A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

১৮ দলীয় জোটে অবহেলিত ইসলামী শরিকরা | Probe News

18 party logo.JPGবেলায়েত হোসাইন, প্রোবনিউজ: ১৮ দলীয় জোটের প্রধান শরিক বিএনপির সঙ্গে ইসলামী দলগুলোর টানাপোড়েন চলছে। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সরকার বিরোধী আন্দোলন ও চতুর্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীতা দেয়া নিয়ে মতদ্বৈতাসহ বিভিন্ন ইস্যুতে বিএনপির সঙ্গে তাদের এ দুরত্ব। আঠারো দলের শরিক কয়েকটি ইসলামী দলের নেতারা জানিয়েছেন, বিএনপি তাদের গুরুত্ব দিচ্ছে না। সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের মতামতকে প্রধান্য দেয়া হয় না।
তবে ইসলামী দলগুলো বিএনপির ওপর আড়ালে ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ নিয়ে প্রকাশ্যে বিরোধে যেতে চায় না। যদিও বিএনপি নেতারা বলছেন এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন ।
আঠারো দলীয় জোটে শরিক ইসলামী দলগুলো হলো- বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, আব্দুল লতিফ নেজামীর নেতৃত্বাধীন ইসলামী ঐক্যজোট, মাওলানা ইসহাকের নতৃত্বাধীন খেলাফত মজলিশ, আব্দুল মুবিনের নেতৃত্বাধীন ইসলামিক পার্টি এবং মুফতি ওয়াক্কাসের জমিয়তে উলামে ইসলাম। এদের মধ্যে একমাত্র জামায়াত সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী হওয়ায় জোটে তাদের আলাদা প্রভাব রয়েছে। অন্য দলগুলো অবহেলিত ও কোনঠাসা।
জানা গেছে, চতুর্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াতের মতই বেশ কিছু উপজেলায় জোটের সমর্থন নিয়ে প্রার্থী দিতে চেয়েছিলো এই দলগুলো। কিন্তু স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতের প্রভাবের কারণে তারা প্রার্থী দিতে পারেনি, আর বিএনপিও এ ব্যাপারে তাদের সহায়তা করেনি। এদের মধ্যে শুধু ইসলামী ঐকজোটকে চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায় ভাইস-চেয়ারম্যানে পদটি ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। ওই উপজেলায় জয়লাভও করে দলটি। আরো ৮ টি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে জোটের সমর্থনি নিয়ে নির্বাচন করতে চাইলেও মাত্র ৩টি উপজেলায় নির্বাচন করতে পেরেছে দলটি। সেগুলোতে ছিলোনা জোটের সমর্থন। এছাড়া বাকি ইসলামী দলগুলোকেও একটি উপজেলায়ও ছাড় দেয়নি বিএনপি।
উপজেলা নির্বাচনের আগে জোটের ইসলামী শরীকরা আলোচনায় বসতে চাইলেও বিএনপি তা মাথায় নেইনি বলে জানা গেছে।
এ ব্যাপারে ইসলামী ঐক্যজোটের এক নেতা বলেন, জোটের সকল সিদ্ধান্তে থাকে বিএনপির আধিপত্য। আমাদের কথার কোন মূল্যই নেই তাদের কাছে। উপজেলা নির্বাচনে আমাদের দলকে পুরোপুরি অবহেলা করেছে বিএনপি-জামায়াত।
তবে এসব বিষয় নিয়ে কোন মন্তব্য করতে চাননি ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ নেজামী। তিনি বলেন, সকল সিদ্ধান্ত জোটগতভাবেই নেওয়া হয়।
জোটের আরেক শরিক খেলাফত মজলিশের মহাসচিব আহমদ আব্দুল কাদের বাচ্চু প্রোবনিউজকে বলেন, আমরা জোটের প্রধান শরিকের খুব কাছেরও, না আবার দূরেরও না। তাছাড়া, এখনতো আন্দোলনই কার্যকর নেই, তাই আমাদের মূল্যায়নও নেই।
ইসলামিক পার্টির প্রধান আব্দুল মোবিন বলেন, প্রত্যেকটা জোটই হয় একটা মুখ্যদলকে কেন্দ্র করে। সে হিসেবে ছোট-খাটো দলগুলো খুব বেশি মূল্যায়ন পাওয়ার কথা না। ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রশ্নে জোটে নানা মতের সৃষ্টি হয়েছে । তবে আশা করি আগামী দিনের আন্দোলনে আমাদের গুরুত্ব দেয়া হবে।
আঠারো দলের সঙ্গে ইসলামী দলগুলোর টানাপোড়েনের বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ-এর কোন নেতা।
এদিকে গত চার মাস ধরে আঠারো দলীয় জোটের কোন বৈঠকও হচ্ছে না বলে জোট সূত্রে জানা গেছে। সূত্র বলছে, চার মাস আগে যে বৈঠকটি হয়েছিলো সেখানেও ইসলামী দলগুলোর নেতাদের মতামতের কোন গুরুত্ব দেয়নি প্রধান শরিক বিএনপি।
এ প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জে (অব.) মাহবুবুর রহমান বলেন, আঠারোদলীয় জোটের বৃহত্তর লক্ষ্য হচ্ছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে আনার আন্দোলন। সেই দাবি আদায়ে জোটের প্রত্যেকটি দলই একমত এবং আন্দোলনে সক্রিয় রয়েছে।
প্রোব/বিএইচ/রাজনীতি/০৮.০৪.২০১৪

৮ এপ্রিল ২০১৪ | জাতীয় | ১৬:৩২:৫৪ | ১১:১৩:০১

জাতীয়

 >  Last ›