A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

ব্যারিস্টার রফিকুলের ব্যাখ্যা | Probe News

প্রোব নিউজ, ঢাকা: ৭১’র ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়ার পর থেকে মুজিবনগর গঠনের আগে অর্থাৎ ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত জিয়াউর রহমান কার্যত বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বলে দাবি করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া। তিনি বলেন, ‌‌মুক্তিযুদ্ধের সময়ে ২৬ মার্চ থেকে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত প্রবাসী সরকার গঠনের আগ পর্যন্ত জিয়াউর রহমান এদেশের রাষ্ট্রপতির ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। এই সত্য অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই।
‘দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান’ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া তার বক্তব্যে একথাই বুঝিয়েছেন বলেও দাবি করেন বিএনপির অন্যতম এই শীর্ষ নেতা।
শুক্রবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনসহ গ্রেফতারকৃত সব জাতীয় নেতার মুক্তির দাবিতে এক মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকাস্থ দাউদকান্দি উপজেলা জাতীয়তাবাদী ফোরাম আয়োজিত এ মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি শাহজাহান চৌধুরী।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি লন্ডনে এক অনুষ্ঠানে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, জিয়াউর রহমান শুধু স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি, তিনি দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতিও ছিলেন। এরপর বৃহস্পতিবার বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াও বলেন, জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন।

এ প্রসঙ্গ তুলে ধরে রফিকুল ইসলাম মিয়া প্রশ্ন রাখেন, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর থেকে প্রবাসী সরকার (মুজিবনগর) সরকার গঠনের আগ পর্যন্ত কে ছিলেন? ২৬ মার্চ থেকে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের সংকটকালে জিয়াউর রহমানই কার্যত বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন। বিএনপি চেয়ারপারসন তার বক্তব্যে এটাই বুঝিয়েছেন।”
জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধাই ছিলেন না-প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যেরও সমালোচনা করেন তিনি।
ড. মোশাররফ হোসেনকে মিথ্যা অভিযোগে আটক করা হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, “তার বিরুদ্ধে যে টাকা পাচারের কথা বলা হচ্ছে তা মিথ্যা। কারণ এই টাকা মন্ত্রী থাকার আগেই তার জমা ছিল। অর্থাৎ ২০০১ সালের আগের।” মিয়া আরো বলেন, তার (মোশাররফ) সঙ্গে আমার কোর্টে দেখা হয়েছে। তিনি বলেছেন- তাকে রিমান্ডে মানিলন্ডারিং সংক্রান্ত কোনো বিষয় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি।” তাকে নাজেহাল করার জন্য এসব করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
উপজেলা নির্বাচনে কেন্দ্র দখল, ভোট ডাকাতি করা হয়েছে দাবি করে রফিকুল বলেন, “আইন, মানবাধিকার চলমান সংকট উত্তরণে একটি নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা দিতে হবে।” তিনি সরকারের কাছে অবিলম্বে একটি গ্রহণযোগ্য ও সবার অংশগ্রহণে নির্বাচন দেয়ার আহ্বান জানান।
এই সরকারের বিরুদ্ধে গণঅভুত্থানের জন্য গণমানুষের সম্পৃক্ততা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন বিএনপির এই শীর্ষ নেতা। মানববন্ধনে আরো বক্তব্য দেন বিএনপির সহ-দফতর সম্পাদক শামীমুর রহমান শামীম, নির্বাহী কমিটির সদস্য ইসমাইল হোসেন বেঙ্গল, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা, ড. মোশাররফ হোসেনের ছেলে ব্যারিস্টার খন্দকার মারুফ হোসেন প্রমুখ।

প্রোব/মুআ/জাতীয় ২৮.০৩.১৪

২৮ মার্চ ২০১৪ | জাতীয় | ১৬:১৩:৫১ | ১৮:৩৪:৫৫

জাতীয়

 >  Last ›