A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

রাষ্ট্রীয় অর্থে শেখ জামাল ক্রীড়া কমপ্লেক্স নিমার্ণের যৌক্তিকতা জানতে চেয়ে এলজিইডি- ডিএসসিসি-কে চিঠি | Probe News

ধানমন্ডি খেলার মাঠ
রাষ্ট্রীয় অর্থে শেখ জামাল ক্রীড়া কমপ্লেক্স নিমার্ণের যৌক্তিকতা

জানতে চেয়ে এলজিইডি- ডিএসসিসি-কে চিঠি

Dhanmondi.jpgপ্রোবনিউজ, ঢাকা: যৌথ মালিকানাধীন ব্যক্তি প্রতিষ্ঠান লে. শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের নামে সরকারি তত্ত্বাবধানে প্রকল্প বাস্তবায়ন ও অর্থায়নের ভিত্তি ও যৌক্তিকতা জানতে চেয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরকে (এলজিইডি) চিঠি দিয়েছেন স্থপতি ইকবাল হাবিব। এমনকি প্রকল্পটির নামকরণে ধানমন্ডি খেলার মাঠের অবৈধ দখলদার প্রতিষ্ঠান লে. শেখ জামাল ক্লাবের নাম ব্যবহারের যৌক্তিকতাও জানতে চেয়েছেন তিনি। পাশাপাশি ‘জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত’ মাঠটি কীভাবে লে. শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব লিমিটেড ব্যবহার করছে তারও ব্যাখা চাওয়া হয়েছে মাঠটির তত্ত্বাবধায়ক প্রতিষ্ঠান ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের কাছে।
তথ্য অধিকার আইনের আওতায় এলজিইডি’র প্রধান প্রকৌশলী এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সচিব খান মো. রেজাউল করিমের কাছে এসব জানতে চেয়ে গত ৩০শে এপ্রিল পৃথক পৃথক এ চিঠি দেয়া হয়েছে এবং উভয়ের কাছে পরবর্তী ২০ কার্য দিবসের মধ্যে তথ্যগুলো চাওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।
প্রসঙ্গত, গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে ‘লে. শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব লিমিটেড ক্রীড়া কমপ্লেক্স নির্মাণ’ শীর্ষক একটি প্রকল্প হাতে নেয় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। প্রকল্পের আওতায় ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার ৮নং সড়ক সংলগ্ন ৪ দশমিক ৪৯৮২ একর আয়তনের এই খেলার মাঠটির বড় একটি অংশ জুড়ে দুটি টেনিস কোর্ট, একটি বাস্কেট বল কোর্ট এবং দুটি ব্যাডমিন্টন কোর্ট নির্মাণের সিদ্ধান্ত রয়েছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে কারিগরী সহযোগিতা দিচ্ছে রাষ্ট্রিয় প্রতিষ্ঠান স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ (এলজিইডি)। প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে এক কোটি ৭৯ লাখ ৭২ হাজার ৮৪৪ দশমিক ৯৫ টাকা। এর পুরোটাই বহন করছে অপর রাষ্ট্রিয় প্রতিষ্ঠান ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন। এ বিষেয়ে গত ২৪শে এপ্রিল প্রোবনিউজে ‘রাষ্ট্রীয় অর্থে নির্মিত হচ্ছে ব্যক্তি মালিকানার শেখ জামাল ক্রীড়া কমপ্লেক্স’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
জয়েন্ট স্টকের বরাত দিয়ে প্রোবনিউজের ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল, ‘যৌথ ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান লে. শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব লিমিটেডের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান, পারটেক্স গ্রুপের শওকত আজিজ রাসেল, রূপায়ণ গ্রুপের মোহাম্মদ লিয়াকত আলী খান মুকুল ও জসিম আহমেদ, ক্যাপিটাল গ্রুপ অব কোম্পানিস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শওকত আলী ভূঁইয়া ডিলান, শরীফ আতাউর রহমান সিকিউরিটিস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরিফ আতাউর রহমান, কে. এনায়েত উল্লাহ, মো. শামসুল আলম এবং ওসমান গনি তালুকদার।
এলজিইডি’র সংশ্লিষ্ট বিভাগের নথিপত্রে লে. শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব লিমিটেডের প্রেসিডেন্ট হিসেবে লে. মঞ্জুর কাদেরের নামটি উল্লেখ থাকলেও জয়েন্ট স্টকে রহস্যজনকভাবে তার নামের উল্লেখ নেই। এছাড়াও লে. শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব লিমিটেডের ঠিকানা হিসেবে ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার ৮নং সড়কের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু সড়কের কত নম্বর হোল্ডিং তা উল্লেখ করা হয়নি।’
এদিকে এলজিইডি’র প্রধান প্রকৌশলীর কাছে লেখা স্থপতি ইকবাল হাবিব স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে মোট ছয়টি বিষয়ের ব্যাখ্যা ও যৌক্তিকতা জানতে চাওয়া হয়েছে। বেসরকারি যৌথ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান লে. শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের নামে সরকারি তত্ত্বাবধানে প্রকল্প বাস্তবায়ন ও অর্থায়নের ভিত্তি ও যৌক্তিকতা জানতে চাওয়া হয়েছে। তাছাড়া প্রকল্পটি রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) ইমারত নির্মাণ বিধিমালা অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে কিনা তারও দলিলাদি চাওয়া হয়েছে।
এছাড়াও স্থপতি ইকবাল হাবিব চিঠিতে যেসব তথ্য জানতে চেয়েছেন, প্রকল্পের অর্থ বরাদ্দ সংক্রান্ত সরকারি অনুমোদন ও প্রক্রিয়ার তথ্যাবলী; প্রকল্পটির নকশাকারি এবং অনুমোদনকারী বিষয়ক তথ্যাবলী; প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট জমির মালিকানা বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রত্যায়িত দলিলাদি; প্রকল্পের অর্থায়নের পূর্বে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক প্রকল্পটির জমির মালিকানা নির্ধারণ প্রক্রিয়া ও ভিত্তি সম্পর্কিত দলিলাদি।
ধানমন্ডির ৮নং সড়কের পাশে অবস্থিত খেলার মাঠে এলজিইডি’র বাস্তবায়নাধিন প্রকল্পটির নামকরণে খেলার মাঠের অবৈধ দখলকারি প্রতিষ্ঠান লে. শেখ জামাল ক্লাবের নাম ব্যবহারেরও যৌক্তিকতা জানতে চাওয়া হয়েছে ওই চিঠিতে।
অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সবিচ খান মো. রেজাউল করিমের কাছে স্থপতি ইকবাল হাবিব স্বাক্ষরিত অপর এক চিঠিতে তিনটি বিষয় জানতে চাওয়া হয়: ১. ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অনুমোদন ছাড়া ‘জনসাধারনের জন্য উন্মুক্ত’ মাঠটি কিভাবে লে. শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব লিমিটেড ব্যবহার করছে, ২. অনঅনুমোদিত ব্যবহারের বিরুদ্ধে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্তৃপক্ষ কি কি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে; এ সম্পর্কিত দলিলাদির কপি এবং ৩. অনঅনুমোদিত ক্লাবটি গত ২৪ এপ্রিল ২০১৪ পর্যন্ত মাঠে জনসাধারাণের প্রবেশ নিষিদ্ধ করে রাখার বিরুদ্ধে সিটি করপোরেশনের গৃহীত পদক্ষেপ সমূহের দলিলাদি।

প্রোব/শর/পি/জাতীয়/ ২ মে ২০১৪

২ মে ২০১৪ | জাতীয় | ২১:৩৪:৫৩ | ২১:১২:২৭

জাতীয়

 >  Last ›