A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

অর্থপাচারে মোশাররফের স্ত্রীর সংশ্লিষ্টতা! | Probe News

dudok.jpgপ্রোবনিউজ, ঢাকা: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফের স্ত্রী বিলকিস আক্তার যুক্তরাজ্যে অর্থ পাচার করেছেন। স্বামীর সঙ্গে অর্থ পাচারে তারও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার খন্দকার মোশাররফের স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্ত কর্মকর্তা ও উপ পরিচালক আহসান আলী দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের কাছে এ দাবি করেন। তিনি বলেন, বিলকিস আক্তার যৌথ অ্যাকাউন্টের সত্যতা স্বীকার করেছেন এবং টাকা পাচারে তারও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে।

এর আগে দুদক কার্যালয়ে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে দশটা থেকে সোয়া ১২টা পর্যন্ত বিলকিস আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন দুদকের এই কর্মকর্তা। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাংবাদিকরা প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে বিলকিস আক্তার বলেন, আমাকে দুদক হাজির হতে নোটিশ দিয়েছে। আমি যা বলার দুদককে বলেছি।

দুদক জানায়, যুক্তরাজ্যের লয়েডস্ টিএসবি অফশোর প্রাইভেট ব্যাংকে খন্দকার মোশাররফ ও স্ত্রী বিলকিস আক্তার হোসেনের যৌথ অ্যাকাউন্টে ৮ লাখ ৪ হাজার ব্রিটিশ পাউন্ড জমা রয়েছে। বাংলাদেশি টাকায় এর পরিমাণ ৯ কোটি ৫৩ লাখের বেশি। দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে এ অর্থপাচারের বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় মোশাররফের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। জামিনের আবেদন বাতিল হয়ে মোশাররফ বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

যেহেতু এ অ্যাকাউন্টটি যৌথভাবে খন্দকার মোশাররফ ও তার স্ত্রীর,তাই স্ত্রী বিলকিস আক্তারকেও তলব করে দুদক। যুক্তরাজ্যে মোট ৯ কোটি ৫৩ লাখ ৯৫ হাজার টাকা অর্থ পাচারের অভিযোগে গত ৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর রমনা মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করে দুদক।
দুদকের পরিচালক নাসিম আনোয়ার বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নিযুক্ত করা হয় দুদকের উপ পরিচালক আহসান আলীকে।

মামলার প্রেক্ষিতে গত ১২ মার্চ রাতে গুলশানের নিজ বাসভবন থেকে খন্দকার মোশাররফকে গ্রেফতার করে দুদকের একটি বিশেষ টিম। গ্রেফতারের পরদিনই ঢাকা ম‍ুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে তার বিরুদ্ধে তিনদিনের রিমান্ডের আবেদন করে দুদক। রিমান্ড শেষে বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন খন্দকার মোশাররফ।

এজাহারে বলা হয়, বিগত চারদলীয় জোট সরকারের সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকাকালে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সময়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতির মাধ্যমে মোট ৯ কোটি ৫৩ লাখ ৯৫ হাজার ৩৮১ টাকা অর্জন করেছেন খন্দকার মোশাররফ। পরে গোপনে যুক্তরাজ্যের লয়েডস টিএসবি অফশোর প্রাইভেট ব্যাংকে নিজের ও স্ত্রী বিলকিস আক্তার হোসেনের নামে যৌথ হিসাবে ওই পরিমাণ অর্থ জমা করেন।

ওই ব্যাংকের ১০৮৪৯২ নম্বর হিসাবে ফিক্সড টার্ম ডিপোজিট হিসেবে এই অর্থ জমা করা হয়। সরকারের কোনো অনুমতি ছাড়াই গোপনে অসৎ উদ্দেশ্যে দেশ থেকে অর্থ পাচার করে তিনি মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা, ২০০৯-এর ৪ ধারা লঙ্ঘন করেছেন বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

প্রোব/বান/জাতীয় ০৮.০৪.২০১৪

৮ এপ্রিল ২০১৪ | জাতীয় | ১৪:২২:৫৯ | ১৩:২৫:৫৪

জাতীয়

 >  Last ›