A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

২০০৭ সালেই অবসর নিতে চেয়েছিলাম: শেবাগ | Probe News

২০০৭ সালেই অবসর নিতে চেয়েছিলাম: শেবাগ

প্রোবনিউজ, ডেস্ক: নয় দিন আগে ৩৭তম জন্মদিনে যখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বলে দিলেন, বীরেন্দর শেবাগ ভারতীয় দলে তখন আসলে অনেকটাই অপাংক্তেয়। নীল হোক আর সাদা, ভারতের জার্সিতে সর্বশেষ মাঠে নেমেছিলেন প্রায় আড়াই বছর আগে। ফেরার বাস্তব আশাও আর ছিল না। কিন্তু তিনি কি পারতেন না, সব ক্রিকেটারের যেমন স্বপ্ন— দলে ‘দাম’ থাকা অবস্থায়ই বিদায় নিতে? পারতেন। সে ভাবনাও তার ছিল। ২০০৭ সালেই অবসরের কথা ভেবেছিলেন বীরু। নেননি, কারণ তাঁকে যে সেযাত্রা বুঝিয়ে-সুঝিয়ে খেলে যেতে রাজি করিয়েছিলেন একজন—শচীন টেন্ডুলকার।

অবশ্য আট বছর আগের অবস্থাও খুব একটা সুখকর ছিল না। ভারতীয় দল তখন বাংলাদেশের কাছে হেরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নিয়ে ফিরে এসেছে। এর পর বাংলাদেশ ও ইংল্যান্ডে দুটি সফরে দল থেকে বাদ পড়লেন শেবাগ। ওই সময়ের অনুভূতির কথা জানিয়ে ভারতীয় টিভি চ্যানেল জি নিউজকে শেবাগ বলেছেন, ‘২০০৭ সালে যখন দল থেকে বাদ গেলাম, তখনই অবসরের কথা ভেবেছিলাম। কিন্তু টেন্ডুলকার আমাকে সেসময় তা করতে দেয়নি।’

টেন্ডুলকার ঠিকই করেছিলেন। শেবাগের রেকর্ডই এর প্রমাণ। ওয়ানডেতে ২০০৭ এর মার্চের পর থেকে ৮০ ইনিংসে তাঁর গড় ৪২, যেখানে বাদ পড়ার আগে ছিল ৩৫.০৫। ওয়ানডেতে ১৫ সেঞ্চুরির সাতটিই এসেছে এ আট বছরে। টেস্টে ২৩ সেঞ্চুরির ১১টিও এ সময়ে, সঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে টেস্টে দ্রুততম ট্রিপল সেঞ্চুরি (২৭৮ বলে) তো আছেই।

ব্যাটের গর্জনেই মাঠে যাঁর উপস্থিতি জানা যেত, তাঁর বিদায়টাই কি না হলো এমন নীরবে—একটা ছোট্ট বিবৃতি দিয়ে! মাঠে নিজ দলের, প্রতিপক্ষের ‘গার্ড অব অনার’, ম্যাচ শেষে বিদায়ী বার্তা...এসব না পেয়ে একটু আক্ষেপ আছে বীরুর মনেও, ‘প্রত্যেক খেলোয়াড়ই চায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তাঁর সেরা সময় থাকতেই বিদায় নিতে। যদি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার সময়ে বিদায় নিতাম, তাহলে আমিও একটা বিদায়ী ভাষণ দিতে পারতাম। কিন্তু ভাগ্য আমার জন্য অন্য কিছুই লিখে রেখেছিল।’

মাঠ থেকে বিদায় নিতে পারতেন আড়াই বছর আগেও, শেষবার দল থেকে বাদ পড়ার সময়। সেবার অবশ্য কেউ বাদ সাধেননি, স্রেফ ‘দলে আর দরকার নেই’ এটি বুঝে উঠতে পারেননি শেবাগ। এর জন্য হয়তো নির্বাচকদের ওপর একটু অভিমান রয়ে গেছে শেবাগের, ‘২০১৩ অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাদ দেওয়ার সময় নির্বাচকেরা আমার কাছে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানতে চায়নি। যদি তাঁরা সিদ্ধান্তটা আমাকে জানিয়ে দিতেন, তাহলে আমি ওই সিরিজেই অবসর নিয়ে নিতাম।’ শেবাগের এখনো একটু খেদ রয়ে গেছে এ নিয়েও যে, নির্বাচকেরা তাঁকে নাকি যথেষ্ট সুযোগ দেননি। অল্প কিছু ব্যর্থতার পরই নাকি তাঁকে ছুঁড়ে ফেলেছেন।

আনুষ্ঠানিক বিদায় নেওয়ার একটা সুযোগ অবশ্য পেতে যাচ্ছেন শেবাগ। দিল্লির কোটলায় দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের চতুর্থ ও শেষ টেস্টটিতে শেবাগকে বিদায়ী সংবর্ধনা দেওয়ার চিন্তা আছে বিসিসিআইয়ের। ‘বিদায়ী ভাষণে’র ইচ্ছাটা কি তাহলে পূরণ হবে বীরুর?

তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।

প্রোব/অমি/পি/খেলাধূলা/২৯.১০.২০১৫

২৯ অক্টোবর ২০১৫ | খেলা | ১৪:৩৪:২৯ | ১৪:৩৫:০৬