A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

মঙ্গলের তরে গান গেয়ে যাই | Probe News

nobo21.jpgখোরশেদ আলম, প্রোবনিউজ: মঙ্গল শোভাযাত্রা। বাঙালির বর্ষবরণ আয়োজনের সঙ্গে ওতোপ্রতোভাবে মিশে আছে এ দুটি শব্দ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইন্সটিটিউটের উদ্যোগে প্রতিবছরই পহেলা বৈশাখে আয়োজন করা হয় এ শোভাযাত্রার। চারুকলার শিক্ষক শিক্ষার্থী ছাড়াও এতে অংশ নেন সর্বস্তরের মানুষ। সকল জীর্ণতা এবং গ্লানি মুছে নতুনের আগমনকে বরণ করে নিতে বিভিন্ন ধরনের প্রতীকী শিল্পকর্ম বহন করা হয়ে থাকে এই শোভাযাত্রায়। এতে থাকে বাংলা সংস্কৃতির পরিচয়বাহী নানা প্রতীকী উপকরণ, রং বে-রংয়ের মুখোশ ও বিভিন্ন প্রাণীর প্রতিলিপি।
প্রতিবছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের উদ্যোগে শোভাযাত্রার আয়োজন করা হলেও এর সূচনা যশোর থেকে। ১৯৮৫ সালে শহরটির চারুপীঠ থেকে আয়োজন করা হয় শোভাযাত্রার। আর রাজধানীতে প্রথমবারের মত ১৯৮৯ সালে মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ। এতে স্থান পায় পাপেট, ঘোড়া, হাতিসহ নানা শিল্পকর্মের প্রতিকৃতি। আর এর পর থেকে ধারাবাহিক চলতে থাকে শোভাযাত্রা। যথারীতি ১৯৯০ এর আনন্দ শোভাযাত্রায়ও স্থান পায় নানা ধরনের শিল্পকর্মের প্রতিকৃতি । তবে চারুকলার শোভাযাত্রা জনপ্রিয়তায় নতুন মাত্রা লাভ করে ১৯৯১ সালে।
শোভাযাত্রায় প্রতিবছর নতুন নতুন স্লোগানের মাধ্যমে বরণ করে নেয়া হয় পহেলা বৈশাখকে। আর তা নির্ধারিত হয়, মূলত দেশীয় সংস্কৃতি, রাজনীতি, মূল্যবোধ, বিশ্বাস, চলমান পরিস্থিতি কিংবা দেশের আলোচিত বিষয়কে কেন্দ্র করে। আর এ বছরটিও তার ব্যতিক্রম নয়।
এ নিয়ে ২৬তম মঙ্গল শোভাযাত্রা করতে যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইন্সটিটিউট। এবারের শোভাযাত্রার মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ‘জাগ্রত করো, উদ্যত করো, নির্ভয় করো হে’। এই স্লোগানে বুঝানো হয়েছে আমাদের সমৃদ্ধি, সুখ ও ভালোবাসার প্রতীক। এগুলো আমাদের4.jpg সব বাধা ছিন্ন করে সাহসী হয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে অনুপ্রেরণা দেয়।’
এর আগে রাজাকারমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে সারাদেশে একযোগে ২০১৩ সালে পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়েছিল। সেসময় মানবতাবিরোধী অপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে উত্তাল ছিল রাজধানীর শাহবাগসহ সারা দেশ । আর তা মাথায় রেখে ঐ বছরের মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রতিপাদ্য ঠিক করা হয় ‘রাজাকারমুক্ত বাংলাদেশ, মুক্তিযুদ্ধের অনিঃশেষ’।
২০১২ সালের মঙ্গল শোভাযাত্রার মূল ভাবনা ছিল ‘সমুদ্র বিজয়’। এ বছর বাংলাদেশ-মিয়ানমার সমুদ্রসীমা নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা নিরসন হয় এবং বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক আদালতের মাধ্যমে ন্যায্য দাবি প্রতিষ্ঠা করে।
এর আগের বছরগুলোতেও মৌলবাদ বা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান নিয়ে আযোজিত হয়েছিল মঙ্গল শোভাযাত্রার।
প্রোব/ খোআ/ জাতীয়/ ১৩. ০৪ .২০১৪

 

১৩ এপ্রিল ২০১৪ | জাতীয় | ২১:৩০:৫৮ | ১৫:৫৬:১৭

জাতীয়

 >  Last ›