A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

এরশাদ-রওশনের ঠাণ্ডা লড়াই | Probe News

Ershad-Raushan5.jpgপ্রোব নিউজ, ঢাকা: ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর ২৭ মার্চ প্রথমবারের মত একই মঞ্চে পাশাপাশি বসেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ও বিরোধী দলীয় নেতা দলের জেষ্ঠ্য প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম রওশন এরশাদ। ওইদিন রওশন এবং এরশাদ দু’জনেই দাবি করেছেন তাদের মাঝে কোন দ্বন্দ্ব নেই। কিন্তু শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক নেতার সাথে কথা বলে জানা গেছে, এরশাদ ও রওশনের মধ্যে ক্ষমতার ঠা-া লড়াই চলছে। দলীয় এবং সংসদীয় কর্মকা-ের ব্যাপারে তারা কেউ কারো কথা শুনছেন না। একত্রে বসে তারা কোন বিষয়ে সিদ্ধান্তও নিতে পারছেন না। যে যার মত চলছেন। দলীয় সূত্রের দাবি, ওইদিনকার বক্তব্য ছিল একেবারেই লোক দেখানো।

এরশাদ ও রওশনের একাধিক ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা যায়, দলের কর্তৃত্ব ভাগাভাগি নিয়ে এখনও Ershad+Rawshan.jpgদুজনের মাঝে চলছে টানপোড়ন। রওশন চাচ্ছেন দলের এমপিরা তার কথা মত চলবে। পার্টির গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে এরশাদকে পূর্ণ ক্ষমতা দিতেও নারাজ তিনি। অপরদিকে, পার্টির সকল কর্তৃত্ব আগের মতই নিজের কব্জায় রাখতে চান এরশাদ।

৫ জানুয়ারির নির্বাচন এবং পরবর্তীতে রওশনের সকল কর্মকা- নিয়ে ক্ষুব্ধ এরশাদ। এরশাদের কাছ থেকে ক্ষমতা নিজের নিয়ন্ত্রণে আনতে যা যা করার তা করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ।

এরশাদকে মাইনাস করার পরিকল্পানার অংশ হিসাবে ১৫ জানুয়ারি জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে বিরোধী দলীয় নেতার প্যাডে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে একটি চিঠি পাঠান রওশন। চিঠিতে রওশন এরশাদ বলেন, ‘আমি বর্তমানে বিরোধীদলীয় নেতা। দশম সংসদ নির্বাচনে আমার নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি অংশগ্রহণ করে। অতএব, কমিশন থেকে জাতীয় পার্টির নামে যত চিঠি ইস্যু করা হবে তা যেন আমার নামে করা হয়। এজন্য কমিশনকে অনুরোধ করা হলো’।

জানা গেছে, এর আগে এরশাদের বারিধারাস্থ বাসভবন থেকে ‘দলীয় প্রধানের পতাকা’ আনার জন্য এক কর্মচারিকে পাঠান রওশন। যদিও এরশাদ পতাকা দেন নি।

এছাড়া, ১৯ জানুয়ারি এরশাদকে ছাড়াই রওশনের নেতৃত্বে জাপার সংসদীয় দল জাতীয় স্মৃতিসৌধে যায় ।সেখানে জড়ো হওয়া স্থানীয় নেতাকর্মীদের এরশাদের নামে শ্লোগান দিতে দেয়নি উপস্থিত শীর্ষ নেতারা। স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এরশাদের অনুপস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে রেগে গিয়ে রওশন বলেন, ‘তিনি ব্যস্ত তাই আসেননি’।


৮ জানুয়ারি থেকে পরপর ৪টি সংসদীয় দলের বৈঠক করে জাতীয় পার্টি। এর কোনটিতেই উপস্থিত ছিলেন না দলের চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। এ সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে পারেনি জাপার নেতারা। সর্বশেষ ২৮ জানুয়ারি এমপিদের বৈঠকে এরশাদের অনুপস্থিতি সম্পর্কে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তা কৌশলে এড়িয়ে যান প্রেসিডিয়াম সদস্য ও বিরোধীদলীয় চীফ হুইপ তাজুল ইসলাম চৌধুরী।

সর্বশেষ, ২০ মার্চ এরশাদের জন্মদিন উপলক্ষে ৩ দফা অনুষ্ঠান হয়। এর কোনটিতে আসেননি রওশন এবং তার অনুসারিরা। এমনিক রওশন এমপিদেরও আসার অনুমতি দেননি বলে জানা গেছে।

এরশাদ-রওশনের দ্বন্দ্ব নিয়ে সরাসরি কথা বলতে রাজি হননি দলের কোন নেতা। এব্যপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মনোনয়ন প্রত্যাহারকারী এক প্রেসিডিয়াম সদস্য বলেন, তারা তাদের দুজনার ঝগড়া-বিবাদ দেখার ধৈর্য্য ও সময় কোনটাই আমাদের নেই। তাদের তামাশার কারণে আমরা নির্বাচনতো করতেই পারিনি বরং দলেও কোনঠাসা হয়েছি। তাদের মিল-অমিলে আমাদের কিছু আসে যায়না।

প্রোব/বিএইচ/রাজনীতি/৩০.০৩.২০১৪

৩০ মার্চ ২০১৪ | জাতীয় | ১৩:৩১:২১ | ১৯:৫৯:০১

জাতীয়

 >  Last ›