A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

বুড়িগঙ্গা খননে সরকারের দেয়া ১৫ কোটি টাকা গেছে গ্যাংস্টারদের পকেটে | Probe News

বুড়িগঙ্গা খননে সরকারের দেয়া ১৫ কোটি টাকা গেছে গ্যাংস্টারদের পকেটে

nodianu1প্রোবনিউজ, ঢাকা: তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেছেন, ‘দেশের বিপর্যস্ত নদীগুলো রক্ষায় বরাদ্দকৃত অর্থ এখন আর পানিতে যাচ্ছে না, যাচ্ছে গ্যাংস্টারদের পকেটে। প্রমাণ হিসেবে তিনি বুড়িগঙ্গা নদী খননে সরকারের তরফ থেকে দেয়া ১৫ কোটি টাকা স্থানীয় গ্যাংস্টারদের পকেটে গেছে। যার ফলে এখন নদীটি চরম হুমকির মুখে পড়েছে।’
শনিবার দুপুরে রাজধানী ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে সিপিবি ও বাসদের যৌথ আয়োজনে তিস্তাসহ ৫৪টি অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে করণীয় নির্ধারণ শীর্ষক এক পরামর্শ সভায় তিনি একথা বলেন।
পরামর্শ সভায় নদী রক্ষায় সকল পদক্ষেপ ব্যর্থ হওয়ার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘সর্বজনের সম্পত্তি এখন ক্রমাগত গ্যাংস্টারদের কবলে পড়ে হয়ে যাচ্ছে ব্যক্তিগত সম্পত্তি। শুকনো নদী দখল করা অধিক লাভজনক। তাই নদী শুকিয়ে গেলে গ্যাংস্টাররা খুশি হন।’
তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে পরামর্শ হিসেবে আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘বংলাদেশের পানির ন্যায্য হিস্যা আদায় করতে হলে প্রথমে ভাটির দেশগুলোর সমন্বয়ে বাংলাদেশকে একটি কমিটি গঠন করতে হবে। সেখানে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি নীতি নির্ধারণী কমিটি থাকবে। একই সঙ্গে ভাটির দেশ হিসেবে নেতৃত্বে বাংলাদেশ থাকতে পারে। জনসচেতনতা সৃষ্টি এক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। তাছাড়া ভারতের বাধগুলো থেকে উচ্ছেদ হওয়াদের সমর্থন আদায়ের মাধ্যমেও ন্যায্য হিস্যা আদায় করা সম্ভব।’
রাজনৈতিক নেতাদের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দেশের নেতারা নদী কেন্দ্রিক কোনো সঙ্কট তৈরি হলেই সেখানে দৌঁড়ে যান। তবে ঘুরে এসে বলেন কোনো সমস্যা নেই। তারা কিছু করবে না। নদী রক্ষা করতে হলেও রাজনৈতিক নেতাদের এ ধরনের মনোভাব থেকে বের হয়ে আসতে হবে।’
সিপিবির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, ‘এমন কিছু করা যাবে না যেটাতে ভারত বিরক্ত হয়- এ নীতি থেকে বের হয়ে আসতে না পারলে কোনো দিনই নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায় সম্ভব না।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের চারপাশে ভারত এটা সত্য, কিন্তু তাই বলে তো আমরা আমাদের সবকিছু তাদের দিয়ে দিতে পারি না। তাই নিজের স্বার্থ রক্ষায় এখন আমাদের শক্ত হওয়ার বিকল্প নেই।’
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) সাধারণ সম্পাদক ড. মো. আব্দুল মতিন বলেন, ‘ভারত তাদের পানি রক্ষায় তিস্তা পারে শতাধিক ড্যাম নির্মাণ করছে। এ ড্যাম নির্মাণ শেষ হলে বাংলাদেশ পানি শূণ্য হয়ে পড়বে। তাই এখনই জনমত তৈরি করে ১৯৯৭ সালের ইউএন কনভেনশন আইনটি আন্তর্জাতিক আইনে পরিণত করতে হবে। তাহলেই পানির ন্যায্য হিস্যা আদায় সম্ভব হবে।’
পরমার্শ সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- বুয়েটের সাবেক প্রফেসর ফিরোজ আহম্মেদ, সিপিবি নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স, অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম, এস আই খানসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।
প্রোব/মুআ/জাতীয় ১০.০৫.১৪

১০ মে ২০১৪ | জাতীয় | ১৬:৩০:৪১ | ২১:২১:১৩

জাতীয়

 >  Last ›