A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

খালেদা জিয়ার বিচারে আদালত বসবে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে | Probe News

খালেদা জিয়ার বিচারে আদালত বসবে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে

Khaleda.jpgপ্রোবনিউজ, ঢাকা: বিএনপির চেয়ারপরসন বেগম খালেদা জিয়ার দুর্নীতির দুই মামলার বিচারিক কার্যক্রম ঢাকার আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। নিরাপত্তার স্বার্থে পুরান ঢাকার বদলে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে আদালত বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বুধবার আইন মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বর্তমানে এ মামলা দুটির কার্যক্রম পুরান ঢাকার তৃতীয় জজ আদালতে চলছে।
তবে ঢাকা তৃতীয় মহানগর দায়রা জজই এ মামলা দুটির বিচার করবেন।
জানা গেছে, গত ৩০ এপ্রিল মন্ত্রণালয় এই সংক্রান্ত আদেশ জারি করেছে । এর আগে মামলাকারী দুদকও আদালত স্থানান্তরের দাবি জানিয়েছিল।
বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় পিলখানায় হত্যাকাণ্ডের মামলার বিচারও আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে আদালত বসিয়ে করা হয়েছিল।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত ভবনে বহুসংখ্যক আদালতে মামলার বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় এলাকাটি আদালত চলাকালীন জনাকীর্ণ থাকে।
“এ কারণে নিরাপত্তাজনিত কারণে ফৌজদারি কার্যবিধির ৯(২) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার মামলাগুলো পরিচালনার জন্য ওই (আলিয়া মাদ্রাসা মাঠ) আদালতকে অস্থায়ী আদালত হিসাবে ঘোষণা করেছে।”
ঢাকার ৩ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে খালেদার বিরুদ্ধে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের টাকা আত্মসাৎ মামলার বিচার চলছে।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদার এই দুই মামলায় পুরান ঢাকার জনাকীর্ণ আদালতে গত ১৯ মার্চ অভিযোগ গঠন হয়।
অভিযোগ গঠনের সময় ব্যাপক হট্টগোল হয়েছিল, যে কারণে এজলাস ছেড়ে খাসকামরায় বসে অভিযোগ গঠনের আদেশ দিয়েছিলেন বিচারক।
মামলা দুটি ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণেষাদিত’ বলে বিএনপি দাবি করে আসছে। দুই মামলার অভিযোগ গঠন বাতিল চেয়ে খালেদা হাই কোর্টে গেলেও গত ২৩ এপ্রিল তা খারিজ হয়ে যায়। ফলে এখন বিচারিক আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে।
২০১১ সালের ৮ অগাস্ট জিয়া চ্যারিটেবল (দাতব্য) ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা দায়ের করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক হারুনুর রশিদ। ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল হয়।
তেজগাঁও থানার এ মামলায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে ট্রাস্টের নামে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে আসামিদের বিরুদ্ধে।
জিয়া অরফ্যানেজ (এতিমখানা) ট্রাস্টে অনিয়মের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় মামলা করে। ২০১০ সালের ৫ অগাস্ট এই মামলার অভিযোগপত্র দেয়া হয়।
এতিমদের সহায়তার জন্য একটি বিদেশি ব্যাংক থেকে আসা ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয় এ মামলায়।
অরফ্যানেজ ট্রাস্ট মামলায় অভিযোগ গঠন করা হয়েছে খালেদা, তার ছেরে তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে। আর চ্যারিটেবল (দাতব্য) ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়ার সঙ্গে আসামি হিসাবে রয়েছেন আরো তিনজন।
অরফ্যানেজ ট্রাস্ট মামলার অন্য আসামিরা হলেন- বিএনপির সাবেক সাংসদ কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী এবং প্রয়াত জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।
এদের মধ্যে সালিমুল হক কামাল ও শরফুদ্দিন আছেন জামিনে। তারেক উচ্চ আদালতের জামিনে গত পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে বিদেশে অবস্থান করছেন। বর্তমানে তিনিসহ বাকি দুজন পলাতক।
দাতব্য ট্রাস্ট মামলার অন্য আসামিরা হলেন- খালেদার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।
এদের মধ্যে হারিছ চৌধুরী মামলার শুরু থেকেই পলাতক। তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও রয়েছে। খালেদাসহ বাকি দুই আসামি জামিনে রয়েছেন।
প্রোব/খোআ/পি/জাতীয় ০৭.০৫.২০১৪

৭ মে ২০১৪ | জাতীয় | ১৮:৪৭:৪৮ | ১২:১৯:০০

জাতীয়

 >  Last ›