A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

বিটি বেগুন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে জিএম ফ্রীজ’র চিঠি অবস্থান পরিস্কার না করলে ইউরোপে সব্জি রপ্তানি ব্যাহত হতে পারে | Probe News

letter.JPGপ্রোব নিউজ, ঢাকা: আবারও বিতর্কিত ব্যসিলাস থোরিনজিজয়েন্সিস (বিটি) বেগুন চাষ বন্ধের দাবি জানিয়েছে জিএম ফুড বিরোধী লন্ডন ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান জিএম ফ্রীজ। পাশাপাশি সংস্থাটি ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের সব্জি রপ্তানি অব্যাহত রাখতে জেনেটিক্যালি বিকৃত এ বিটি বেগুন চাষে সরকারের অবস্থান পরিস্কার করারও দাবি জানিয়েছে এক চিঠিতে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সূত্র জানায়, গত ১৮ মার্চ লেখা এ চিঠি পাঠানো হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে। উদ্বেগ উৎকণ্ঠা জানিয়ে লেখা ওই চিঠির অনুলিপি দেয়া হয়েছে রাষ্ট্রপতি অ্যাডভোকেট BT-Brinjal.jpgআব্দুল হামিদ, জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম রওশন এরশাদ, পরিবেশ ও বন মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, বাণিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এবং ইপিবি’র ভাইস চেয়ারম্যান সুভাশিষ বোসকে।
জিএম ফ্রীজ’র পরিচালক লিজ ও’ নীল স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, বিটি বেগুনের কৃষক পর্যায়ে অবমুক্ত করার আগে এবং পরে বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমগুলোতে এর ক্ষতিকর দিক নিয়ে খবর প্রচার হয়েছে। পাশাপাশি বিটি বেগুনের বিরুদ্ধে সোচ্চার রয়েছে কৃষক, কৃষক সংগঠন ও পরিবেশবিদরা। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোন ধরনের বক্তব্য পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি গেল বছরের ৪ ডিসেম্বরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, বিভিন্ন দপ্তর ও দপ্তর প্রধানকে বিটি বেগুনের বাণিজ্যিক চাষ এবং ইউরোপের বাজারে সব্জি রপ্তানির হুমকির কথা উল্লেখ করে চিঠি দেয়া হয়। ওই চিঠির প্রেক্ষিতেও সরকার এখ পর্যন্ত তার অবস্থান পরিস্কার করেনি।
বাংলাদেশের বিটি বেগুনের বাণিজ্যিক চাষের সিদ্ধান্তে যুক্তরাজ্যসহ ইইউভুক্ত দেশগুলোর বাজারে দেশটির সব্জি রপ্তানি হুমকির মুখে পড়বে। দেশটির কৃষক, ভোক্তা ও সব্জি রপ্তানিকারদের স্বার্থ সংরক্ষণের লক্ষ্যে সরকারকে তার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে অনুরোধ করা হয়েছিল জিএম ফ্রীজ’র আগের চিঠিতে।
জানা গেছে, ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বছরে প্রায় এক হাজার কোটি টাকার সব্জি রপ্তানি হয়ে থাকে। জেনেটিক্যালি মোডিফাইড (জিএম) বেগুন রপ্তানির আশঙ্কায় বাংলাদেশের সব্জির ওপর ইউরোপীয় ইউনিয়নে রেড এলার্ট জারি হতে পারে। এতে বাংলাদেশ থেকে সব্জি আমদানি বন্ধের আশংকার কথাও উল্লেখ করা হয়েছিল ওই চিঠিতে।
চিঠিতে বাংলাদেশের সব্জি আমদানি বন্ধের সিদ্ধান্তের পক্ষে তিনটি যুক্তি উপস্থাপন করেন। প্রথমটিতেই বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যসহ ইইউ’র দেশগুলোতে জিএম খাদ্য গ্রহণে আইনি বাধা রয়েছে। ভোক্তা স্বার্থে সব ধরনের জিএম খাদ্যে জিএম লেবেল লাগানোর বাধ্যবাদকতা রয়েছে। এ প্রক্রিয়ায় আগামীতে বাংলাদেশের সব্জি রফতানি বাধাগ্রস্থ হবে।
প্রসঙ্গত, কৃষিবিদ ও পরিবেশবিদদের বিরোধিতা সত্ত্বেও চলতি বছরের ২৯ অক্টোবর বিটি বেগুন কৃষক পর্যায়ে চাষের অনুমতি দেয় সরকার। মার্কিন কোম্পানি মনসান্তো ও ভারতের মহারাষ্ট্র হাইব্রিড বীজ কোম্পানি মাহাইকোর সহযোগিতায় ইউএসএআইডির অর্থায়নে ২০০৫ সাল থেকে স্থানীয় নয়টি বেগুন জাতের জিন সিকোয়েন্স পরিবর্তন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) এরপর এসব জাতের উপর বিটি নামে ব্যাকটেরিয়ার প্রতিস্থাপন করে। যার মধ্যে থেকে চারটি জাত কৃষক পর্যায়ে চাষ হচ্ছে বারি’র তত্ত্বাবধানে।
প্রোব/শর/জাতীয়/ ২৯ মার্চ ২০১৪

২৯ মার্চ ২০১৪ | জাতীয় | ১৬:২৬:৪০ | ২৩:১৭:২৮

জাতীয়

 >  Last ›