A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

বিদ্যমান ব্যবস্থায় জাল ভোট হবেই: আকবর আলি খান | Probe News

প্রোবনিউজ,ঢাকা: তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. আকবর আলি খান বলেছেন, বাংলাদেশে বিদ্যমান নির্বাচনী ব্যবস্থায় জাল ভোট হবেই। তাই নির্বাচন ব্যবস্থায় সংস্কার প্রয়োজন।

শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরসি মজুমদার আর্টস অডিটরিয়ামে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের সংবিধান পর্যালোচনা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। সভাটি আয়োজন করে গণতান্ত্রিক আইন ও সংবিধান আন্দোলন নামের একটি সংগঠন।

ড. আকবর আলি বলেন, “আমাদের এখানকার নির্বাচনের সিস্টেম হলো, ৩০০টি আসনে নির্বাচন হয় এবং প্রতিটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে যে এক ভোট বেশি পায়, সেই নির্বাচিত হয়। সুতরাং সীমাবদ্ধ ভোটারের আসনে সবাই চেষ্টা করে জালিয়াতির মাধ্যমে কীভাবে নিজের প্রার্থীকে জেতানো যায়। আর এসব জালিয়াতি ঠেকানোও অনেক সময় শক্ত হয়ে দাঁড়ায়।” তিনি বলেন, “আমাদের দেশে যে নির্বাচনব্যবস্থা চালু রয়েছে, তাতে জাল ভোট হবেই।”

নির্বাচনব্যবস্থায় বর্তমান সীমাবদ্ধতার সমাধানের বিষয়ে আকবর আলি খান বলেন, “আনুপাতিক নির্বাচনের সমস্যা হলো, আমি যে এলাকার লোক, ওই এলাকা থেকে আমি এমপি মনোনীত নাও হতে পারি। এর সমাধান হতে পারে ৫০ ভাগ আসনে আনুপাতিক নির্বাচন এবং বাকি ৫০ ভাগ আসনে সংখ্যাধিক্য পদ্ধতির নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিনিধি নির্বাচিত হতে পারে। আরেকটি সমাধান হতে পারে দুটি হাউজ করার মাধ্যমে। একটি হাউজ হবে আনুপাতিক নির্বাচনের মাধ্যমে, অন্যটি সংখ্যাধিক্য নির্বাচনের ভিত্তিতে।”

সাবেক এই মন্ত্রিপরিষদ-সচিব বলেন, “সারা বিশ্বের অনেক দেশে ‘প্রোপরশনার রিপ্রেজেন্টিভ’ (আনুপাতিক নির্বাচন) পদ্ধতির নির্বাচনব্যবস্থা আছে। ওই ব্যবস্থায় সারা দেশে যে দল বেশি ভোট পায়, তারাই সরকার গঠন করে। রেফারেন্ডাম বিধান থাকলে দুটি লাভ হয়। একটি হলো জনগণ সরকারের কোনো কাজে অসন্তুষ্ট হলে এর বিরুদ্ধে ভোটাভুটির ব্যবস্থা করতে পারে। অন্যদিকে সরকারও জনগুরুত্বপুর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে জনমত যাচাইয়ের জন্য রেফারেন্ডাম ব্যবহার করতে পারবে।”


সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার, আনুপাতিক পদ্ধতির নির্বাচন, রেফারেন্ডাম,
স্থানীয় সরকার শক্তিশালীকরণ্- এ বিষয়গুলোর সঙ্গে আরো একটি বিষয় বিবেচনা করা যেতে পারে বলে মনে করেন আকবর আলি খান। তিনি বলেন, “পাঁচ বছরের জন্য আমরা যখন কোনো দলকে নির্বাচন করি, তখন তারা ধরে নেয় যে পাঁচ বছর যা খুশি করার অধিকার পেয়েছে। পাঁচ বছরের জায়গায় যদি তিন বা চার বছর করা হয়, তাতে জনসাধারণের প্রতি তাদের যে দায়িত্ব সেটা আরো বাড়তে পারে। সে বিষয়টি আমাদের ভেবে দেখা দরকার।”

রাজনৈতিক দলগুলোর জবাবদিহি ও নিয়মিতভাবে নির্বাচনের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন তিনি।

অধ্যাপক হারুন অর রশীদের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য দেন হায়দার আকবর খান রনো, সাংবাদিক মিজানুর রহমান খান, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সাদিয়া আরমান প্রমুখ। প্রোব/পার/জাতীয়/৩০.০৩.২০১৪

 

৩০ মার্চ ২০১৪ | জাতীয় | ০৯:৫৪:৫৯ | ১৪:০৯:৫৮

জাতীয়

 >  Last ›