A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

বাদ দিলেন এরশাদ; নেপথ্যে রওশন! | Probe News

ruhul amin1বেলায়েত হোসাইন, প্রোবনিউজ: দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে দায়িত্ব পালন করে আসা পদ থেকে হুট করে ছিটকে পড়বেন এমনটা কখোনোই ভাবেননি জাতীয় পার্টির সদ্য বিদায়ী মহাসচিব ও সাংসদ এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার। এমনকি বাদ দেয়ার বিষয়টি দীর্ঘদিনের এই বিশ্বস্ত সহচরকে জানানোর প্রয়োজন মনে করেননি এরশাদ। পার্টির সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারাও জানতেন না এই খবর। তবে হাওলাদারের বিদায়ের নেপথ্যে রয়েছে অনেকগুলো কারণ। প্রোবনিউজের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে অনেক তথ্য।


সরকার ও রওশনের অপছন্দ
গত মহাজোট সরকারের শুরু থেকেই রুহুল আমিন হাওলাদার ছিলো সরকারের অপছন্দনীয়। দলের মধ্যে কথিত আছে, ওই সময়ের পুরোটাই বিএনপিপন্থী হিসেবে কাজ করেছেন তিনি। এরপর ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে নতুন করে বিতর্কিত হন তিনি। এরশাদের নির্দেশ অমান্য করে নির্বাচনে থেকে যাওয়া রওশন এবং রওশনপন্থী কারোরই পছন্দের নন হাওলাদার। মূলত মহাসচিবকে পরিবর্তনের দাবিটি দলীয় ফোরামে তোলে রওশনপন্থীরাই। 


দুদকই হাওলাদারের কাল
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হলফ নামায় দেয়া তথ্যের বাইরে অতিরিক্ত সম্পদ থাকায় গত ৯ এপ্রিল হাওলাদারের অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। দুদক সূত্রে জানায়, হলফ নামার বাইরে কে আর ফ্যাশনের নামে কুয়াকাটায় হাওলাদারের রয়েছে কয়েকশ’একর জমি। যদিও একটি গণমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাতকারে হাওলাদার দবি করেছেন, ‘তাকে এই পদ থেকে সরানোর জন্য দুদক থেকে সম্পদের হিসাব চাওয়াসহ নানা নাটক সাজানো হয়েছে। দলের একটি চক্র এর সঙ্গে যুক্ত’। তবে শুক্রবার সকালে সাংবাদিকদের এরশাদ নিজেও বলেন, ‘হাওলাদারের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ রয়েছে, ‘এটাও একটা বিষয়। তবে আমি দলকে সুসংগঠিত করতেই মহাসচিব পরিবর্তন করেছি।’ 


এরশাদকে কোনঠাসা করতে চাপ প্রয়োগ
জানা গেছে, জাতীয় পার্টিকে পুরোপুরি রওশনের কব্জায় নিতে এবং সরকারের অনুগত করে রাখতে এরশাদকে দিয়েই মহাসচিব বদল করানো হয়েছে। কারণ, জিয়াউদ্দিন আহম্মেদ বাবলু আগ থেকে দলের মধ্যে আওয়ামীপন্থী নেতা হিসেবে পরিচিত। পরবর্তিতে এরশাদের নির্দেশ অমান্য করে নির্বাচনে থেকে যাওয়ায় রওশনের আস্থায় চলে আসেন। যদিও এসব অভিযোগ অস্বীকার করে এরশাদ বলেছেন, ‘রওশনের সঙ্গে দন্দ্বের ধারণা ভুল প্রমাণ করেতই মহাসচিব পদে পরিবর্তন আনা হয়েছে’। এরশাদ এও বলেছেন, সরকার আরো ৫ বছর ক্ষমতায় থাকবে। এ সময়েই বাবলুকে সঙ্গে নিয়ে দলকে সুসংগঠিত করবো। এরশাদের এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় পার্টির এক প্রেসিডিয়াম সদস্য বলেন, স্যারের (এরশাদ) এ বক্তব্যে স্পষ্ট যে হাওলাদার বাদ পড়ার পেছনে রওশনপন্থী ও সরকারের অদৃশ্য হাত রয়েছে।

হাওলাদারের বিরুদ্ধে পোস্টারিং
সম্প্রতি জাপা চেয়ারম্যানের বনানীর কার্যালয় ও কাকরাইলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মহাসচিব পদ থেকে হাওলাদারের অপসারণের দাবিতে পোস্টারিং করা হয়। এ প্রসঙ্গে গত ২ এপ্রিল যুব সংহতির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে হাওলাদার বলেছেন, এরশাদ চাইলে পার্টির মহাসচিব থাকবো না। এজন্য পোস্টারিং করার প্রয়োজন নেই। জানা গেছে, রওশনপন্থী নেতারাই এ পোস্টারিংয়ের সঙ্গে জড়িত।

 


প্রোব/বিএইচ/রাজনীতি/১১.০৪.২০১৪

১১ এপ্রিল ২০১৪ | জাতীয় | ১৮:৩৪:০১ | ১৬:৫৪:০৮

জাতীয়

 >  Last ›