A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

সাংবাদিককে সাংসদের থাপড় | Probe News

Chapai.jpgপ্রোবনিউজ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ: চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনের সরকারদলীয় সাংসদ আব্দুল ওদুদ বাংলাদেশ টেলিভিশন ও দৈনিক যুগান্তরের চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি এবং স্থানীয় একটি পত্রিকার সম্পাদক এমরান ফারুককে থাপড় মেরেছেন। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। সাংবাদিককে মারার কথা স্বীকার করেছেন সাংসদ।
সাংবাদিক এমরান ফারুক দাবি করেন, শহরের মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত করতে যান প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের একজন উপসহকারী পরিচালক। সেখানে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। তদন্ত বিষয়ে জানার জন্য তিনি সেখানে যান। এর কিছুক্ষণ পর সেখানে যান আওয়ামী লীগের সাংসদ আব্দুল ওদুদ।
এমরান ফারুক আরও বলেন, সাংসদ তাঁকে দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং সেখান থেকে চলে যেতে বলেন। একপর্যায়ে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করলে তিনি এর প্রতিবাদ করেন। এতে আরও ক্ষিপ্ত হয়ে সাংসদ তাঁকে চড়-থাপড় ও লাথি মারেন বলে তিনি অভিযোগ করেন। সাংসদের সঙ্গে যোগ দেন জেম নামে তাঁর একজন সহযোগীও। তাঁরা দুজন মারতে মারতে তাঁকে ঘর থেকে বের করে নিয়ে যান। একপর্যায়ে তিনি সেখান থেকে পালিয়ে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের কক্ষে গিয়ে আশ্রয় নেন। মারধরের এ ঘটনা সেখানে উপস্থিত অনেকেই দেখেছেন।
তদন্তে আসা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক দেবেস সরকারের দাবি, ‘তদন্ত কার্যক্রম শুরুর আগেই সেখানে উপস্থিত হন সাংবাদিক এমরান ফারুক এবং তদন্ত সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করেন। এ নিয়ে সাংসদ আব্দুল ওদুদ ও এমরান ফারুক বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। অপ্রীতিকর কোনো ঘটনা ঘটে থাকলে কক্ষের বাইরে ঘটেছে।’
একই মন্তব্য করেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুস সাত্তার সরকার।
এ ব্যাপারে সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি রুহুল আমীন বলেন, ‘মার খেয়ে এমরান ফারুক আমার অফিসে এসে আশ্রয় নেন। প্রকাশ্যে একজন সাংবাদিককে এভাবে মারধর করা ন্যক্কারজনক। আমি এর নিন্দা জানাই। এমরান ফারুক জেলা আওয়ামী লীগেরও একজন নেতা (যুগ্ম সম্পাদক)। দলীয় ফোরামেও এ অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাব।’
অভিযোগের বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাংসদ আব্দুল ওদুদ বলেন, ‘শহরের মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মারুফুল হক ভালো ছেলে এবং আমাদের দলের সমর্থক। অবৈধ সুবিধা না পেয়ে এমরান ফারুক তাঁর বিরুদ্ধে অন্যকে দিয়ে অভিযোগ করিয়েছেন। তদন্তে আসা কর্মকর্তার সামনেই তদন্ত সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করেন। আমি তাঁকে বলি, চলেন আমরা সবাই এই কক্ষ থেকে চলে যাই এবং তদন্ত কর্মকর্তাকে সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করার সুযোগ দিই। এতে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে আজেবাজে কথা বলেন। আমি রাগ সংবরণ করতে না পেরে তাঁকে একটি থাপড় মেরেছি। এটা সাংসদ বনাম সাংবাদিকের বিষয় নয়। তিনি আমাদের দলের লোক। এটা দলের অন্তর্দ্বন্দ্বের বিষয়। দলীয়ভাবেই এর সুরাহা করব।’
প্রোব/বান/জাতীয় ০৩.০৪.২০১৪

৩ এপ্রিল ২০১৪ | জাতীয় | ১৭:০৪:৪০ | ০০:৩২:২৫

জাতীয়

 >  Last ›