A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

ফারাক্কা ব্যারাজের ৪০ তম বর্ষে পদার্পণ | Probe News

ফারাক্কা ব্যারাজের ৪০ তম বর্ষে পদার্পণ
আজও কৃতজ্ঞতার ফাঁদে বাংলাদেশ
পানি প্রাপ্তি নিয়ে যৌথ নদী কমিশনের প্রশ্নবিদ্ধ তথ্য-উপাত্ত

padm bridge

আলতাফ পারভেজ, প্রোবনিউজ, ঢাকা: ১৯৭৫ সালের ২১ এপ্রিল ‘মাত্র ৪১ দিন পরীক্ষামূলকভাবে চালানো হবে’ এই কথা বলে ভারত ফারাক্কা ব্যারাজ চালু করেছিল। ২০১৪ সালে সেই পরীক্ষামূলক পানি প্রত্যাহারের ৩৯ বছর পূর্ণ হয়ে ৪০ বছরে পদার্পণ করেছে ফারাক্কা ব্যারাজ! কথিত `test running period' আজও শেষ হয়নি। ইতোমধ্যে গঙ্গার পানিতে বাংলাদেশের হিস্যা নিয়ে ১৯৭৭ ও ১৯৯৬ সালে দু’দফা চুক্তি হয়েছে এবং শেষ চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সাল পর্যন্ত চালু থাকাবস্থায় পানি বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশ গঙ্গায় পানি প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ফারাক্কা পয়েন্টে ঐতিহাসিক প্রবাহের চেয়ে পানির আগমন কমে গেছে, ফলে চুক্তি থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশের পানি পাওয়ার সুযোগ ও সম্ভবনা কমে গেছে। বিশেষজ্ঞরা হিসাব করে দেখেছেন, ঐতিহাসিক প্রবাহের আলোকে ২০০৮ সালে বাংলাদেশ চুক্তি অনুযায়ী পানি পেয়েছে মাত্র ১৩ শতাংশ ক্ষেত্রে; ২০০৯ সালেও মাত্র ১৩ শতাংশ ক্ষেত্রে; ২০১০ সালে শূন্য শতাংশ এবং ২০১১ সালে ৩৩ শতাংশ ক্ষেত্রে।

উল্লেখ্য, বর্তমানে কার্যকর উপরোক্ত ৩০ বছর মেয়াদি চুক্তিতে ১২টি অনুচ্ছেদ ও ২টি সংযুক্তি রয়েছে। চুক্তিটি মূলত শুষ্ক মৌসুমকেন্দ্রিক। শুষ্ক মৌসুমের ৫ মাস সময়কে ১০ দিন করে মোট ১৫টি কিস্তিতে ভাগ করে পানি বন্টিত হওয়ার কথা। বন্টন সমীকরণের মূল দিক নিম্নরূপ:
প্রবাহ যদি ৭৫ হাজার কিউসেকের বেশি হয় তা হলে ভারত পাবে ৪০ হাজার কিউসেক আর বাকি পানি পাবে বাংলাদেশ।
প্রবাহ যদি ৭০ হাজার থেকে ৭৫ হাজারের মধ্যে হয় তা হলে বাংলাদেশ পাবে ৩৫ হাজার কিউসেক আর বাদবাকী পাবে ভারত।
প্রবাহ যদি ৭০ হাজারের কম হয় সেক্ষেত্রে দুই দেশ সমভাবে পানি ভাগ করে নেবে।
তবে যেহেতু শুষ্ক মৌসুমে দুই দেশেই পানির প্রয়োজন বেশি তাই প্রবাহ ৭০ হাজারের চেয়ে কমে গেলেও ১১-২০ মার্চ, ১-১০ এপ্রিল ও ২১-৩০ এপ্রিল এই তিনটি সময়ে বাংলাদেশ ৩৫ হাজার কিউসেক পানি গ্যারান্টি সহকারে পাবে; পক্ষান্তরে ২১-৩০ মার্চ, ১১-২০ এপ্রিল ও ১-১০ মে এই তিন সময়ে ভারত ৩৫ হাজার কিউসেক পানি গ্যারান্টি সহকারে পাবে।
একটি দেশ যখন গ্যারান্টি দেয়া পানি পাবে অন্যদেশ তখন মোট প্রবাহ থেকে ৩৫ হাজার কিউসেক বাদ দিলে যা থাকে তাই পাবে।
গঙ্গা চুক্তির উপরোক্ত পানিবণ্টন সমীকরণ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯৪৯ থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত ফারাক্কা পয়েন্টে প্রাপ্ত গঙ্গার ঐতিহাসিক প্রবাহের ওপর ভিত্তি করে। এই ৪০ বছরের উপাত্তের ১০ দিনভিত্তিক গড় গঙ্গাচুক্তির সমীকরণ প্রণয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। তাই চুক্তির বিশ্লেষণে এর গুরুত্ব অপরিহার্য এবং মূলচুক্তির সংযুক্তি-২ হিসেবে এই উপাত্ত চুক্তিরই অংশ। অর্থাৎ উপরে পানি বণ্টনের যে সমীকরণ তুলে ধরা হয়েছে সেটা কার্যকর করতে হলে ফারাক্কায় ‘পানি প্রবাহের ঐতিহাসিক ধারা’ ঠিক রাখা অপরিহার্য এবং সে দায়িত্ব ভারতের। চুক্তির প্রত্যাশাও ছিল সেটাই।

কিন্তু বাংলাদেশের পানি বিশেষজ্ঞ জাহিদুল ইসলামের ২০১২ সালে সমাপ্ত এক অনুসন্ধানে দেখা যায়, ২০০৮ সালে শুষ্ক মৌসুমের ১৫টি পর্যায়ের মধ্যে ১২টি পর্যায়ে চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ পানি পেয়েছে; আর ৩ টি পর্যায়ে পায়নি। অর্থাৎ শতকরা ৮০ ভাগ সময়ে গঙ্গা চুক্তি সংরক্ষিত হয়েছে। তবে ‘ঐতিহাসিক প্রবাহ অনুযায়ী’ দেখা গিয়েছে ঠিক উল্টো পরিস্থিতি। ১৫টি পর্যায়ের মধ্যে মাত্র ২টি পর্যায়ে বাংলাদেশ পর্যাপ্ত পানি পেয়েছে; অর্থাৎ শতকরা কেবল ১৩ ভাগ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পর্যাপ্ত পানি পেয়েছে।
২০০৯ সালেও ১৫টি পর্যায়ের মধ্যে ১২টি পর্যায়ে চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ পানি পেয়েছে; আর তিনটি পর্যায়ে পায়নি। অর্থাৎ শতকরা ৮০ ভাগ সময়ে গঙ্গা চুক্তি সংরক্ষিত হয়েছে। তবে ঐতিহাসিক প্রবাহ অনুযায়ী পরিস্থিতি ২০০৮-এর মত। ১৫টি পর্যায়ের মাত্র ২টি পর্যায়ে বাংলাদেশ পর্যাপ্ত পানি পেয়েছে। অর্থাৎ শতকরা ১৩ ভাগ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পর্যাপ্ত পানি পেয়েছে।
২০১০ সালেও ১৫টি পর্যায়ের মধ্যে ৯টি পর্যায়ে ১৯৯৬ সালের চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ পানি পেয়েছে আর ৬টি পর্যায়ে পায়নি। অর্থাৎ শতকরা ৬০ ভাগ সময়ে গঙ্গা চুক্তি সংরক্ষিত হয়েছে। তবে হিস্টরিকাল প্রবাহ অনুযায়ী দেখা পরিস্থিতি ভয়াবহ। ১৫টি পর্যায়ের কোনটিতেই বাংলাদেশ পর্যাপ্ত পানি পায়নি।
২০১১ সালে ১৫টি পর্যায়ের মধ্যে ১২টি পর্যায়ে ১৯৯৬ সালের চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ পানি পেয়েছে; ৩টি পর্যায়ে পায়নি; শতকরা ৮০ ভাগ সময়ে গঙ্গা চুক্তি সংরক্ষিত হয়েছে। তবে ঐতিহাসিক প্রবাহ অনুযায়ী ১৫টি পর্যায়ের মধ্যে মাত্র ৫টি পর্যায়ে বাংলাদেশ পর্যাপ্ত পানি পেয়েছে; অর্থাৎ শতকরা ৩৩ ভাগ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পর্যাপ্ত পানি পেয়েছে।
উপরোক্ত বাস্তবতাই আরও সরাসরি চুম্বক আকারে সারণী রূপে তুলে ধরেছেন আরেক গবেষণাপত্রে বাংলাদেশের তিন স্বনামখ্যত গবেষক জাহিদুল ইসলাম, মো. খালেকুজ্জামান ও সরফরাজ আলম। তাঁদের নিম্নোক্ত গবেষণা উপাত্ত থেকে ফারাক্কায় গত ৪০ বছরের ঐতিহাসিক প্রবাহের সাথে ২০০৮ থেকে ২০১২ পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রকৃত পানি প্রাপ্তির একটি তুলনামূলক চিত্র পাওয়া যায়।

padma chart 2
 
উল্লেখ্য, এই গবেষণাপত্র প্রকাশের সময় জাহিদুল ইসলাম কাজ করছিলেন কানাডার আলবার্টা এনভায়রনমেন্ট এন্ড সাসটেইনেবল রির্সোস ডেভেলপমেন্টে; মো: খালেকুজ্জামান অধ্যাপনা করছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের লকহেভেন ইউনিভার্সিটিতে ডিপাটমেন্ট অব জুলজি এন্ড ফিজিক্সে; আর সরফরাজ আলম প্রভাষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব ইনঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনলজির ডিপাটমেন্ট অব ওয়াটার রিসোর্স ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে। তাঁদের গবেষণাপত্রের শিরোণাম ছিল : Intrim Assessment of the Ganges Watersharing treaty.

যৌথনদী কমিশনের সাম্প্রতিক ভূমিকা
উল্লেখ্য, গঙ্গাচুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ কী পরিমাণ পানি পাচ্ছে সেটা নজরদারির সংস্থা হলো যৌথনদী কমিশন বা জেআরসি। সেই দায়িত্ব হিসেবে ২০১৪ সালে জেআরসি ১ জানুয়ারি থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত বছরের প্রথম দিককার পানি প্রবাহের এমন সব উপাত্ত তার ওয়েব সাইটে তুলে ধরেছে যার সাথে বাংলাদেশের ভেতরকার নদী পরিস্থিতির বাস্তবতার দুস্তর ব্যবধান লক্ষ্য করা গেছে। নদী কমিশনের হিসাবে বছরের প্রথম ১০০ দিনে বাংলাদেশ যে কেবল চুক্তির হিস্যা অনুযায়ী পানি পাচ্ছে তাই নয়, প্রায় সাড়ে তিন লাখ কিউসেক পানি ভারত বাংলাদেশকে বেশি দিয়েছে! অথচ বাস্তবে এপ্রিলে পদ্মা মরা খালের মতো পড়ে ছিল। স্থানীয় সাংবাদিক শাহ জামাল জানিয়েছেন কুষ্টিয়ায় হার্ডিঞ্জ ব্রিজ ও লালন শাহ সেতুর পাদদেশে পদ্মার বুকে বিশাল বালুচর। কৃষক সেই বালুচরেই আবাদ করছে নানান ফসল। এই প্রতিবেদনের সাথে সংযুক্ত ছবিতেও দেখা যাচ্ছে গঙ্গাচুক্তি অনুযায়ী পানিপ্রাপ্তি পরিমাপের স্থানটিতে পানির দুষ্পাপ্যতা। এ বছরের এপ্রিলে সরেজমিনে দেখা গেল, অতিরিক্ত পানি তো দূরের কথা স্বাভাবিক প্রবাহই নেই সেখানে। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে যৌথ নদী কমিশন কথিত এত পানি কোথায় যাচ্ছে এবং কমিশন তার উপস্থাপিত তথ্য সংগ্রহ করেছে কোথা থেকে?
কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪ সালে বাংলাদেশ জানুয়ারির প্রথম ১০ দিনের প্রথম চক্রে পেয়েছে ৯১ হাজার ৫শ’ ৮৯ কিউসেক পানি। পানিবন্টন চুক্তির সংযুক্তি ২-এর উল্লিখিত হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদশের পাওয়ার কথা ৬৭ হাজার ৫১৬ কিউসেক পানি। এ হিসাবে ভারত বাংলাদশেকে প্রথম চক্রেই ২৪ হজার ৭৩ কিউসেক পানি বেশি দিয়েছে!
১১ জানুয়ারি থেকে ২০ জানুয়ারি দ্বিতীয় চক্রে বাংলাদশের হিস্যা ছিল ৫৭ হাজার ৬শ’ ৭৩ কিউসেক পানি। কিন্তু জেআরসির ওয়বেসাইটে দেয়া তথ্যে দেখা গেছে, এ সময় পাওয়া গেছে, ৭৭ হাজার ৭শ’ ২১ কিউসেক পানি। চুক্তির থেকেও ২০ হাজার ৪৮ কিউসেক পানি বেশি পাওয়া গেছে!
২১ জানুয়ারি থেকে ৩১ জানুয়ারি তৃতীয়চক্রে ৫০ হাজার ১শ’ ৫৪ কিউসেক পানি দেয়ার কথা থাকলেও খাতা কলমে বেশি দিয়েছে ভারত ৩৫ হাজার ৬শ’ ১৫ কিউসেক।
ফেব্রুয়ারি মাসের ১ থেেক ১০ তারিখ পর্যন্ত চতুর্থ চক্রে ৪৬ হাজার ৩শ’ ২৩ কিউসেকের স্থলে ভারত দিয়েছে ৯০ হাজার ৮শ’ ৬৮ কিউসেক পানি।
৫ম চক্রে ১১-২০ ফেব্রুয়ারি ৩৭ হাজার ৬শ’ ১৯ কিউসেক; ২১-২৮ ফেব্রুয়ারির ৬ষ্ঠ চক্রে ৩৮ হাজার ৮শ’ ১০ কিউসেক; মার্চ মাসের ১-১০ তারিখের ৭ম চক্রে ৪৩ হাজার ২শ’ ৫৯ কিউসেক; ১১ মার্চ থেকে ২০ মার্চ ৮ম চক্রে ৫২ হাজার ২শ’ ৯২ কিউসেক; ২১ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ নবম চক্রে ৩৯ হাজার ৯শ’ ৫৩ কিউসেক এবং ১ এপ্রিল থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত ২৭ হাজার ৫শ’ ২৬ কিউসেক পানি বেশি দেয়া হয়েছে বলে জেআরসি’র ওয়বেসাইটে উল্লেখ করা হয়েছে। পাঁচ মাসের মধ্যে তিন মাসই ভারত সরকার ৩ লাখ ৬৩ হাজার ৪৭৯ কিউসেক পানি বেশি দিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। যদিও মাঠ পর্যায়ের বাস্তবতার সাথে এসব তথ্য-উপাত্তের মিল পাওয়া দুরূহ। ২০১৪-এর এপ্রিলে দেখা গেছে, পানির অভাবে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের ১৫টি গার্ডারের মধ্যে অর্ধেকই দাঁড়িয়ে আছে ধু-ধু বালুচরে।
১৯৯৬ সালের পানিচুক্তি অনুযায়ী পানি না পেলে সে বিষয়ে মীমাংসার জন্য উপরোক্ত চুক্তিতে যৌথ নদী কমিশনের অধীনে ‘যৌথ কমিটি’ বলে একটা প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো রয়েছে- কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ কখনো সে কাঠামো ব্যবহার করেছে বলে জানা যায় না। এমনকি রাজনৈতিক পরিসরেও পানি না পাওয়ার বিষয়টি উত্থাপিত হয় নি কখনো। অথচ অবিলম্বে গঙ্গা পানি চুক্তির রাজনৈতিক ও কারিগরী পুন:মূল্যায়ন হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন উপরে উল্লিখিত বিষেজ্ঞরা।
উল্লেখ্য, ১৯৭২ সালের ১৯ মার্চ মুজিব-ইন্দিরার আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্যদিয়ে কাজ শুরু করে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নদী কমিশন। ’৭২-এর ২৫ জুন এর প্রথম বৈঠক হয় নয়াদিল্লিতে। অভিন্ন নদীগুলো নিয়ে পরিকল্পনা, প্রকল্প ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের একটি মঞ্চ হিসেবে এর যাত্রা। গঙ্গাচুক্তিতে পানিবণ্টনের যে অঙ্গীকার রয়েছে সেটা সঠিকভাবে পালিত হচ্ছে কি না, তা তদারকির দায়িত্ব জেআরসি’র। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বছরে চারবার দু’দেশের মধ্যে এর বৈঠক হওয়ার কথা। কার্যত কখনোই তা হয় না। গত ৪০ বছরে বৈঠক হয়েছে ৩৭টি এবং ২০১০ সালের পর থেকে এ পর্যন্ত একটি বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়নি। অর্থাৎ এখন আর বছওে গড়ে একটি বৈঠকও অনুষ্ঠিত হচ্ছে না কমিশনের।
এদিকে পদ্মায় পানি প্রবাহ কমে যাওয়ায় এর শাখা নদী গড়াইও শুকিয়ে গেছে। ফলে বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমে প্রায় সকল নদীর তলদেশ এখন শুকনো জমিতে পরিণত হয়েছে। বাড়ছে সংশ্লিষ্ট জনপদে ভূগর্ভস্থ লবণাক্ততা। লবণাক্ততার এই পরিসর ছড়িয়ে পড়েছে এখন রূপসা-পশুর অববাহিকা থেকে গড়াই-মধুমতি অববাহিকা পর্যন্ত।


প্রোব/জাতীয়/আপা/০২.০৫.২০১৪

২ মে ২০১৪ | জাতীয় | ১৩:৩৮:৫৩ | ১৪:০৮:০৪

জাতীয়

 >  Last ›