A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

উপজেলা নির্বাচনের স্বাদ ভোগ করতে পারছে না জামায়াত | Probe News

উপজেলার স্বাদ ভোগ করতে পারছে না জামায়াত

কারাগারে ১৪ চেয়ারম্যান, ১৫ ভাইস-চেয়ারম্যান

jamaat upozila finale.jpgবেলায়েত হোসাইন, প্রোবনিউজ: চতুর্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ফলাফলে ব্যাপক চমক দেখালেও তার স্বাদ ভোগ করতে পারছে না জামায়াতে ইসলামী। দলটির সমর্থন নিয়ে বিজয়ী হওয়ার পরও অনেককেই কারাভোগ করতে হচ্ছে। বাকিরাও ভুগছেন গ্রেফতার আতঙ্কে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জামায়াত সমর্থিত বিজয়ীদের মধ্যে বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন ১৪জন উপজেলা চেয়ারম্যান ও ১৫জন ভাইস চেয়ারম্যান। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, জনপ্রতিনিধিদের গ্রেফতার কোনভাবেই গণতান্ত্রিক নয়। এটা অনেকটা রাজনৈতিক দপন নিপীড়নের পর্যায়ে পড়ে।

চতুর্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জামায়াত সমর্থিত চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয় ৩৬জন, ভাইস চেয়ারম্যান ১১৮জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ৩৪জন।

চেয়ারম্যান পদে বিজয়ীদের মধ্যে চট্ট্রগ্রাম সাতকানিয়ার মুহা. জসিম উদ্দিন ও বান্দরবান নাইক্ষ্যংছড়ির তোফায়েল আহমেদ কারাগারে থেকেই নির্বাচিত হয়েছেন। বর্তমানেও তারা রয়েছেন কারাগারে।

চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হওয়ার পরে গ্রেফতার হয়েছেন ১২ জন। এদের মধ্যে পঞ্চগড় বোদা উপজেলা চেয়ারম্যান মো: শফিউল্লাহ, নীলফামারী জলঢাকার সৈয়দ আলী, রংপুর মিঠাপুকুরের গোলাম রাব্বানি, গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর নজরুল ইসলাম, সুন্দরগঞ্জের মাজেদুর রহমান, সদরের আব্দুল করিম, জয়পুরহাট পাঁচবিবির মোস্তাফিজুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের মোখলেছুর রহমান, রাজশাহী বাঘার জিন্নাত আলী, পাবনা আটঘরিয়ার জহুরুল ইসলাম, ঝিনাইদহ কোটচাঁদপুরের তাজুল ইসলাম, মহেশপুরের আব্দুল হাই প্রমুখ।

এছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিতদের মধ্যে ১৫জন কারাগারে রয়েছেন। এদের মধ্যে কারাগারে থেকে নির্বাচিত হয়েছেন ৫জন। তারা হলেন বগুড়া সদরের আবিদুর রহমান, সিরাজগঞ্জ উল্লাপাড়ার শাহজান আলী, বেলকুচির আরিফুল ইসলাম, খুলনা ফুলতলার গাউসুল আজম হাদী, গাজীপুর কালিয়াকৈরের হারুনুর রশিদ। এরা এখনও রয়েছেন কারাগারে।

বাকি ১০জন গ্রেফতার হয়েছেন নির্বাচিত হওয়ার পরে। এরা হলেন লালমনিরহাট আদিতমারির ফিরোজ হায়দার লাবলু, রংপুর মিঠাপুকুরের আব্দুল বাসেত মারজান, কুড়িগ্রাম উলিপুরের হাফেজ রুহুল আমিন, জয়পুরহাট সদরের হাসিবুল আলম লিটন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের সোহরাব আলী, নাটোর বাগাতিপাড়ার মমতাজ আলী সরদার, ময়মনসিংহ ফুলবাড়িয়ার ফজলুল হক, সিলেট সদরের জয়েন উদ্দীন, চট্টগ্রাম বাশখালির বদরুল হক, সাতকানিয়ার মো. ইব্রাহিম।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এদের মধ্যে কেউ শপথ নিতে এসেই আটক হয়েছেন। আবার কেউ চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান হিসাবে কাজে যোগদানের প্রথম দিনেই আটক হয়েছেন।

এ বিষয়ে সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার প্রোবনিউজকে বলেন, আমাদের দুর্ভাগ্য যে আমাদের দেশে গণতান্ত্রিক রীতি নীতির চর্চা গড়ে উঠে নাই। কারো বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট অভিযোগ থাকলে তাদেরকে কারাগারে প্রেরণ করা যায়। তবে অনেকেরই ধারনা সরকার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যই জনপ্রতিনিধিদের এভাবে গ্রেফতার চালাচ্ছে। এটা গণতন্ত্রের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। এটা বন্ধ হওয়া প্রয়োজন।

এ ব্যাপারে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদেরকে গ্রেফতার করে জনসেবায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা এই সরকারের একটি নতুন বদঅভ্যাসে পরিণত হয়েছে। এ সরকার সংবিধান মানে না, গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। জনমতের প্রতি সরকারের কোন শ্রদ্ধাবোধ নেই। জনপ্রতিধিদের পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদেরকে গ্রেফতার, নির্যাতন ও হত্যা করে সরকার দেশকে রাজনৈতিক নেতৃত্বশূন্য করতে চায়।

প্রোব/বিএইচ/মুআ/রাজনীতি ১১.০৫.১৪

১১ মে ২০১৪ | জাতীয় | ১৬:৪৩:১২ | ২০:১০:৪৬

জাতীয়

 >  Last ›