A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

‘পণ্যের মান ও পরিমাণ বৃদ্ধি করলে ভারতের বাজার ধরা সম্ভব’ | Probe News

CPD2.jpgপ্রোবনিউজ, ঢাকা : পণ্যের গুণগত মান কমে যাওয়ায় ও চাহিদা সৃষ্টি করতে পারে এমন পণ্যের সংখ্যা কম হওয়ায় ভারতের বাজারে প্রবেশ করতে পারছে না বাংলাদেশ। এ কথা বলেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানিত ফেলো দেবপ্রিয় ভট্রাচার্য।
মঙ্গলবার সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ আয়োজিত ‘ভারতীয় বাজার ব্যবহারে বাণিজ্য সহজীকরণ’ শীর্ষক এক সেমিনারে বাংলাদেশের পণ্য ভারতে রপ্তানির ক্ষেত্রে শুল্ক সুবিধা, স্থল ও নৌ-বন্দরে সহজ যাতায়াত, সড়ক পথের উন্নয়ন, ভারতীয় বিনিযোগ বৃদ্ধি করা, রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ গঠন ও সর্বোপরি জাতীয় অর্থনীতিতে ভারতীয় বাজারের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেছেন বক্তারা।
গুলশানের লেকশোর হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, সিপিডির চেয়ারম্যান অধ্যাপক রেহমান সোবহান, ইন্দো-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট জনাব আবদুল মাতলুব আহমেদ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মাহবুব আহমেদ, এফবিসিসিআইয়ের সাবেক প্রেসিডেন্ট আব্দুল আউয়াল মিন্টু, সিপিডির ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যসহ আরো অনেকে। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডি’র নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক মুস্তাফিজুর রহমান।
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য্য বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক জ্ঞানের অভাব নেই, অভিজ্ঞতার অভাব নেই, সম্পদের অভাব নেই। উদ্যোগহীনতার অভাব ও কাজের ধারাবাহিকতার অভাবে রফতানি বাড়ছে না। সর্বোপরি, নেতৃত্বের অভাবে বাজার সুবিধা ধরতে ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ। সরকারের মধ্যে সমন্বয়হীনতাও রয়েছে। সরকারের কোন মন্ত্রণালয় এর নেতৃত্ব দেবে তা কখনোই নির্ধারিত হয়নি।’ তিনি আরো বলেন, ‘ভারতের পক্ষ থেকে অবাধ বাণিজ্য সুবিধা পাওয়ার পর আমাদের রপ্তানি সুবিধা বৃদ্ধি পেয়েছে। গেল অর্থ বছরে রফতানির হার কমেছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে নেতিবাচক দিকে চলে গিয়েছে। শুধুমাত্র বাণিজ্য সুবিধা পাওয়ার পরেই রফতানি বেড়েছে কিনা তা খতিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।’
সিপিডি’র চেয়ারম্যান রেহমান সোবহান সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘বিশ্ব বাজার ভারত থেকে যেসব পণ্য আমদানি করে এমন পণ্য রয়েছে হাজারের ওপরে। অথচ এসব পণ্য বাংলাদেশেরও রয়েছে। শুধুমাত্র একটি কারণেই বাজার সম্প্রসারণ হয় তা ঠিক নয়। বাজার সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে ভারতের দেয়া এই সুযোগ কিভাবে নিতে হবে তা নিয়ে কাজ করতে হবে। এজন্য পণ্যের মান বৃদ্ধির পাশাপাশি ভারতের বিনিয়োগকেও যুক্ত করতে হবে।’
বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেছেন, ‘বাংলাদেশের শুল্কমুক্ত সুবিধার জন্য নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠিত হয়েছে। নবগঠিত এই কমিটি বন্দরগুলো যাতায়াত ও বাণিজ্য ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘সেভেন সিস্টার্সে বাংলাদেশ হাইকমিশন করার সুবিধা পাচ্ছে। এরই মধ্যে গোহাটি ও চেন্নাইয়ে হাইকমিশন স্থাপিত হয়েছে। আর রেলপথে বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে অচিরে ভারতের সঙ্গে কন্টেইনার ট্রেন চালু হবে।’ বর্তমান সরকারের অধীনে বাংলাদেশের বাজারে ভারতের বিনিয়োগ দ্বিগুণ বৃদ্ধি পাওয়ার কথাও বলেন তিনি।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের বাজারে ভারতের বিনিয়োগ বৃদ্ধি করতে হলে ভারতীয় উদ্যোক্তাদের বিদ্যুৎ, গ্যাস, যানজট, সড়ক, বন্দরের সমস্যা দূর করতে হবে এবং নিষ্কন্টক জমি পাওয়ার নিশ্চয়তা দিতে হবে। রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে এসব সমস্যা সমাধানের ব্যাপারে সেমিনারে বক্তারা তাদের মতামত তুলে ধরেন।
প্রোব/এহ/জাতীয় ২২.০৪.২০১৪

২২ এপ্রিল ২০১৪ | জাতীয় | ২১:২৩:৪৫ | ১৩:৩৭:৫৫

জাতীয়

 >  Last ›