A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

বড় চ্যালেঞ্জ: শিক্ষামন্ত্রী | Probe News

nahid.jpgপ্রোব ন্উজ, ঢাকা: বর্তমান শিক্ষার মানকে বাড়িয়ে বিশ্বের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় যাওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।
শুত্রুবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)পিএসসি-জেএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্নদের সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
নাহিদ বলেন, স্কুলে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়ানো ক্ষেত্রে অনেকটা সফল হতে সক্ষম হয়েছি। এখন এটিকে বিশ্বমান করারই বড় চ্যালেঞ্জ। সেই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের নৈতিক, দেশত্মবোধ, গুণাবলি হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
এবছর ৯৯ ভাগ শিক্ষার্থীকে স্কুলে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছি জানিয়ে তিনি বলেন, ২০১৫ সালের প্রাথমিকে ছেলে মেয়ে সমতা অর্জন করার করা কথা ছিল। আমরা সেটি পেরিয়ে আমরা মাধ্যমিকেও এটি অর্জন করেছি। বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষায় মেয়েরা বেশি পাস করছে।
ডিআরইউ এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের শিক্ষা পরিবারে সন্তানদের সম্মান দিচ্ছে এমন একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পেরে কৃতজ্ঞ।
সাংবাদিকরা তাদের ছেলে মেয়েদের সময় দিতে পারেন না জানিয়ে, তিনি বলেন, এই পেশার কারণেই অনেকই সময় দিতে পারছেন না। এসব ব্যস্ত থাকার পরও আপনার সন্তানরা ভালো ফলাফল করেছে।
তিনি বলেন, আমি প্রতিনিয়ত শিক্ষার্থীদের কাছে থেকে শেখার চেষ্টা করি। তাদের অনুভূতি নিতে চাই। তাদের ত্রিুয়া প্রতিত্রিুয়া জানতে চাই। শিক্ষার্থীদের মতামতগুলো দাফতারিক কাজে লাগাতে চাই।
তিনি বলেন, পিএসসি ও জেএসসি যখন আলাদা পরীক্ষা চালু করি তখন অনেকেই আমার সমালোচনা করেছে। অনেকেই বলেছে আমি নাকি পরীক্ষার সংখ্যার বাড়িয়েছি। কিন্তু এখন সবাই এটার প্রশংসা করছে।
নাহিদ বলেন, এসব পরীক্ষা মাধ্যমে ছেলে মেয়েরা আত্মবিশ্বাসী হয়। তারা যদি আত্মবিশ্বাসী না হয় তবে আমরা পিছিয়ে পড়বো। ছেলে মেয়েরা যদি সামনে এগুতে না পারে তবে দেশও এগুবে না। তাদের আত্মবিশ্বাসী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য পাবলিক পরীক্ষাগুলো বাড়ানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।
গত সরকারের সময় ১৯ কোটি বই বিতরণ করার পর গত বছর ৩১ কোটি চাপিয়ে রেকর্ড গড়েছি। বছরের প্রথম দিনে বই দিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দ পৌঁছে দেয়া ছিল এর মূল লক্ষ্য।
গত বছর ৯ নভেম্বর জেএসসি পরীক্ষা প্রথম দিনে থেকে শুরু হয় হরতাল। এসময় সব মিলিয়ে চার কোটি ছেলে মেয়ে পরীক্ষার্থী ছিল। বাধ্য হয়ে বন্ধে দিন পরীক্ষা নিয়ে যথাসময়ে রেজাল্ট দিতে সক্ষম হই।শত প্রতিকূলতার মধ্যেও বছরের শুরুতে বই পৌঁছে দিতে সক্ষম হই।
পাশের হার বাড়লে শিক্ষার মান বাড়ছে না বলে যারা সমালোচননা করছেন তাদের উদ্দেশ্য মন্ত্রী বলেন, আমাদের ভুলগুলো ধরিয়ে দেন শুধরিয়ে নেব। শিশুদের শিক্ষার মান কমেনি দাবি করে মন্ত্রী বলেন, বিশ্বের অনেকই দেশে সঙ্গে মানের সঙ্গে তুলনা করলে হয়তো ভাবে হয়নি কিন্তু আমাদের সেদিকে যাওয়াই আসল লক্ষ্য। কোচিং সন্টোর বন্ধ প্রসঙ্গে নাহিদ বলেন, এটা বন্ধ করতে হলে দরকার আমাদের মনমানসিকতার পরিবর্তন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচায ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় অনেক প্রতিযোগিতা করে ঠিকে থাকতে হয়। আগামী দিনে আরো কঠিন প্রতিযোগিতা করতে হবে তোমাদের। এজন্য তোমাদের এখন থেকেই সেভাবে তৈরি হতে হবে তোমাদের।
সময়ে সঠিক ব্যবহার করতে হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, তোমাদের সময়ের সঠিক ব্যবহার করবে।

ডিআরইউ সভাপতি শাহেদ চৌধুরী বলেন, এ বছর ২৭ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ও সার্টিফিকেট দেযা হচ্ছে। প্রতিজনকে দুই হাজার টাকা একটি সার্টিফিকেট অন্যান্য পুরস্কার দেয়া হচ্ছে। সাংগঠনিক সম্পাদক মোরসালিন নোমানীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদ, দফতর সম্পাদক শেখ জামাল হোসেন প্রমুখ।
প্রোব/মুআ/জাতীয় ২৮.০৩.১৪

২৮ মার্চ ২০১৪ | জাতীয় | ১৩:১১:৪৬ | ১১:৪৩:২৬

জাতীয়

 >  Last ›