A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

দুবাইয়ে ৩ বাংলাদেশীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের বিচার চলছে | Probe News

দুবাইয়ে ৩ বাংলাদেশীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের বিচার চলছে

প্রোবনিউজ, ডেস্ক: তিন বাংলাদেশী ফিলিপাইনের এক নারীকে অপহরণ, ধর্ষণ, ডাকাতি, প্রহার ও পরে পতিতাবৃত্তিতে ৩০০ দিরহামের বিনিময়ে বিক্রি করে দিয়েছে। এ অভিযোগ বিচারের কাঠগড়ায় ওই তিন বাংলাদেশী। আগামী ১৭ই নভেম্বর এ মামলায় রায় দেয়ার কথা। এ খবর দিয়েছে অনলাইন এমিরেটস। এতে বলা হয়, দুবাই ক্রিমিনাল কোর্টে এ সপ্তাহে এ বিষয়ে শুনানি হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, নির্যাতিত নারীর বয়স ২০ বছর। তিনি একটি ফার্মের কোয়ালিটি ম্যানেজার। গত বছর ২১শে ডিসেম্বর স্থানীয় সময় রাত সাড়ে সাতটায় আল কুওজে ট্যাক্সি ধরে মোটর সিটিতে তার বাসায় যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছিলেন ফিনিয়া (ছদ্মনাম) নামের ওই নারী। এ সময় একটি প্রাইভেট তার সামনে গিয়ে থাকে এবং ভাড়া পরিশোধের চুক্তিতে তাকে নামিয়ে দেয়ার প্রস্তাব দেয়। এ প্রস্তাবে রাজি হয়ে যান ফিনিয়া। এক পর্যায়ে গাড়ির চালক বাংলা ভাষায় ফোনে কথা বলা শুরু করে। এরপর একটি পেট্রোল স্টেশনে থামে এবং অন্য দু’জন পুরুষকে তুলে নেয় গাড়িতে। তারা গাড়িতে উঠে ফিনিয়ার কাছ ঘেঁষে বসে। গাড়ির চালক সহ তিন পুরুষই ছিল বাংলাদেশী। তাদের নাম, পরিচয় প্রকাশ করা হয় নি রিপোর্টে। শুধু একজনকে এমআর হিসেবে পরিচয় দেয়া হয়েছে। ফিনিয়া বলেন, এমআর আমার খুব কাছ ঘেঁষে বসে এবং আমার সঙ্গে অশালীন আচরণ করতে শুরু করে। এরপর তাদের একজন আমাকে বিবস্ত্র করে ফেলে। এতে আমি আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। কিন্তু আমি যেহেতু তাদের দু’জনের মাঝখানে ছিলাম তাই নড়াচড়া পর্যন্ত করতে পারি নি। এমনকি আমি তাদেরকে অর্থ দিতে চেয়েছি। আমার সঙ্গে দামি যেসব জিনিস ছিল তাও দিতে চেয়েছি। কিন্তু তারা আমার আকুতি কানেও তোলে নি। এক পর্যায়ে তারা তিনজনে আমাকে ওই গাড়ির ভিতর ধর্ষণ করে। এর পর আমি গাড়ি থেকে লাফিয়ে পালাতে চেষ্টা করি। কিন্তু তারা আমার দু’হাতই বেঁধে রেখেছিল। আমাকে তারা প্রহার করতে শুরু করে।

এরপর ওই তিন ব্যক্তি তাকে একটি শপিং মলের সামনে নামিয়ে দেয়। সেখানে একজন নারী তাকে তুলে নেয়। তিনি ফিনিয়াকে বলেন, তোমাকে আমার সঙ্গে যেতে হবে এবং দেহ ব্যবসায় নামতে হবে। ফিনিয়া এ দাবি প্রত্যাখ্যান করেন। এ পর্যায়ে ওই নারী তাকে বলে, তার কথা না শুনলে তাকে ওই তিন পুরুষের সঙ্গেই যেতে হবে। তারা তাকে নিয়ে যায় একটি বাড়িতে। বাড়িটি ছিল তালাবদ্ধ। এর প্রহরায় ছিল দু’জন প্রহরী। সেখানে ফিলিপাইনের আরেকজনের সঙ্গে পরিচয় হয় ফিনিয়ার। তাকেও আটকে রাখা হয়েছিল। রাতের বেলা একজন প্রহরী ফিনিয়ার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করে জোরপূর্বক। তারপর সে গভীর ঘুমে ঘুমিয়ে পড়ে। তখন ফিনিয়া রান্না ঘরের একটি ছোট স্থান দিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। সারারাত একটি ট্রাকের নিচে লুকিয়ে থাকেন তিনি। সকাল হলে একজন পথচারীকে থামান এবং তার কাছে সহায়তা চান। ওই ব্যক্তি বিষয়টি পুলিশকে জানান। পুলিশ অনুসন্ধান শুরু করে। তারা পেট্রোল স্টেশনের সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই করে দেখে। তারা চিহ্নিত করে ফেলে অপরাধীদের। এরপর সব বিমানবন্দর ও দেশ থেকে পালানোর সব পয়েন্টে সন্দেহভাজনদের বিরুদ্ধে তথ্য ছড়িয়ে দেয় তারা। পরে আটক করা হয় অভিযুক্তদের দু’জনকে। এখনও পুলিশ তৃতীয় অপরাধীকে ধরার জন্য অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

প্রোব/পি/আন্তর্জাতিক/২৮.১০.২০১৫

২৮ অক্টোবর ২০১৫ | আন্তর্জাতিক | ১৪:২৪:১৭ | ১৭:২৪:৪৫

আন্তর্জাতিক

 >  Last ›