A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

নরেন্দ্র মোদি আগামি প্রধানমন্ত্রী: একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে সরকার গঠন করবে এনডিএ! | Probe News

বুথফেরত জরিপের ফলাফল

নরেন্দ্র মোদি আগামি প্রধানমন্ত্রী: একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে সরকার গঠন করবে এনডিএ!

 

lok.JPG
প্রোবনিউজ, ডেস্ক: ভারতের লোকসভা নির্বাচন শেষে জল্পনা-কল্পনা এবার ফলাফল নিয়ে। কে হচ্ছেন বিশ্বের সর্ববৃহৎ গণতান্ত্রিক দেশের আগামি প্রধানমন্ত্রী? কারা গঠন করছে আগামি সরকার? বুথ ফেরত প্রায় সমস্ত জরিপ বলছে, বিজেপি
নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটই বসতে যাচ্ছে ক্ষমতায়। আর সঙ্গত কারণেই গুজরাট দাঙ্গার রক্তের ছোপ লেগে আছে যার হাতে; সেই নরেন্দ্র মোদি হতে যাচ্ছেন ভারতের আগামি প্রধানমন্ত্রী।

bjp_Modi.jpgভোট শেষে ভারতের গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর ভোটিং অপিনিয়ন অ্যান্ড ট্রেন্ডস ইন ইলেকশন রিসার্চ (সি-ভোটার) তাদের বুথ ফেরত জরিপে বলেছে, বিজেপি নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (এনডিএ) লোকসভায় ২৮৯টি আসন পেতে চলেছে। অন্যদিকে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ জোট পাচ্ছে ১০১টি আসন, যা হবে তাদের সর্বকালের সবচেয়ে খারাপ ফল। সি-ভোটার বলেছে, লোকসভার ৫৪৩টি নির্বাচনী আসন থেকে দৈবচয়নের ভিত্তিতে এক লাখ ৬৬ হাজার ৯০১ জনের মতামত নিয়ে তারা এ জরিপ করেছেন।
এদিকে সিসেরোর আরেকটি বুথ ফেরত জরিপে বলা হয়েছে, এনডিএ জোট ২৬১ থেকে ২৮৩টি আসন পেতে চলেছে, যেখানে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য তাদেরpoll box.png প্রয়োজন ২৭২ আসন। আর এবিপি আনন্দ-এর বুথ-ফেরত সমীক্ষায় জানিয়ে দেয়, নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে চলেছে এনডিএ। যার অর্থ কেন্দ্রে সরকার গড়তে কোনও নতুন শরিক খুঁজতে হবে না বিজেপির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী নরেন্দ্র মোদীকে। ওই সমীক্ষা বলছে, এনডিএ পেতে পারে ২৮১টি আসন। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় ২৭২টি আসনের থেকে যা ৯টি বেশি। সমীক্ষা অনুযায়ী এনডিএ-র এক-তৃতীয়াংশ, অর্থাৎ মাত্র ৯৭টি আসন পেতে পারে ইউপিএ। দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে ঝড় তোলা আপ পেতে পারে ৪টি, তার মধ্যে দু’টি দিল্লিতেই।
শুধু এবিপি আনন্দ নয়, আজ প্রায় সব ক’টি সমীক্ষাই মোটামুটি এ রকমই মোদী-ঝড়ের ইঙ্গিত দিয়েছে। সম্প্রতি চার রাজ্যের বিধানসভা ভোটে যে পেশাদার সংস্থা প্রকৃত ফলাফলের সঙ্গে তাদের সমীক্ষা প্রায় হুবহু মিলিয়ে দিতে পেরেছিল, সেই ‘চাণক্য’ দাবি করেছে, এনডিএ তো বটেই, একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করতে চলেছে বিজেপি-ও। মোদীকে কান্ডারি করে বিজেপিই পেতে পারে ২৯১টি আসন। এনডিএ পৌঁছতে পারে ৩৪০-এ।
তবে ভারতে নির্বাচনী বুথ ফেরত জরিপের ফল বিফল হওয়ারও নজির রয়েছে। ২০০৪ ও ২০০৯ সালের নির্বাচনে বেশ কয়েকটি বুথ ফেরত জরিপে বিজেপির বেশি আসন লাভের পূর্বাভাস দেয়া হলেও শেষ পর্যন্ত ছোট দলকে সঙ্গে নিয়ে কোয়ালিশন সরকার গঠন করে কংগ্রেস। এছাড়াও এবারের বিভিন্ন সমীক্ষায় সামগ্রিক ছবি প্রায় এক ধরনের হলেও রাজ্যওয়াড়ি ফলের ক্ষেত্রে আশ্চর্য কিছু thg0.jpgমতভেদ রয়ে গিয়েছে। যেমন, এবিপি আনন্দের সমীক্ষা জানাচ্ছে, তেলঙ্গানার রাশ থাকবে কংগ্রেসের হাতে। কিন্তু টাইমস নাও এবং সিএনএন-আইবিএনের মতে, কংগ্রেসের তুলনায় ভাল ফল করবে তেলঙ্গানা রাষ্ট্র সমিতি। এবিপি আনন্দের মতে বিহারে ১০টি আসন পেতে পারে লালুপ্রসাদের রাষ্ট্রীয় জনতা দল। কিন্তু টাইমস নাও-এর দাবি, বিহারে একটিও আসন পাবেন না লালু। মহারাষ্ট্র, পঞ্জাব, অসম, দিল্লি, কর্নাটক নিয়েও বিভিন্ন বুথফেরত সমীক্ষার হিসাবে ফারাক রয়েছে। আরও মজার, ক’দিন আগে যে মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থানে বিরোধীদের কার্যত উড়িয়ে দিয়েছে বিজেপি, সেখানে কংগ্রেসকে ভরপুর লড়াইয়ে রেখেছে টাইমস নাও।
তবে মোটামুটি ভাবে উত্তরপ্রদেশ ও বিহারে বিজেপি-র বিপুল সাফল্যের সম্ভাবনা নিয়ে সকলেই একমত। তা ছাড়া শেষ মুহূর্তে চন্দ্রবাবু নায়ডুর সঙ্গে বিজেপি-র জোট যে অন্ধ্রে তাদের জন্য সোনা ফলাতে চলেছে, সে বিষয়েও মতৈক্য রয়েছে। সামগ্রিক ভাবে এবিপি আনন্দের মতে, যে সব রাজ্যে সরাসরি কংগ্রেসের সঙ্গে লড়াই হয়েছে বিজেপির, সেখানে মোদী-বাহিনীর ভাল ফলের আশা রয়েছে। মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, ছত্তিশগঢ়, গুজরাটে কংগ্রেস কার্যত ধরাশায়ী হবে, দাবি তাদের। কিন্তু তাদের এ-ও বক্তব্য, উত্তরপ্রদেশ ও বিহার ছাড়া যেখানে যেখানে মূলত আঞ্চলিক শক্তির সঙ্গে মোকাবিলা করতে হয়েছে বিজেপি-কে, সেখানে মোদী-ম্যাজিক বিশেষ কাজ না-করারই সম্ভাবনা। যার প্রধান দুই উদাহরণ ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গ। বুথফেরত সমীক্ষা বলছে, এই দুই রাজ্যে বিজেপি ভোট-শতাংশ বাড়াতে সফল হলেও আসন পাওয়ার সম্ভাবনা বিশেষ নেই।
প্রোব/বান/দক্ষিণ এশিয়া ১৩.০৫.২০১৪

১৩ মে ২০১৪ | দক্ষিণ এশিয়া | ১১:৩৯:২৬ | ১৩:২৫:১২

দক্ষিণ এশিয়া

 >  Last ›