A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

মাইনাস হাওলাদার | Probe News

ruhulamin2আনোয়ার পারভেজ হালিম, প্রোবনিউজ: জাতীয় পার্টির মহাসচিব রুহুল আমীন হাওলাদার এবং জিয়াউদ্দীন বাবলু দুজনেই বৃহস্পতিবার সংসদের বিকেলের অধিবেশনে যোগ দেন। সংসদে থাকাকালে এরশাদের চিঠি হাতে পান বাবলু। তাকে জাতীয় পার্টির মহাসচিব পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে সংসদ ভবনে ছড়িয়ে পড়ে এ খবর। আগে থেকেই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রুহুল আমীন হাওলাদারের এ্যাপয়েনমেন্ট ছিল। তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখাও করেন।
জাতীয় পার্টির সূত্র মতে, প্রধানমন্ত্রীর কক্ষে রুহুল আমীন হাওলাদারের বৈঠক চলাকালে বরিশালের কয়েকজন আওয়ামীগ লীগ নেতা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। জাপার মহাসচিব বদলের খবর শুনে মন্তব্য করেন, "হাওলাদারকে ছাড়া জাতীয় পার্টি চলবে কী করে!" বাবলুকে মহাসচিব করা হয়েছে শুনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও এরশাদের নাম উল্লেখ করে মন্তব্য করেন।
বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদও ছিলেন সংসদে। তাঁর মন্তব্য - ‘আমি তো সংসদীয় দলের বিষয়ে দেখভাল করি। মহাসচিব রদবদলের ব্যাপারটি আমার নয়।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে জাতীয় পার্টি একাধিক সূত্র জানায়, রুহুল আমীনের সঙ্গে এরশাদ, রওশন এবং সরকারের কিছুদিন ধরেই সম্পর্ক ভাল যাচ্ছিলনা।
জানা গেছে, ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে এরশাদ সিএমএইচে থাকাকালে রুহুল আমীন হাওলাদার নিয়মিত তাঁর সঙ্গে দেখা করতেন, একই সঙ্গে তিনি সরকারের শীর্ষ মহলের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেন। এসময় রওশন তাকে একাধিকবার ডেকে পাঠালেও তিনি দেখা করেন নি। এতে রওশন যেমন ক্ষুব্ধ হন, তেমনি সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার কারণে রুহুল আমীনের প্রতি এরশাদেরও মোহ কাটতে শুরু করে।
এবারের উপজেলা নির্বাচনে রুহুল আমীন তার ভাই সুলতান হাওলাদারকে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী করেন। নির্বাচনী গোলযোগের কারণে পুলিশ ভোটগ্রহণ বন্ধ করে দেয় এবং নির্বাচন কমিশন ৫টি কেন্দ্রের ভোট স্থগিত করে। যদিও আওয়ামী লীগ প্রার্থী শাজাহান হাওলাদার ১৭শ ভোট এগিয়ে ছিলেন। পরবর্তীতে সুলতান হাওলাদার হেরে যাওয়ার আশঙ্কায় আওয়ামী লীগের সঙ্গে হাত মিলায়।
জানা যায়, আওয়ামী লীগের বিপক্ষে ভাইকে প্রার্থী করার বিষয়টি সরকার যেমন ভালভাবে নেয়নি, তেমনি রওশনপন্থীরাও সহজে নেয়নি। এ নিয়ে জাপার চিফ হুইপ তাজুল ইসলাম চৌধুরীর সঙ্গে রুহুল আমীনের দ্বন্দ্ব হয়। এভাবে একটু একটু করে রওশন ও সরকারের সঙ্গে রুহুল আমীনের দূরত্ব সৃষ্টি হয়। জাতীয় পার্টিতে তাকে দিয়ে সরকারেরও কোন স্বার্থ রক্ষা হচ্ছিল না। একে একে তিনি সব পক্ষের কাছে অবিশ্বস্ত হয়ে উঠেন। এ জন্যই দীর্ঘ ১৪ বছর মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করলেও আকস্মিক তাকে বিদায় নিতে হয়েছে।
প্রোব/পি/রাজনীতি/১১.০৪.২০১৪

১১ এপ্রিল ২০১৪ | জাতীয় | ১৯:১৩:২৪ | ১৬:৪৮:০২

জাতীয়

 >  Last ›