A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

ঐশীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন | Probe News

ঐশীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

 

Oyshi514.jpgপ্রোবনিউজ, ঢাকা: পুলিশ দম্পতি খুনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় নিহত দম্পতির মেয়ে ঐশী রহমান ও তার দুই বন্ধুর বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. জহুরুল হক এ মামলায় ঐশী রহমান, তার বন্ধু মিজানুর রহমান জনি ও আসাদুজ্জামান রনির উপস্থিতিতে অভিযোগ গঠন করেন।
আগামী ৫ জুন তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য্য করেছেন বিচারক।
মামলার অপর আসামি ঐশীদের গৃহকর্মী খাদিজা আক্তার সুমি অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় তার বিচারের বিষয়টি প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হয়েছে। শিশু আদালত হিসেবে সেখানে তার বিচার হবে।
কাঠগড়ায় দাঁড়ানো তিন আসামিকে অভিযোগ পড়ে শোনানো হলে সবাই নিজেদের নির্দোষ দাবি করে আদালতের কাছে ন্যায়বিচার চান।
পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) কর্মকর্তা মাহফুজুর রমান ও তার স্ত্রী স্বপ্না রহমান হত্যা মামলায় গত ৯ মার্চ এই দম্পতির মেয়ে ঐশী রহমানসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে দুটি অভিযোগপত্র জমা দেয় মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। পরে ঢাকা মহানগর হাকিম মো. মারুফ হোসেন অভিযোগপত্র গ্রহণ করে মামলার পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠান।
গত বছরের ১৬ অগাস্ট রাজধানীর চামেলীবাগের একটি ফ্ল্যাটে এসবি পরিদর্শক মাহফুজ ও স্বপ্নার লাশ পায় পুলিশ। পরে তাদের স্কুলপড়ুয়া মেয়ে ঐশী থানায় আত্মসমর্পণ করেন। এরপর পুলিশ ঐশীদের বাড়ির গৃহকর্মী খাদিজা আক্তার সুমী এবং ঐশীর বন্ধু রনি ও জনিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
মামলায় গৃহকর্মী সুমীকে সহায়তাকারী এবং দুই বন্ধুকে ঐশীর আশ্রয়দাতা হিসেবে দেখানো হয়েছে।
ও লেভেলের ছাত্রী ঐশীকে গ্রেপ্তারের পর তার বয়স নিয়ে আলোচনা উঠলে আদালতের নির্দেশে ঢাকা মেডিকেলে পরীক্ষা করে পুলিশ জানায়, ঘটনার সময় তার বয়স ১৮ বছরের বেশিই ছিল। ঐশী ও তার বন্ধুরা বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। শিশু গৃহকর্মী সুমী রয়েছে গাজীপুরে কিশোরী উন্নয়ন কেন্দ্রে।
পুলিশ বলছে, সুমী খুনের সঙ্গে জড়িত না হলেও ঐশীকে সহায়তা করেছে। পুলিশের বিশেষ শাখার কর্মকর্তা মাহফুজ স্ত্রী, দুই সন্তান ও গৃহকর্মীকে নিয়ে চামেলীবাগের ওই ফ্ল্যাটে থাকতেন। যে দিন তাদের লাশ পাওয়া গিয়েছিল, তার আগের দিন বাড়ি থেকে ছোট ভাই ও গৃহকর্মীকে নিয়ে বেরিয়ে যান ঐশী।
পরদিন ভাইকে বাড়িতে ফেরত পাঠালেও নিজে আসেননি ঐশী। পরে সুমীকে নিয়ে থানায় ধরা দেন তিনি।
ঐশীর কাছে পাওয়া গয়না এবং বাসায় খুলে রেখে যাওয়া তার রক্তমাখা পোশাকে পাওয়া নমুনার ডিএনএ পরীক্ষায় হত্যাকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তদন্ত কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, ঐশী তার বাবা-মাকে কফির সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করেছিল, পরে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে। গত ২৪ অগাস্ট ঐশী নিজেই ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
প্রোব/খোআ/জাতীয় ০৬.০৫.২০১৪

 

৬ মে ২০১৪ | জাতীয় | ১২:৫৯:২৪ | ১৩:০৯:০৬

জাতীয়

 >  Last ›