A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

রেকর্ড সংখ্যক ভোটার উপস্থিতির মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত পর্যায়ে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষে চারজন গুলিবিদ্ধ, এক জওয়ান ছুরিকাহত | Probe News

লোকসভা নির্বাচন
চূড়ান্ত পর্যায়ে রেকর্ড সংখ্যক ভোটার উপস্থিতি

বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষে চারজন গুলিবিদ্ধ, এক জওয়ান ছুরিকাহত


India Election up.jpgপ্রোবনিউজ, ডেস্ক: রেকর্ডসংখ্যক ভোটারের স্বতঃস্ফুর্ত অংশগ্রহণ আর প্রার্থীদের পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হল ভারতের ১৬ তম লোকসভা নির্বাচনের চূড়ান্ত পর্যায়ের ভোটগ্রহণ।স্থানীয় সময় সকাল সাতটা থেকে শুরু হয়ে ভোটগ্রহণ চলে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত। এ পর্যায়ে ভোট হয় পশ্চিমবঙ্গে, বিহার ও উত্তর প্রদেশের ৪১ টি আসনে।
লোকসভা নির্বাচনের শেষ দিনে ভোটারদের উপস্থিতি ছাড়িয়ে গেছে আগের রেকর্ডগুলোকে।১৯৮৪-৮৫ সালের পার্লামেন্ট নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ৬৪ শতাংশ ভোট পড়লেও এবারের নির্বাচনে তা ছাড়িয়ে ৬৫ শতাংশ হতে পারে বলে আগেই ধারণা করছিলেন নির্বাচন বিষয়ক সংগঠন সিএসডিএস পরিচালক সঞ্জয় কুমার।আর সন্ধ্যা ছয়টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর এদিন ৬৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ ভোট পড়েছে উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশন জানায় এটিই এ যাবতকালের সর্বোচ্চ সংখ্যক ভোটার উপস্থিতি।
২০০৯ সালে পশ্চিমবঙ্গে সর্বোচ্চ ৮১ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করলেও সোমবার ভোটগ্রহণ শুরুর প্রথম তিন ঘন্টার মধ্যেই রাজ্যের ১৭ টি আসনে ভোট পড়েছে ৬৭ শতাংশ। আর দুপুর তিনটা নাগাদ আগের নির্বাচনের ভোটার অংশগ্রহণের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে বিহার এবং উত্তর প্রদেশও।
ব্যতিক্রম হয়নি দুই আলোচিত প্রার্থী বিজেপি নেতা নরেন্দ্র মোদি এবং আম আদমি পার্টি নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়ালের নির্বাচনী আসন বারানসিতেও।এদিন ঘাম ঝরানো খরতাপের মধ্যেও ছিল ভোটারদের ব্যাপক অংশগ্রহণ।দুপুর তিনটা নাগাদ এখানে ভোট পড়েছে ৪৪ শতাংশ যা গতবারের নির্বাচনে ৪২ শতাংশ ছিল।
তবে বিপুল সংখ্যক ভোটারের উপস্থিতি দেখে বিজেপির খুশি হওয়ার কারণ নেই বলে মত দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।কানাডার কার্লেটন ইউনিভার্সিটির অর্থনীতির অধ্যাপক বিবেক দেহিজিয়া বলেন, ভোটারদের ব্যাপক অংশগ্রহণকে আপাত দৃষ্টিতে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ক্ষোভ এবং নতুন করে নিজেদের প্রতিনিধি বাছাইয়ের অংশ বলে মনে হলেও তা যে বিজেপির পক্ষে যাবে তা নয়। কোন ভোট কংগ্রেসের হাতছাড়া হওয়ার মানে এ নয় যে তা বিজেপির।
এদিকে সোমবার ভোটগ্রহণ শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যে দলীয় প্রতীক সম্বলিত পোশাক পরে ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করায় নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গের অভিযোগ ওঠে কংগ্রেস প্রার্থী অজয় রায়ের বিরুদ্ধে। বারানসি আসনে বিজেপি নেতা নরেন্দ্র মোদি এবং আম আদমি পার্টি নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আরেক প্রতিদ্বন্দ্বি অজয়। পরে নির্বাচন কমিশনে বিজেপি এবং আম আদমির অভিযোগের প্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন দায়ের করা হয়।
এদিকে অজয়ের বিরুদ্ধে দলের অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন খোদ আরেক বিজেপি নেতা মুরলি মনোহর।বিজেপির পক্ষ থেকে অজয়ের বিরুদ্ধে কঠিন ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানালেও এটাকে ছোটখাটো ইস্যু হিসেবেই দেখছেন মনোহর। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কংগ্রেসের দলীয় প্রতীক হাত। কেউ তো আর চাইলেই তা কেটে রেখে আসতে পারবে না।
আর ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করে টুইটারে সাত মিনিটের একটি ভিডিও বক্তব্য দেয়ায় আবারও কংগ্রেসের তোপের মুখে পড়েছেন মোদি।একে নির্বাচনী বিধির লঙ্ঘন উল্লেখ করে বিষয়টিকে আমলে নিতে নির্বাচন কমিশনে আবেদন জানিয়েছে দলটি।
এদিকে পশ্চিমবঙ্গে শনিবার থেকে সংঘর্ষের আবহ থাকায় সোমবার রাজ্যে শেষ দফার ভোটগ্রহণেও ছিল সে আশঙ্কা। সেই আশঙ্কাকে সত্যি করে সকাল থেকেই ছিল অভিযোগের বন্যা। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অভিযোগ উঠেছে ক্ষমতাসীন দলের বিরুদ্ধে।
রাজ্যের হাড়োয়ায় ব্রাহ্মণচক গ্রাম পঞ্চায়েতের ৬১, ৬২ ও ৬৩ নম্বর বুথে ভোট দিতে যাওয়ার পথে মারধরের শিকার হন সিপিএম সদস্যরা।এই ঘটনায় ৪ জন গুলিতে আহত হয়েছেন। মারধরের কারণে গুরুতর জখম হয়েছেন ২০-২২ জন। আহতদের হাড়োয়া ব্লক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে ৭ জন গুরুতর আহতকে কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়েছে। এই ঘটনায় ১২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
আর ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ উঠেছে বারাসতের বিজেপি প্রার্থী পি সি সরকারের বিরুদ্ধে। প্রার্থী হিসেবে তিনি সল্টলেকের বিভিন্ন ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে ঘুরছিলেন। বেলা একটা নাগাদ পূর্বাচলের সেন্ট ফ্রান্সিস জেভিয়ার্স স্কুলে পৌছালে বিধাননগর পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর মিনু চক্রবর্তী তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, দলীয় কর্মী-সমর্থক এবং সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে বিজেপি প্রার্থী বুথের ভিতর ঢুকে ভোটারদের প্রভাবিত করছিলেন। পি সি সরকারের বিরুদ্ধে একই অভিযোগ তোলেন বিধাননগর পুরসভার চেয়ারপার্সন কৃষ্ণা চক্রবর্তীও। নির্বাচন কমিশনের কাছে এ বিষয়ে অভিযোগও জমা পড়েছে বলে জানিয়েছে কমিশন।
রামনগরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা পরিচয়পত্র দেখে ভোটার ছাড়া বাকিদের বুথ চত্বর থেকে সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করলে ভোটারের চপারের কোপে গুরুতর জখম হন কেন্দ্রীয় বাহিনীর এক জওয়ান।
প্রোব/ফাউ/দক্ষিণ এশিয়া/১২.০৫.২০১৪

১২ মে ২০১৪ | দক্ষিণ এশিয়া | ১৯:৫৪:৪৮ | ১১:৪২:৫৯

দক্ষিণ এশিয়া

 >  Last ›