A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

এপ্রিলে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যেতে পারে | Probe News

Weather 5.jpgপ্রোব নিউজ, ঢাকা: মার্চের মতো এপ্রিলেও গড় তাপমাত্রা রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে। এমনটি আশঙ্কা করছেন আবহাওয়াবিদরা। এ মাসে দেশের ওপর দিয়ে একাধিক তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এ সময়ে দৈনিক গড় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রী সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যেতে পারে বলেও আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে। এতে দেশের কৃষিসহ জনজীবনে নানান সংকট দেখা দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এপ্রিলে দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ওপর দিকে একটি তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এসময়ে ওই অঞ্চলে দিনের গড় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রী ছাড়িয়ে যাবে। এছাড়া অন্যান্য জেলাসমূহের ওপর দিয়ে তিনটি মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। তাপমাত্রা গড়ে ৩৮ ডিগ্রী থেকে ৪০ ডিগ্রী সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে এ সময়। তবে এ মাসে বৃষ্টিপাত স্বাভাবিকের তুলনায় কম হলে তাপমাত্রা আরো বাড়তে পারে।
চলতি চরমভাবাপন্ন আবহাওয়া সম্পর্কে অধিদপ্তরের একজন বিশেষজ্ঞ কর্মকর্তা বলেছেন, ঋতুচক্রের এ সময়ে দিন বড় হচ্ছে। ভৌগলিক কারণে বাংলাদেশ অঞ্চলের ওপর সূর্যের কিরণ পড়ছে খাড়া হয়ে। পাশাপাশি স্বাভাবিকের তুলনায় বৃষ্টিপাত কম হলে গরম অনুভূতি বাড়বে সেটাই স্বাভাবিক।
Weather Pix 2.jpgএদিকে বিদায়ী মার্চ মাসে স্বাভাবিকের তুলনায় ৬৬ শতাংশ কম বৃষ্টিপাত হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অদিদপ্তর। মার্চের প্রথম সপ্তাহে রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগের দু’এক জায়গায় হালকা বৃষ্টি হলেও মাসের অধিকাংশ সময়ই ছিল বৃষ্টিহীন। এর প্রভাবে ২৭ থেকে ৩১ মার্চ রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার তাপ প্রবাহ বয়ে যায়। কমে আসে দিন ও রাতের তাপমাত্রার ব্যবধান। এ সময় ২৯ মার্চ রাজশাহীতে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৯ দশমিক ৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। যা স্বাভাবিকের তুলনায় সাত আট ডিগ্রী বেশি। পরের দিনে পটুয়াখালীর খেপুপাড়ায় তাপমাত্রা ছিল ৩৯ দশমিক ৪ ডিগ্রী সেলসিয়াস। তাও স্বাভাবিকের তুলনায় সাত-আট ডিগ্রী বেশি বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
একই ধারাবাহিকতায় ঢাকা, টাঙ্গাইল, মাদারিপুর, ফরিদপুর, রাঙ্গামাটি, শ্রীমঙ্গল এবং সৈয়দপুর অঞ্চলসহ রাজশাহী এবং খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা আরো কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।
এদিকে তীব্র এ গরমের প্রভাব ইতিমধ্যে পড়েছে দেশের কৃষিতে। বিশেষ করে কৃষককে স্বাভাবিকের তুলনায় অতিরিক্ত সেচ দিতে হচ্ছে বোরো ফসলের ক্ষেতে। কৃষকরা জানিয়েছেন, স্বাভাবিক সময়ে সপ্তাহে যেখানে ১৫ ঘন্টা সেচ দিতে হতো সেখানে এই গরমে সেচ দিতে হচ্ছে ৪০ ঘন্টা। এতে বাড়ছে সেচ খরচ।
পাশাপাশি গরমে জ্বর, সর্দি, কাঁশি, ডায়রিয়া, পানিশূন্যতা এবং জলবসন্তসহ স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের সাবেক পরিচালক ডা. এম মহাদ্দেস হোসেন বলেন, গরমে সবচেয়ে বড় ক্ষতি হচ্ছে অতিরিক্ত ঘামের কারণে শরীরের পানি কমে যায়। তাই পানিশূন্যতার হাত থেকে বাঁচতে ঘন ঘন তরল জাতীয় খাবার খাওয়া উচিত। তবে রাস্তার পাশের খোলা খাবারসহ শরবত কোন অবস্থায়ই খাওয়া ঠিক নয়। এতে ডায়রিয়ার ঝুঁকি বাড়বে।
এছাড়া গরমে শিশুদের ডায়রিয়ার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে ডা. মহাদ্দেস হোসেন বলেন, অবশ্যই শিশুদের খাবারের প্রতি নজর রাখতে হবে। খোলা ও বাসি খাবার খাওয়ানো থেকে বিরত থাকতে হবে।
প্রোব/শর/জাতীয়/৩ এপ্রিল ২০১৪

৪ এপ্রিল ২০১৪ | জাতীয় | ১০:৪৭:৪১ | ১০:৪৫:২৫

জাতীয়

 >  Last ›