A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

শুরু হলো সেমিফাইনালের লড়াই | Probe News

T-20 logo2.jpgপ্রোবনিউজ, ঢাকা : বিশ্বকাপের ফাইনাল মানেই অন্য রকম উত্তেজনা। কিন্তু টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালের আগেই বিশ্ব ক্রিকেট সেমিফাইনালে দেখবে অন্য রকম ম্যাচ। যেখানে থাকবে প্রতিশোধের আগুন আর শিরোপা ধরে রাখার লড়াই। প্রথম সেমিফাইনালের প্রতিপক্ষ ২০১২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলা শ্রীলঙ্কা আর ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বিশ্বকাপের ফাইনালের আগেই ফাইনালের স্বাদ পাবে ক্রিকেট দুনিয়া। কেননা টি-টোয়েন্টিতে এবার নিয়ে ছয়বার মুখোমুখি দল দুটি। দুইবারই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭ টায় ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে। বাংলাদেশ টেলিভিশন শ্রীলঙ্কা বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজের ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করবে।
২০১২ সালে শ্রীলঙ্কার নিজ মাটি কলম্বোতে টি-টোয়েন্টির চতুর্থ আসরের ফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে হেরেছিল ৩৬ রানে। সেই স্বপ্নভাঙ্গার স্মৃতিতে জ্বলছে লঙ্কানরা। দুই বছরের ব্যবধানে প্রতিশোধ নেবার সুযোগ এসেছে। হেলায় ছেড়ে দিতে চাইবে না দুর্দান্ত ফর্মে থাকা লঙ্কান দল। তাই বলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ কী ফেলে দেবার পাত্র? প্রশ্নই উঠে না। ‘লাখে একটা’ বলে যে প্রবাদ আছে গেইলদের বেলায় সেটাই দেখতে চায় ক্রিকেট প্রেমীরা। ২০১৪ সালের আগে দুই দল টি-টোয়েন্টি ম্যাচে পাঁচ বার মুখোমুখি হয়েছে। ২০০৯ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্র“প পর্বে ১৫ রানে লঙ্কা জয় পায়। এতে ২০০৯ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে শ্রীলঙ্কা ৫৭ রানে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে ফাইনালে টিকিট কেটে ছিল। ২০১০ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও লঙ্কানরা ৫৭ রানে জয় পায়। আর ২০১২ সালে গ্র“প ম্যাচে ৯ উইকেটে জিতেছিল লঙ্কানরা। টানা প্রথম চার ম্যাচে জিতেছে শ্রীলঙ্কা।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ সেই প্রতিশোধ নিয়েছে তিন বছর পর। একটাই আঘাত করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেটা ‘লাখে একটা’। ২০১২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে। যা ছিল দুই দলের পঞ্চম লড়াই। আশ্চর্যের বিষয় একবারই জিতেছে তাও কিনা ফাইনালে! ২০০৯ সালের বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের পুনরাবৃত্তি কি আবার ঘটবে? শ্রীলঙ্কা কি ২০১২ সালের ফাইনালের ৩৬ রানের শোধ নিতে পারবে? এসব প্রশ্নের উত্তর মেলে গ্র“প পর্বে প্রমাণ করেছে গেইলরা। ভারতের বিপক্ষে হার মানা বাদ দিয়ে সুপার ফর্মে আছে বর্তমান টি-টোয়েন্টির বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। দলীয় পরিসংখ্যানে লঙ্কা এগিয়ে। তেমনি দুই দলের ব্যাটসম্যানদের ব্যক্তিগত পরিসংখ্যানেও লঙ্কানরা এগিয়ে। ২০০৯ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্র“প ম্যাচে দিলশান করেছেন ৪৭ বলে ৭৪ আর জয়সুরিয়া ৪৭ বলে ৮১ ওই ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্রাভো ৩৮ বলে ৫১ রান ছাড়া বলা মতো কিছু নেই। ২০০৯ সালের সেমিফাইনালে দিলশান ৫৭ বলে অপরাচিজত ৯৬ করেন ও ক্রিস গেইল করেছিলেন ৫০ বলে ৬৩ রান। ২০১০ বিশ্বকাপে জয়সুরিয়া করেছিলেন ৫৬ বলে ৯৮ ও সাঙ্গাকারা ৪৯ বলে ৬৮ রান। সেই ম্যাচে সারোয়ানের ২৮ রানই ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যক্তিগত সেরা সংগ্রহ। ২০১২ সালের বিশ্বকাপে স্যামুয়েলের ৩৫ বলে ৫০ আর ব্রাভোর ৩৪ বলে ৪০ রান সর্বোচ্চ সংগ্রহ। লঙ্কানর জুয়সুরিয়ার ৪৯ বলে ৬৫ রান ও সাঙ্গাকারার ৩৪ বলে ৩৯ রান করেন। ২০১২ সালের ফাইনালে স্যামুয়েলসের ৫৬ বলে ৭৮ রানই সর্বোচ্চ। ওই ম্যাচে জয়সুরিয়ার ৩৬ বলে ৩৩, সাঙ্গাকারার ২৬ বলে ২২ আর কুলাসিকারার ১৩ বলে ২৬ রান করেন। আর বোলিং বিশ্লেষণেও এখনো পর্যন্ত শ্রীলঙ্কা এগিয়ে। তাদের পেস আক্রমণ মালিঙ্গা, কুলাসিকারা আর স্পিন আক্রমণে হেরাথ, মেন্ডিস দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছে।
প্রোব/এহ/খেলা ০২.০৪.১৪

২ এপ্রিল ২০১৪ | খেলা | ২১:৩৯:৩২ | ১২:০০:৫৪