A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

বোরো মৌসুমেও চালের দাম বৃদ্ধি | Probe News

বোরো মৌসুমেও চালের দাম বৃদ্ধি
তেল, ডালসহ দাম বেড়েছে অন্যান্য পণ্যের


bazar.jpgপ্রোবনিউজ, ঢাকা: বোরোর ভরা মৌসুমেও চালের দাম কেজিতে বেড়েছে এক টাকা থেকে দেড় টাকা। একই সঙ্গে বেড়েছে তেল, ডাল, আলু এবং পেঁয়াজের দাম। রাজধানীর পাইকারি ও খুচরা বাজারের বিক্রেতাদের দেয়া তথ্যে এমনটি উঠে এসেছে।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এক সপ্তাহ আগে বাজারে নতুন চাল আসায় দাম কিছুটা কমেলেও আবার বাড়তে শুরু করেছে। গত সপ্তাহে মিনিকেট চাল কেজি প্রতি ৪৪ টাকা দরে বিক্রি হলেও চলতি সপ্তাহে কেজিতে এক টাকা বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা দামে। বিআর-২৮ চালও কেজি প্রতি এক টাকা বৃদ্ধি পেয়ে বিক্রি হচ্ছে ৩৬ টাকা দরে।
চালের দাম বাড়ার কারণ জানতে চাইলে কারওয়ান বাজারের চাল ব্যবসায়ী শরিয়তপুর রাইস এজেন্সির সত্ত্বাধিকারি মো. মাজাহারুল ইসলাম জানান, পরিবহন ভাড়া বৃদ্ধির কারণে বস্তা প্রতি ৫০ টাকা বেড়েছে।
গত দুই সপ্তাহ ধরে আলুর ও পেয়াজের দাম রয়েছে উর্ধ্বমুখী। কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা যায় প্রতি পাল্লা (৫ কেজি) আলু পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ৭৫ থেকে ৮০ টাকা। আর প্রতি কেজি আলু খুচরা বাজারে বিক্রি ২০ টাকায়। প্রতি পাল্লা পেয়াজের দাম পাইকারি ১৫০ টাকা। আর খুচরা বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকায়।
এ বিষয়ে কারওয়ান বাজারের পাইকারি বিক্রেতা মো. মোস্তফা জানান, বর্তমানে আলু বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে। এছাড়া মজুদাররা আলু মজুদ করছে এ কারণে আলুর দাম বাড়ছে। একই বাজারের অপর বিক্রেতা মো. মজনু জানান, গতবছর পেয়াজের দাম ১০০ টাকার উপরে হওয়ায় বেশি দামের আশায় পেয়াজ মজুদ করে রাখছে। সরবরাহ কম হওযায় দাম বাড়ছে। তবে রোজার মাসে দাম আরো বাড়ার আশঙ্কা করেছেন ব্যবসায়ীরা।
অন্যদিকে ১৫ দিনের ব্যবধানে কেজিতে ১৪ টাকা বেড়েছে ভোজ্যতেলের দাম। খুচরা ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, মিল মালিকরা সরবরাহ কমিয়ে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে ফায়দা লুটার চেষ্টা করছে। একাধিক বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দুই সপ্তাহ আগে যে তেল ৮৪টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ১০০টাকা কেজি দামে।
শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি মিনিকেট পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ৪৩ থেকে ৪৪ টাকা দামে, খুচরা ৪৫ থেকে ৪৬ টাকা, পারিজা ৩৭ টাকা, খুচরা ৩৮ টাকা, গুটি স্বর্না পাইকারি ৩২ থেকে ৩৩ টাকা, খুচরা ৩৪ থেকে ৩৫ টাকা, লতা পাইকারি ৩৪ টাকা খুচরা ৩৫ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।
এদিকে চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে সবজি। ৩০ টাকার নিচে কোন সবজি বিক্রি হচ্ছে না। প্রতি কেজি চিচিংঙ্গা ৩০ টাকা, বরবটি ৪০ টাকা, শশা ৪০ টাকা, ঝিংঙ্গা ৪০ টাকা, কাকরোল ৬০ টাকা ঢেড়শ ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, বেগুন ৩০ টাকা, পটল ৩৫ টাকা, করল্লা ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, টমেটো মান ভেদে ৫০ থেকে ৬০ টাকা,গাজর ৫০ থেকে ৬০ টাকা, পেঁপেঁ ৪০ টাকা, মাঝারি সাইজের লাউ ৩০ টাকায় রবিক্রি করতে দেখা গেছে।
এদিকে প্রতি কেজি আদা ২৪০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। দুই সপ্তাহ আগেও আদা বিক্রি হয়েছে ১৯০ থেকে ২২০ টাকায়। রমজানের আগে আরো বাড়ার আশঙ্কা ব্যসায়ীদের।
প্রতি হালি ডিমে ৩ থেকে ৪ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়, প্রতি কেজি দেশি রসুন ৬০ টাকা, ভারতীয় ৮০ টাকা, শুকনা মরিচ ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা, মশুর ডাল ১১০ টাকা, বড় দানার মশুর ডাল ৮০ টাকা, মটর ডাল ৯০ টাকা, ছোলা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, চিনি ৪২ টাকা, আটা (২ কেজি) প্যাকেট ৭০ টাকা, ময়দা(২ কেজি) প্যাকেট ৮০ টাকা, সরিসার তেল প্রতি লিটার ৭৮০ টাকা, সয়াবিন তীরের ৫ লিটারের ক্যান ৫৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এলাচ ১৫শ’ টাকা, দারচিনি ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা, জিরা ৪শ’ টাকা, লবঙ্গ ১৬শ’ টাকা, গোল মরিচ এক হাজার টাকা, কিসমিস ৫৮০ থেকে ৫০০ টাকয় বিক্রি করতে দেখা গেছে।
মাছ : এক কেজি ওজনের রুই মাছ ২২০ থেকে ২৪০ টাকা, কাতল মাছ ৩২০ টাকা, ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রতি কেজি এক হাজার টাকা, এক কেজি ওজনের ইলিশ ১২শ’ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মাংস: প্রতি কেজি গরুর মাংস ৩শ’ টাকা, খাসির মাংস ৪৫০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি কেজি ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা, দেশি মোরগের দাম ৩২০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।
প্রোব/আরএম/অর্থনীতি/ ১৬.৫.২০১৪

১৬ মে ২০১৪ | অর্থনীতি | ১৭:৪৩:৩৮ | ১১:১৫:২৪

অর্থনীতি

 >  Last ›