A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র প্রথম টিকফা সংলাপ শুরু হচ্ছে | Probe News

ban+usa.jpg

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র প্রথম টিকফা সংলাপ শুরু হচ্ছে

যুক্তরাষ্ট্রের চাওয়া রফতানি সুবিধা ও মেধাস্বত্ত্ব অধিকারের নিশ্চয়তা
বাংলাদেশের অগ্রাধিকার জিএসপি
‘যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের বিরোধিতা থেকে সরেনি’, মন্তব্য অর্থমন্ত্রীর

আলতাফ পারভেজ, প্রোবনিউজ, ঢাকা: আগামীকাল সোমবার যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে টিকফা [TICFA] কাঠামোর আওতায় প্রথমবারের মতো বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সংলাপ শুরু হচ্ছে ঢাকায়।

 

যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে তৃতীয় নিরাপত্তা সংলাপ শেষ হওয়ার মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে বহুল আলোচিত চলতি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সংলাপ শুরু হচ্ছে।


উল্লেখ্য, গত ২৫ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে ট্রেড এন্ড ইনভেস্টমেন্ট কো-অপারেশন ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্ট [টিকফা] স্বাক্ষর হয়।


এই সংলাপে অংশ নিতে ইতোমধ্যে ১৮ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল যুক্তরাষ্ট্র থেকে ঢাকায় চলে এসেছে, যার নেতৃত্ব দিচ্ছেন দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের সহকারি ট্রেড রিপ্রেজেনটিটিভ মিশেল ডিলানে। আনুষ্ঠানিক আলোচনায় বাংলাদেশ পক্ষে নেতৃত্ব দেবেন বাণিজ্য সচিব মাহবুব আহমেদ।


আলোচনায় অংশ নিতে আগত যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলে কয়েকজন উদ্যোক্তাও রয়েছেন যারা ঢাকায় শিল্প-উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সাথেও বৈঠক করবেন। মিশেল ডিলানের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলের নেতৃস্থানীয় সদস্যরা আজ বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমদের সাথেও দ্বিপাক্ষিক বিষয়ে আলোচনায় বসবেন বলে জানা গেছে।


টিকফা ফ্রেমওয়ার্কের আলোকে আগামীকালের বৈঠকে আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে ১১টি বিষয়সূচির আনুষ্ঠানিক একটি তালিকা বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। এসব বিষয়ের মধ্যে রয়েছে: অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রপাতির ওপর ট্যারিফ প্রত্যাহার করা, আমদানি পণ্যের উপর বিদ্যমান বীমা নীতিমালা প্রত্যাহার, মেধাস্বত্ত্ব অধিকারের সামগ্রিক অবস্থা পর্যালোচনা, শ্রম অধিকারের সর্বশেষ অগ্রগতি পর্যালোচনা ইত্যাদি। যুক্তরাষ্ট্রের উত্থাপিত বিষয়গুলো সম্পর্কে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ইতেমধ্যে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের মতামত নিয়ে একটি অবস্থানপত্র তৈরি করেছে।


অন্যদিকে, এই আলোচনায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তার রফতানি পণ্যের জিএসপি সুবিধা ফিরে পাওয়ার বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ২৭ জুন যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের নিরাপত্তা ঘাটতির অভিযোগে ‘জেনারেলাইজড সিস্টেম অব প্রেপারেন্স’ তথা জিএসপি সুবিধা স্থগিত করে দিয়েছে এবং এই সুবিধা ফিরে পাওয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশকে ১৮ দফা করণীয়ের একটি নির্দেশনা পাঠিয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে, আগামীকালের বৈঠকে বাংলাদেশ জিএসপি ফিরে পাওয়ার বিষয় ছাড়াও সাধারণভাবে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তার সকল রফতানি পণ্যের ডিউটি-ফ্রি ও কোটা-ফ্রি প্রবেশাধিকার চাইবে।


উল্লেখ্য, সর্বশেষ ২০১৩ সালে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ৫.৪ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রফতাণি হয়েছে আর যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে এসেছে ৭১২ মিলিয়ন ডলারের পণ্য।


এদিকে চলতি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সংলাপ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে অর্থমন্ত্রী এ এম এ মুহিত যুক্তরাষ্ট্রকে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিষয়ে অত্যধিক নাক গলানোর দায়ে অভিযুক্ত করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোতে প্রায় দু’ সপ্তাহের সফর শেষে দেশে ফিরে গতকাল শনিবার সচিবালয়ে তাঁর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের সাহায্য ১৫০ থেকে ২০০ মিলিয়ন ডলারের মধ্যেÑ যা জাপানের চেয়ে অনেক কম। অথচ, বাংলাদেশ তার রফতানি পণ্যের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে বছরে প্রায় ৮ শত মিলিয়ন ডলার শুল্ক দেয়। তারা আমাদের কম দেয়, কিন্তু অনেক বেশি বিষয়ে নাক গলায়।’ তিনি এও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের জন্মকালীন বিরোধিতার অবস্থান থেকে সরে আসতে পারেনি।

প্রোব/আপা/পি/জাতীয়

২৭ এপ্রিল ২০১৪ | জাতীয় | ১২:৩৬:০৪ | ১২:১২:৫২

জাতীয়

 >  Last ›