A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

বলিউড তারকাদের বিপুল অংশগ্রহণ সত্ত্বেও সবচে কম ভোট মুম্বাইয়ে | Probe News

celeb Lead Pic2.jpgপ্রোবনিউজ, ডেস্ক: ভারতের লোকসভা নির্বাচনের ষষ্ঠ দফায় সারা দেশে বিপুল পরিমাণ মানুষ ভোট দিলেও ব্যতিক্রম ছিলো বাণিজ্যনগরী। অতীতের ধারাবাহিকতায় এবারও মুম্বইয়ের ভোটদানের হার সবথেকে কম। তবে উল্লেখযোগ্য ভোট পড়ছে বলিউডের তরফে। বর্ষীয়ান নেতা ধর্মেন্দ্র থেকে নতুন প্রজন্মের সোনম কপূর, ভোট দিয়েছেন সকলেই।
২০০৯ সালে মুম্বইতে ভোট পড়েছিল ৪১.৪%। দেশের মধ্যে নয় কেবল, মুম্বইয়ের ইতিহাসেও এটা ছিলো সবথেকে পরিমাণ ভোট। তবে বৃহস্পতিবার ভোটদানের হার দেখে মনে করা হচ্ছে এবারে ২০০৯ সালের থেকেও কম ভোট পড়তে পারে। ১৯৯১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বরাবরই মুম্বইয়ের ভোটদানের হার থেকেছে ৫০ শতাংশের কম। এই সময়ের আগে কখনই ভোটদানের হার ৫০ শতাংশের কম ছিল না। ১৯৬২ থেকে ১৯৭৭ সালের মধ্যে ভোটদানের হার ৬০ শতাংশে পৌছেছিল। গতবারের নির্বাচনে সবথেকে কম ভোট পড়েছিল মুম্বই দক্ষিণ কেন্দ্রে। ৪০ শতাংশেরও কম ভোট পড়ে এখানে। এখনও পর্যন্ত ১৯৬৭ সালে মুম্বইয়ের ইতিহাসে ভোট পড়েছিল সবথেকে বেশি। এই বছর ভোটের হার ছিল ৬৮ শতাংশ।
দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রথম দুই দশকে মুম্বইতে ভোটের হার ভাল থাকলেও শেষ ২০ বছরে এমন কী হল যা মুম্বইবাসীর ভোটদানের অনীহার কারণ? রাজনৈতিক ও সামাজিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, শ্রমজীবী মানুষের মধ্যে ভোটদানের আগ্রহ কমে আসা ও মুম্বাই মিল বসে যাওয়ার কারণেই কমেছে ভোটদানের হার। ১৯৬০-১৯৭০ সালে সারা দেশের শ্রমিক আন্দোলন মুম্বাইয়ের ভোটব্যাঙ্কেও প্রভাব ফেলেছিল। ১৯৯০ সালে মুম্বাই ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাসে ছাত্রের খুন হওয়ায় নিষিদ্ধ হয়ে যায় ছাত্র রাজনীতি। ভোটদানে উত্সাহ হারায় বাণিজ্যনগরী।
তবে ভোটকে উৎসাহিত করার চেষ্টা করেছেন বলিউড তারকারা। কলকাতাভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন তারকার মন্তব্য। প্রোবনিউজের পাঠকের জন্য, তা হুবহু তুলে ধরা হলো।

 

বলিউডের নির্বাচনী মন্তব্য

 

বিদ্যা বালন: ভোট দেওয়া আমার কর্তব্যের মধ্যে পড়ে...। কোনও সমস্যায় পড়লে অন্যের দিকে আঙুল তোলার আগে আমার হাতে এই চিহ্ন থাকা জরুরি।

আমির খান: ভোট এক জন মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার। তাই ভারতের নাগরিক হিসেবে ভোট দেওয়া আমার কর্তব্য।

প্রসূন জোশী: পাঁচ বছরে দায়িত্ব ফুরিয়ে যায় না। পারস্পরিক সহযোগিতাই একান্ত কাম্য।

শাহরুখ খান: বেশিরভাগ সময়েই পছন্দের টিভি চ্যানেল দেখার সুযোগ পাই না। কিন্তু আজ নিজের দেশের ভবিষ্যত সুনিশ্চিত করার সুযোগ পেলাম। দারুণ লাগছে।

সোনাম কপূর: যাঁরা আশাবাদী তাঁদেরকে ভোট দিতে ভালই লাগে।

কিরণ খের: সিকন্দর আর আমি ভোট দিলাম। মুম্বই এগিয়ে চলো আর ভোট দাও।

অমিতাভ বচ্চন: বৃহস্পতিবার ভোট। দেশের ভবিষ্যত নির্ধারণ করতে অগণিত মানুষ ভোট দেবেন। ভাগ্য পরীক্ষা হবে নেতাদেরও যাঁরা আমাদের ভবিষ্যতের পথে নিয়ে যাবেন।

অনুষ্কা শর্মা: শ্যুটিংয়ের জন্য ভোট দিতে না পারায় দুঃখিত। এখন রাজস্থানে রয়েছি। কিন্তু শহরে যাঁরা রয়েছেন তাঁরা অবশ্যই ভোট দিন। প্রতিটি ভোট গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতকে আরও সুন্দর করার দায়িত্ব সকল দেশবাসীর।

জুহি চাওলা: সাধারণ নির্বাচনে প্রথম বার ভোট দিলাম। খুব খুশি আমার দায়িত্ব পালন করতে পেরছি। আমি পরিবর্তনের পক্ষে।

সোহা আলি খান: ২০০৯ সাধারণ নির্বাচনে মুম্বইয়ে ভোটের হার ছিল খুবই কম ৪১.৪ শতাংশ। আজ আবার একটা বড় দিন, এখন সময় ঘুড়ে দাঁড়ানোর।

কুণাল খেমু: এই মীরা রোডেই ১৮ বছর বয়স থেকে ভোট দিয়ে আসছি। আজ আমার নাম ভোটার লিস্টে না থাকায় ভোট দিতে পারলাম না। আশ্চর্যের বিষয়, আমার মত আরও অনেকে রয়েছেন এখানে। কিন্তু হতাশ হই নি।

প্রীতি জিন্টা: এখন সময় অভিযোগ জানানোর নয়, কাজ করে দেখানোর। হয় ভোট দিন না হয় চুপ করে থাকুন।

দিয়া মির্জা: পুলিশ ও নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ ভোট দেওয়ার অনুকূল পরিবেশ তৈরি করার জন্য।

শিল্পা শেঠী: প্রতিটি ভোট গুরুত্বপূর্ণ। ভোট দিয়ে নিজেকে এক জন দায়িত্ববান ভারতীয় নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলুন।

মধুর ভাণ্ডারকর: যাঁরা ভোট দিতে অনাগ্রহী তাঁদের কাছে একান্ত অনুরোধ ভোট দিন। পাঁচ মিনিট সময় পাঁচ বছরের ভবিষ্যত নির্ধারণ করবে।

 

 

২৪ এপ্রিল ২০১৪ | দক্ষিণ এশিয়া | ২০:৪৬:১১ | ১৫:৫২:৩৯

দক্ষিণ এশিয়া

 >  Last ›