংশ এমপিই ফৌজদারি মামলার আসামি।

রাষ্ট্রীয় জনতা দলের (আরজেডি) চার এমপির সবার বিরুদ্ধেই মামলা ঝুলছে। শিবসেনার ১৮ সংসদ সদস্যের মধ্যে ১৪ জনই দাগি। এনসিপি-র পাঁচজনের মধ্যে চারজনই ফৌজদারি মামলায় জড়িত। এআইডিএমকের ৩৭ জন বিজয়ী সংসদ সদস্যেদের মধ্যে ৬ জন জেল খেটেছেন। তৃণমূলের ৩৪ এমপির মধ্যে ৭ জনের বিরুদ্ধে ক্রিমিনাল কেস রয়েছে।

প্রোব/বান/দক্ষিণ এশিয়া

১৯ মে ২০১৪ | দক্ষিণ এশিয়া | ১২:৩৫:২৩ | ১৫:৫০:৩০

দক্ষিণ এশিয়া

 >  Last ›