A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

মহাবিশ্বের ভেতরে-বাইরে মহাবিশ্ব! | Probe News

u3.pngপ্রোব নিউজ, ডেস্ক: বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের শুরুতে যা কিছু যেমন ছিল তেমনই আছে এবং ভবিষ্যতেও তাই থাকবে- এমন ধারণা ধাক্কা খেয়েছে আগেই। আমাদের এই পৃথিবী নামের গ্রহের বাইরে অন্য কোনো মহাবিশ্বের অস্তিত্ব যে অসম্ভব নয়; প্রকৃতি বিজ্ঞানীরা তা বলছেন বেশ আগে থেকেই। গবেষকদের মতে, শুধু অনেকগুলো বিশ্বের অস্তিত্ব আছে ব্যাপারটি তাই নয় বরং সে সংখ্যাটা অসীম। তবে পৃথিবীর বাইরে এখনও অন্য কোনো মহাবিশ্বের অস্তিত্ব শনাক্ত করতে পারেননি বিজ্ঞানীরা।

তবে ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৃতি বিজ্ঞানী অ্যান্থনি অ্যাগুয়িআর বলেন, ‍‘যদিও বিজ্ঞানীরা সরাসরি দেখতে পায়নি বা তাঁর অস্তিত্বের জানান দিয়ে পরমাণু ধারণ করতে পারেনন, তবুও আমি মনে করি যে, বিশ্বের বাইরে অন্য কোনো বিশ্বের অস্তিত্বের প্রমাণ হাজির করা সম্ভব । স্ফীতি তত্ত্বের মত প্রাকৃতিক প্রভাবজনিত কারণেই অনেকগুলো বিশ্বের অস্তিত্ব থাকা সম্ভব। বিগ ব্যাংয়ের পর থেকে বিশ্ব খুব দ্রুত বিস্তৃত হতে শুরু করে এবং তা বর্তমান সময় পর্যন্ত অব্যাহত আছে। কিন্তু স্ফীতির কারণে অস্তিত্বের সময় থেকে আরও অনেক দ্রুত বিস্তৃত হয় বিশ্ব।’

১৯৮০ সালে প্রকৃতি বিজ্ঞানী অ্যালান গুথ এ ধারণাটি দিয়ে বলেন যে তারপরও কেন যেন বিশ্বকে সবদিক থেকে একইরকম বলে মনে হয়। এর পরে তত্ত্বটি নিয়ে আবার চিন্তা-ভাবনাu-1.jpg শুরু করেন আন্দ্রেই লিন্ডে। সেসময় মহাজাগতিক বেতার তরঙ্গের পটভূমিকে পর্যবেক্ষণের আওতায় নিয়ে আসেন তিনি। ১৩ শ কোটি ৮০ লাখ বছর আগে বিশ্ব যখন থেকে বিস্তৃত হতে শুরু করেছে তখন থেকেই প্রথম মহাকর্ষীয় তরঙ্গের অস্তিত্বের প্রমাণ সনাক্ত করে অ্যান্টার্কটিকার বিসেপ টু টেলিস্কোপ।

বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের স্ফিতী কেন হয় সে প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানা নেই কারও কাছেই। তবে এখন পর্যন্ত পাওয়া সবচেয়ে যৌক্তিক কারণটি হচ্ছে প্রথম দিককার বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডে কোয়ান্টামের দ্রুত ওঠানামা। আর যেসব জায়গায় স্ফীতি হয় সেখানে বেশ কিছু মহাবিশ্ব গহ্বর তৈরি হয়। সেখানে জমা হয় পরমাণু, নক্ষত্র এমনকি গ্রহও। আর তাই বিজ্ঞানীদের মতে, আমাদের বিশ্বটিও হতে পারে সেরকমই একটি গহ্বর।

স্ফীতির তত্ত্বটি ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্য হলেও শাশ্বত স্ফীতির বিষয়টি অনেক কাল্পনিক। ক্যালিফোর্নিয়া ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি এর পদার্থ বিজ্ঞানী সিন ক্যারোল বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে বিষয়টি নিয়ে কল্পনার জগতে ভাসছি এবং এটি খুবই বিশ্বাসযোগ্য।’

u2.jpgআবার অন্য কিছু তত্ত্ব অনুযায়ী, প্রতিটি লুকায়িত মহাবিশ্বই বাবলের আকার তৈরি করে। আক্ষরিক অর্থে সম্ভাবনা সীমাহীন। কিছু মহাবিশ্ব বিকল্প বাস্তবতা তৈরি করে। এমন হতেই পারে ডলফিন শাসিত কোন পৃথিবীর অস্তিত্ব আছে সৌরজগতে!

ধারণা করা হয়, এ বাবল মহাবিশ্বগুলো সব সংযুক্ত। কিন্তু তাদের মধ্যে শাশ্বত স্ফিতী এখনও বিস্তৃত করছে আলোকগতির চেয়ে মহাকাশ-সময়কে। আর তাই বিশেষজ্ঞদের মতে আলোর চেয়ে বেশি গতিসম্পন্ন না হলে এক বাবল থেকে লাফিয়ে অন্য বাবলে যাওয়া সম্ভব নয়। আর আইনস্টাইনের তত্ত্ব অনুযায়ীএটি একেবারেই অসম্ভব। এগুয়িআরি বলেন, ‘আমাদের শরীরের প্রতিটি কণার মধ্যে স্ফীতি নিয়ে টিকে থাকতে হবে। আর তা কার্যকর অর্থে প্রায়োগিক নয়।’

মহাবিশ্বের বাইরে অন্য মহাবিশ্বের অস্তিত্ব নিয়ে প্রচলিত রয়েছে আরেকটি তত্ত্ব। এতে বলা হয়, একটি মহাবিশ্বের ভেতরেই রয়েছে আরেকটি মহাবিশ্বের স্বতঃস্ফুর্ত অস্তিত্ব। উদাহরণ হিসেবে বিজ্ঞানীরা বলেন, কেউ তার ডেস্ক ল্যাম্পটির দিকে তাকালে সেটাকে চালু অবস্থায় পেতে পারে। আবার ল্যাম্পটি বন্ধ করলে একইসময়ে তৈরি হতে পারে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি বাস্তবতা। যেন ভিন্ন এক জগত!

প্রোব/ফাউ/আন্তর্জাতিক ১৬.০৪.২০১৪

 

১৬ এপ্রিল ২০১৪ | আন্তর্জাতিক | ১০:৫৩:৫৯ | ১৬:০৩:১৯

আন্তর্জাতিক

 >  Last ›