A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

বঙ্গবন্ধু দেশের প্রথম 'অবৈধ প্রধানমন্ত্রী': তারেক | Probe News

Tareq Rhaman.jpgপ্রোবনিউজ, লন্ডন: আবারও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের তীব্র সমালোচনা করেছেন বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারপার্সন তারেক রহমান । এবার শেখ মুজিবকে বাংলাদেশের প্রথম ''অবৈধ প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তারেকের দাবি, বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা চাননি, তিনি চেয়েছিলেন স্বায়ত্বশাসন। মঙ্গলবার লন্ডনের ওয়েস্ট মিনিস্টরের সেন্ট্রাল হলে আয়োজিত সুধী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক বলেন, "১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গৃহীত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র উপেক্ষা করে বঙ্গবন্ধু প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। একারণে তিনি বৈধ ছিলেন না।"
তারেক রহমান ঘোষণাপত্রের একটি বক্তব্য তুলে ধরেন। সেখানে লেখা রয়েছে, "এতদ্বারা দৃঢ়ভাবে ঘোষণা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিতেছি যে, সংবিধান প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত শেখ মুজিবুর রহমান প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতি থাকিবেন এবং সৈয়দ নজরুল ইসলাম প্রজাতন্ত্রের উপ-রাষ্ট্রপতি থাকিবেন”। তারেক বলেন, "কিন্তু ৭২ সালের ১০ জানুয়ারি স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে শেখ মুজিব ১২ জানুয়ারী কিভাবে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন? তখনও তো সংবিধান প্রণীত হয়নি। " তিনি বলেন, "অপ্রিয় হলেও সঠিক ইতিহাসের স্বার্থেই ইতিহাসের কঠিন সত্যগুলো বলা প্রয়োজন।”
তারেক রহমান বলেন, "শেখ মুজিব যেভাবে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করেন, একইভাবে তার মেয়েও বর্তমানে অবৈধভাবে ক্ষমতা আঁকড়ে আছেন।”
তারেক রহমান ২০১০ সালের অক্টোবর মাসে ‘সাপ্তাহিক’ পত্রিকায় প্রকাশিত ডক্টর কামাল হোসেনের একটি সাক্ষাৎকারের উদ্বৃতি দিয়ে বলেন, "শেখ মুজিব মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরেছিলেন পাকিস্তানি পাসপোর্ট নিয়ে। পাকিস্তানি পাসপোর্ট নিয়ে দেশে ফিরে হয়ে গেলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে তিনি জাতিসংঘের ট্রাভেল ডকুমেন্ট নিয়ে ফিরতে পারতেন। কিন্তু তিনি সেটিও করেননি।"
অনুষ্ঠানে তারেক রহমান ২৫শে মার্চ বাংলাদেশের ৩৪তম স্বাধীনতা দিবসে আয়োজিত অনুষ্ঠানের নিজের বক্তব্যের উদ্বৃতি দিয়ে বলেন, "ওই অনুষ্ঠানে ইতিহাসের আলোকে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে বলা হয়েছিল জিয়াউর রহমানই বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি এবং স্বাধীনতার ঘোষক। কিন্তু এ বক্তব্যের পর আওয়ামী লীগের কোনো নেতাই কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যা না দিয়ে অশ্লীল কথা বলেছেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানকে ছোট করতে গিয়ে শেখ হাসিনা বলেছেন, ৪০০ টাকার মেজর। এ ধরণের মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বরং মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধকেই অপমান করেছেন। কারণ এই ৪০০ টাকার মেজর, ২০০ টাকার ক্যাপ্টেন, ১০০ টাকার সিপাহী, ৫০ টাকার কৃষক কিংবা লুঙ্গি পরা গামছা পরা স্বাধীনতাকামী মানুষগুলোই কখনো একবেলা অথবা আধাবেলা খেয়ে না খেয়ে মুক্তিযুদ্ধ করেছিলেন। আওয়ামী লীগ নেতাদের মতো নিরাপদে কলকাতা পাড়ি জমালে মুক্তিযুদ্ধ হতো না।”
প্রোব/শামা/জাতীয় ০৯.০৪.২০১৪

 

৯ এপ্রিল ২০১৪ | জাতীয় | ১১:২৫:০৫ | ১৭:৫৫:৪৩

জাতীয়

 >  Last ›