A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

‘ক্ষেপণাস্ত্রের গণউৎপাদন চালিয়ে যাচ্ছে ইরান’: আগামী বছরের মধ্যেই নিজস্ব প্রযুক্তিতে হেলিকপ্টার ও বিমান নির্মাণের ঘোষণা | Probe News

‘ক্ষেপণাস্ত্রের গণউৎপাদন চালিয়ে যাচ্ছে ইরান’: আগামী বছরের মধ্যেই নিজস্ব প্রযুক্তিতে হেলিকপ্টার ও বিমান নির্মাণের ঘোষণা

 

Irantr.jpgপ্রোবনিউজ, ডেস্ক: ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য বিভিন্ন পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের গণ উৎপাদন শুরু করেছে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান । ইসলামি রেভ্যুলুশনারি গার্ড বাহিনী- আইআরজিসির অ্যারোস্পেস বিভাগের প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমিরআলী হাজিযাদেহ এ কথা জানিয়েছেন। এদিকে আগামী ফার্সি বছরের শেষ নাগাদ অর্থাৎ ২০১৬ সালের ১৯ মার্চের মধ্যে নতুন প্রজন্মের একটি যাত্রীবাহী ছোট বিমান এবং দু’টো হেলিকপ্টার নির্মাণের কাজ শেষ করার ঘোষণা এসেছে তেহরানের তরফ থেকে। ইরানি সংবাদমাধ্যম তেহরান রেডিও খবরটি নিশ্চিত করেছে।

ইরানের ২ নম্বর টেলিভিশন চ্যানেলকে দেয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে আমিরআলী হাজিযাদেহ বলেন, সম্প্রতি হরমুজ-১ ও হরমুজ-২ নামের যে দু’টি নতুন ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করা হয়েছে সেগুলো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। হরমুজ-১ রাডারকে ফাঁকি দিতে সক্ষম একটি ক্ষেপণাস্ত্র। এটি যুদ্ধজাহাজে স্থাপিত রাডারব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেয়া পাশাপাশি ভূমিতে স্থাপিত প্যাট্রিয়ট ব্যবস্থা কিংবা অনুসন্ধানের কাজে নিযুক্ত রাডার ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিতে সক্ষম। আর খোরদাদ-৩ নামের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইলেকট্রনিক স্ক্যান করার ক্ষমতাসম্পন্ন এই ব্যবস্থা রাশিয়ার এস৩০০ ও এম২ই ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে সক্ষম। এই ব্যবস্থা একসঙ্গে চারটি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। খোরদাদ-৩ ব্যবস্থা থেকে একসঙ্গে আটটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয় যেগুলো চারটি লক্ষ্যবস্তুকে ধ্বংস করে।

এদিকে ইরানের বিমান শিল্প সংস্থা (আইএআইও)’র নির্বাহী পরিচালক মানুচেহের মানতাকি ঘোষণা দিয়েছেন, আগামী ফার্সি বছরের শেষ নাগাদ অর্থাৎ ২০১৬ সালের ১৯ মার্চের মধ্যে নতুন প্রজন্মের একটি যাত্রীবাহী ছোট বিমান এবং দু’টো হেলিকপ্টার নির্মাণের কাজ শেষ করবে। তিনি জানান, ইরান আট এবং ১৪ আসনের হেলিকপ্টারের নকশা তৈরি করেছে। এই দুই হেলিকপ্টারের পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন চলতি ফার্সি বছরেই শুরু করা হবে উল্লেখ করে তিনি জানান, আগামী ফার্সি বছরে এ দুই হেলিকপ্টারের নির্মাণ কাজ শেষ হবে। এ ছাড়া, নতুন প্রজন্মের ইরান-১৪১ নামের যাত্রীবাহী ছোট বিমান আগামী ফার্সি বছরের মধ্যেই তৈরি হয়ে যাবে বলেও জানান তিনি। মানতাকি আরো জানান, ১৫০ জন যাত্রী বহনে সক্ষম দুই ইঞ্জিনের টার্বোজেট বিমান তৈরিরও কাজ করছে ইরান। এ বিমান তৈরিতে পাঁচ বছর সময় লাগবে বলে জানান তিনি।

এ প্রকল্পে ইরানের সেনাবাহিনীর বিমান শিল্প সংস্থা, বিমান নির্মাণ কোম্পানি (এইচইএসএ), শরিফ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, আমিরকাবির প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ইরান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইস্পাহান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় একযোগে কাজ করছে।

প্রোব/বান/আন্তর্জাতিক ১৩.০৫.২০১৪

১৩ মে ২০১৪ | আন্তর্জাতিক | ১৪:০৮:২৩ | ১১:৫৯:৩১

আন্তর্জাতিক

 >  Last ›