A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

পশ্চিমবঙ্গে এগিয়ে তৃণমূল, বিজেপির ভোট বাড়ার ইঙ্গিত | Probe News

Indian Election.jpgপ্রোবনিউজ, ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের ভোট কমেছে খানিকটা। অব্যহত রয়েছে বামদের ক্ষরণ। অন্যদিকে ধারাবাহিক ভাবে বাড়ছে বিজেপি-র ভোট। আসন ভাগাভাগির সংখ্যা প্রায় একই রেখে লোকসভা ভোটে রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণের এই সামগ্রিক ছবিই উঠে এল এবিপি আনন্দ-এ সি নিয়েলসেনের তৃতীয় যৌথ জনমত সমীক্ষায়। এ বারের সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, গত মাসে যে তথ্য উঠে এসেছিল, আসন প্রাপ্তির নিরিখে তাতে কিছু রদবদল হয়েছে। তৃণমূল ২৯ থেকে একটি কমে হয়েছে ২৮ কংগ্রেস দুই থেকে একটি বেড়ে হয়েছে তিন। বিজেপি একটি আসন পেতে পারে বলে এ বারের সমীক্ষায় দেখানো হয়েছে। যা আগে ছিল না। আর বামফ্রন্টের আসনসংখ্যা আগের মতো ১০-ই থাকছে বলে সমীক্ষার ইঙ্গিত।

রাজ্যের গত বিধানসভা ভোটে এবিপি আনন্দ-এ সি নিয়েলসেনের বুথ-ফেরত সমীক্ষা বা গত বছর পঞ্চায়েত ভোটে তাদের জনমত সমীক্ষা ভোটের ফলের সঙ্গে প্রায় পুরোটাই মিলে গিয়েছে।
এ বার লোকসভা ভোটের মুখে পরপর তিনটি সমীক্ষা বলছে, শতাংশের হিসাবে বামেদের ভোটক্ষয় বেড়েই চলেছে। জানুয়ারিতে ৩৪%, ফেব্রুয়ারিতে ৩২%-এর পরে মার্চের সমীক্ষায় তাদের সম্ভাব্য ভোটপ্রাপ্তির হার ৩১% তৃণমূল জানুয়ারির সমীক্ষায় পেয়েছিল ৪১% ভোট। ফেব্রুয়ারিতে তা বেড়ে ৪৩% হয়েছিল। মার্চে তা আবার ফিরে এসেছে ৪১%-এই। কংগ্রেস আগের দু’বারই ৬% ভোট পেয়েছিল। এ বার তারা ভোটের হার বাড়িয়ে নিয়ে যেতে পেরেছে ৮%-এ। ধারাবাহিক বৃদ্ধির ইঙ্গিত রয়েছে একমাত্র বিজেপি-র জন্য। গত দু’বারের ১১% ও ১২%-এর পরে এ বার ১৪% এ যাবৎ পশ্চিমবঙ্গে কোনও লোকসভা ভোটেই বিজেপি একক ভাবে এত পরিমাণ ভোট পায়নি। সব রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরীণ হিসেব-নিকেশই বলছে, নরেন্দ্র মোদী হাওয়ায় রাজ্যের অনেক আসনেই জয়-পরাজয়ের নিষ্পত্তি করে দিতে পারে বিজেপি। জনমত সমীক্ষার ইঙ্গিতও সেই রকমই।

আগের দু’বারের চেয়ে মার্চের সমীক্ষার বড় তফাত হল, আগে রাজ্যের সামগ্রিক ভোট-চিত্রের অনেক কিছুই অস্পষ্ট ছিল। কিন্তু এ বার ৯ থেকে ১৬ মার্চের মধ্যে রাজ্যের ১১টি লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে তিনটি করে বিধানসভা এলাকায় ঘুরে যখন সমীক্ষা চালানো হয়েছে, তখন বাম, তৃণমূল এবং বিজেপি-সহ বিভিন্ন দলের বেশির ভাগ আসনেই প্রার্থীদের নাম ঘোষিত। তবে সমীক্ষক সংস্থা জানিয়েছে, সমীক্ষার ইঙ্গিত এবং বাস্তবে ভোটের হারের মধ্যে কম-বেশি ৫%-এর ফারাক হতে পারে। যার ভিত্তিতে রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীরা বলছেন, এ বার চতুর্মুখী ভোটযুদ্ধে ৫% এ দিক-ও দিক অনেক তফাত গড়ে দিতে পারে।

শাসক বা বিরোধী, কোনও শিবিরই অবশ্য সমীক্ষার পূর্বাভাসে সন্তুষ্ট নয়। তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য, “যে সময় সমীক্ষা করা হয়েছে এবং যে সময় ভোট হবে, তার মধ্যে অনেক জল বয়ে যাবে! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনী সফর শুরু হয়েছে মাত্র। তা যখন চূড়ান্ত রূপ পাবে, তখন বোঝা যাবে তৃণমূল ঝড় ছাড়া অন্য কিছু নেই!”
আবার সিপিএম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শ্যামল চক্রবর্তীর মত, “জবরদস্তি ভোট লুঠ এবং সুষ্ঠু ভাবে যেখানে ভোট হয়েছে, এই সবের গড় ধরে পঞ্চায়েতে ৩৭% ভোট পেয়েছিলাম। এমন কী ঘটল যে, আমাদের ভোট আরও কমে যাবে!”

একই ভাবে প্রদেশ কংগ্রেস নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্যের দাবি, “মাঠে-ময়দানে ঘুরে রাজনৈতিক কর্মীরা যা বুঝছেন, সাময়িক ভাবে সমীক্ষকেরা গিয়ে তার চেয়ে বেশি বুঝবেন কী ভাবে?” বাস্তবে কংগ্রেসের ফল আরও ভাল হবে বলে প্রদীপবাবু যেমন দাবি করেছেন, তেমনই বিজেপি-র দাবি, তারা আরও আসন পাবে। দলের রাজ্য সভাপতি রাহুল সিংহের দাবি, “তৃণমূল এবং বামেদের দিক থেকে অনেক ভোট এ বার বিজেপি-তে আসবে। অনেক আসন আমরা জিতব।”

প্রোব/বান/জাতীয় ২৯.০৩.২০১৪

 

২৯ মার্চ ২০১৪ | আন্তর্জাতিক | ১৩:৪১:২১ | ১৩:৩৪:৩৩

আন্তর্জাতিক

 >  Last ›