A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

রাজনীতি এবং নৈতিকতা এমাজউদ্দীন আহমদ | Probe News

রাজনীতি এবং নৈতিকতা

এমাজউদ্দীন আহমদ

রাজনীতির জন্ম হয়েছে সঙ্ঘবদ্ধ মানবসমাজে। রাজনীতির প্রসারও ঘটেছে সঙ্ঘবদ্ধ মানবসমাজে। এ কারণে রাজনীতির প্রকৃতির সঠিক বিশ্লেষণ সম্পন্ন হতে পারে শুধু সমাজবদ্ধ সুসংহত মানুষের প্রকৃতির গভীর আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে। সমাজবদ্ধ মানুষের চাহিদা সীমাহীন। কিন্তু চাহিদা পূরণের জন্য যা প্রয়োজন, ইতিহাস সাক্ষী, সব সময় তা সীমিত। ফলে মানুষের সাধ ও সাধ্যের সমন্বয় ঘটানোর ছিদ্রপথে জন্মলাভ করে ভিন্নমত। এই ভিন্নমতের ভিত্তিতে সৃষ্টি হয় ভিন্ন পথ। এই ভিন্ন মত ও পথের (Disagreement) সামাজিক বৃক্ষে হাজারো সুস্বাদু ফলের সাথে জন্ম হয় দ্বন্দ্ব বা সঙ্ঘাত (Conflict) নামের বিষাক্ত ফলেরও। রাজনীতির প্রধানতম লক্ষ্য সমাজজীবনে দ্বন্দ্ব বা সঙ্ঘাতের নিরসন ঘটানো এবং তা-ও শান্তিপূর্ণ প্রক্রিয়ায়।

ভিন্ন মত নির্মূল করা রাজনীতির কাজ নয়। রাজনীতির কাজ নয় ভিন্ন পথের সব মুখ বন্ধ করা। ভিন্ন মত ও পথ বন্ধ হলে চিরদিনের জন্য বন্ধ হয়ে যায় প্রগতির পথ। বন্ধ হয় অগ্রগতির শত বাতায়ন। বন্ধ হবে চিরদিনের জন্য নতুনের অভিযাত্রা। তাই রাজনীতি ভিন্ন মত ও পথের বাঁকা এবং কঙ্কর বিছানো পিচ্ছিল পথে অগ্রসর হয়ে দ্বন্দ্বের নিরসন ঘটাতে সতত অগ্রসরমান। এসব কারণে গ্রিক দার্শনিক এরিস্টটল রাজনীতিবিজ্ঞানকে (Politics) চিহ্নিত করেছিলেন সমাজের শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞান (Master Science) রূপে। তিনি রাজনীতিবিজ্ঞানকে সমাজের শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞান বলেছিলেন দু’টি কারণে : এক. এই বিজ্ঞানের মৌল উপজীব্য হলো সৃষ্টিকর্তার শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি মানবকুল, যারা সমাজবদ্ধ হয়ে বাস করেন। দুই. মানবের রয়েছে এক দিকে যেমন তাদের চাহিদা সম্পর্কে পরিবর্তনশীল বিচিত্র ভাবনা-চিন্তা, অন্য দিকে তেমনি তাদের রয়েছে বিবেক-বিচার এবং নীতি-নৈতিকতার এক আবরণ। অন্য কথায়, রাজনীতি অথবা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড অর্থপূর্ণ হয়ে ওঠে শুধু সমাজবদ্ধ মানুষের চাহিদার সন্তুষ্টির ব্যাপকতা এবং নৈতিকতার আলোকে। এ জন্য প্রয়োজন হয় এক দিকে যেমন রাজনীতিকদের সুচিন্তিত পরিকল্পনা, কঠোর নিয়মানুবর্তিতা, উদার দৃষ্টিভঙ্গি ও কঠোর পরিশ্রম, অন্য দিকে তেমনি সুনীতি ও সুরুচির আশীর্বাদ, ন্যায়নিষ্ঠ আচরণ, নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ ও নৈতিকতার পরাকাষ্ঠা। এ ক্ষেত্রে সাফল্যের মানদণ্ড হলো বিভিন্ন গোষ্ঠী অথবা দলের মধ্যে বিরাজমান দ্বন্দ্ব বা সঙ্ঘাত নিরসনে কৃতিত্বের গভীরতা এবং রাষ্ট্রকে একটি নৈতিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করার দক্ষতা। জে ডি বি মিলারের (JDB Miler) কথায়, ‘রাজনীতি হলো গভীর নৈতিকতাবোধে উদ্দীপ্ত কিছু সামাজিক কর্মকাণ্ড সম্পন্ন করার মাধ্যম’ (Politics is a means of getting things done, often with a strong sense of moral urgency.)।

এ দিক থেকে বিশ্লেষণ করলে তৃতীয় বিশ্বের নতুন একটি রাষ্ট্র বাংলাদেশের রাজনীতির যে চিত্র আমরা দেখি, তা অত্যন্ত হতাশাব্যঞ্জক। বাংলাদেশের মতো তৃতীয় বিশ্বের দেশে রাজনীতিকদের প্রধান কাজ হলো সঙ্ঘাত নিরসনের পরিবর্তে নতুনভাবে সঙ্ঘাতের জন্ম দেয়া। জাতীয়পর্যায়ে ঐক্য প্রতিষ্ঠার পরিবর্তে বিভাজন রেখাকে আরো গাঢ় করা। ব্যক্তি, গোষ্ঠী ও দলীয়পর্যায়ে প্রতিযোগিতার পরিবর্তে বৈরিতার এক আবহ সৃষ্টি করা। জনকল্যাণের কথা সব সময় তারা উচ্চারণ করেন বটে, কিন্তু যেহেতু এসব দেশের বেশির ভাগ রাজনীতিক আত্মস্বার্থ তাড়িত, তাই ব্যক্তিগত বা দলীয়পর্যায়ে দুর্নীতির মাত্রা অত্যন্ত উঁচু। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা তাদের কাছে আমানতস্বরূপ নয়, বরং প্রভাব-বৈভব অর্জনের মাধ্যম মাত্র। রাজনীতির প্রকৃতি যে বুদ্ধিবৃত্তিক শ্রেষ্ঠত্বের উচ্চ গ্রামে সংগ্রথিত, তৃতীয় বিশ্বের বেশির ভাগ দেশে তার কোনো প্রতিফলন চোখে পড়ে না। রাষ্ট্রক্ষমতা তাই রাজনীতিকদের কাছে মহামূল্যবান মণিমুক্তার মতো। রাষ্ট্রক্ষমতার মতো এমন দুর্লভ বস্তু আর নেই। যারা ক্ষমতাসীন তারা এর পূর্ণ সুযোগ গ্রহণে কৃতসংকল্প। যারা ক্ষমতার বাইরে রয়েছেন তারা ক্ষমতার এই দুর্গটিকে নিয়ন্ত্রণে আনতেও কৃতসংকল্প, তা যেকোনো প্রকারেই হোক না কেন। ক্ষমতাসীন এবং ক্ষমতা লাভে দৃঢ়সংকল্প উভয়ের গুরু কিন্তু এরিস্টটল বা প্লেটো নন। তাদের গুরু মেকিয়েভেলি। লক্ষ্য যেহেতু রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা, এর দোহন করাই হোক অথবা হোক না এর দখল, সব পন্থাই গ্রহণযোগ্য। নীতিবোধ এ ক্ষেত্রে অসহায়। নৈতিকতার কোনো সূত্র এ ক্ষেত্রে কার্যকর নয়। লক্ষ্যই যেহেতু পন্থা নির্ধারণ করছে (End justifies the means), তাই ন্যায়-অন্যায় চিন্তায় কেউ ক্লিষ্ট নয়। রাষ্ট্র তখন আর নৈতিক প্রতিষ্ঠান (A Moral Institution) থাকে না। ১৯৬১ সালের ১৬ নভেম্বরে The times পত্রিকায় প্রকাশিত এক আক্ষেপবাণীতে এমনি এক নীতিহীন রাষ্ট্রের রাজনীতিকদের প্রকৃতির বিশদ বিবরণ দেখা যায়। লেখা হয়েছিল, ‘সেই সব উচ্চকণ্ঠ এবং অসংলগ্ন প্রতিশ্রুতি। অসম্ভব সব দাবি। ভিত্তিহীন পরিকল্পনা আর অকার্যকর প্রকল্পের জগাখিচুড়ি... নিরেট সুবিধাবাদিতা, যার সাথে সত্যের ও ন্যায়নীতির কোনো সম্পর্ক নেই। অযৌক্তিক খ্যাতির পেছনে পাগলা ঘোড়ার মতো ছোটাছুটি। নিয়ন্ত্রণবিহীন আবেগের জ্বালামুখ উন্মুক্তকরণ। নিয়ন্ত্রণের প্রকৃতির লালন। তথ্যের বিকৃতি। সেই ব্যর্থ এবং অর্থহীন বৃথা আশফালন’ (All those noisy and incoherent promises, the impossible demands, the hotchpotch of unfounded ideas and impractical plans.... opportunism that cares neither for truth nor justice; the inglorious chase after unmerited fames, the unleashing of uncontrollable passions, the exploitation of the lowest instincts, the distortion of facts.... all that feverish and sterile fuss.)

রাজনীতিকদের কাজকর্মের ছিরি এমন হলে রাজনীতি হারায় তার চিৎশক্তি। হারায় তার গতি অসামাজিকতার ঊষর মরুভূমিতে। অর্থহীন হয়ে ওঠে সমাজজীবনের বৃহত্তর পরিসরে। নৈতিকতার ভিত্তিতে যে রাষ্ট্র তৈরি হয়, সক্রেটিসের কথায়, ‘সেই রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ লক্ষ্য যে সমগ্র রাষ্ট্রের সর্বাধিক ঐক্য প্রতিষ্ঠা’ (That the greatest possible unity of the whole Polis is the supreme good) তা পর্যন্ত ব্যাহত হয়। রাষ্ট্রে বসবাসরত জনসমষ্টি বিভিন্ন ক্ষুদ্র স্বার্থের দেয়ালে আটকা পড়ে হয় বিভক্ত। জনসাধারণ যে মহান আদর্শে সম্মিলিত হয়ে রাষ্ট্র গড়ার চুক্তির মাধ্যমে সংহত হয়েছে, তা ফিকে হয়ে আসে। যে দেশপ্রেমের অমোঘ আকর্ষণে অনাদিকাল থেকে দেশপ্রেমিকেরা দেশ রক্ষার নিমিত্তে অকাতরে প্রাণ পর্যন্ত বিসর্জন দিয়ে এসেছে, তা তাদের কাছে অর্থহীন হয়ে ওঠে। জাতীয়তাবাদের বন্ধন হয় শিথিল। রাষ্ট্রজীবনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ষড়যন্ত্র বাসা বাঁধতে পারে আর এই ষড়যন্ত্রে অংশীদার হয় এক দিকে যেমন রাষ্ট্রের ভেতর থেকে কিছু কুচক্রী, অন্য দিকে তেমনি বাইরে থেকে কোনো আধিপত্যবাদী শক্তি। তখন রাষ্ট্রের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব পর্যন্ত বিপন্ন হয়ে পড়ে।
বাংলাদেশের আজকের অবস্থা কি তা থেকে কিছু ভিন্ন? যে দেশটির জন্ম হয়েছিল সেই একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের রক্তাক্ত প্রান্তরে, তখনকার প্রায় সাড়ে সাত কোটি মানুষের সীমাহীন ত্যাগের মধ্য দিয়ে, এক জনযুদ্ধের সার্বিক শিহরণের তীর ঘেঁষে, তার দিকে দৃষ্টি দিন, দেখবেন কত অসহায় আমাদের সেই দেশটি। প্রায় ১৫ কোটি মানুষের আশ্বাসের সেই বাংলাদেশ আজ হাজারো প্রকরণে বিভক্ত। আমাদের বিশ্বাসের সেই বাংলাদেশের প্রত্যেকটি সামাজিক শক্তি (Social Force) আজ খণ্ডিত, খণ্ডছিন্ন এবং ফলে গতিহীন, দ্যুতিহীন। আমাদের স্বপ্নের যে দেশটিকে ঘিরে হাজার বছরের সঞ্চিত স্বপ্নালু ছায়া শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে আমাদের আচ্ছন্ন করে রেখেছিল, সেই বাংলাদেশের চার দিকে শকুনের আনাগোনা শুরু হয়েছে। যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির আশীর্বাদ মাথায় নিয়ে বাংলাদেশ এত দিন পথ চলেছে, সেই পথেও আজ ধুলো জমেছে। সব ধর্মের সব বর্ণের মানুষের সহাবস্থানের এই তীর্থক্ষেত্র সঙ্কীর্ণচিত্ত কিছু মানুষের প্ররোচনায় আজ বিশ্ব দরবারে হারাতে বসেছে তার ঔজ্জ্বল্য।

বাংলাদেশের রাজনীতিকেরা কিন্তু নির্বিকার। স্বাধীনতার পর থেকেই তারা চলেছে একই পথে, নির্বিকারভাবে। এই পথ জনগণের চোখে স্বপ্ন মাখিয়ে দেয়ার পথ নয়। এ পথ নয় চিৎকার করে জনগণের কানে কানে এই সত্য তুলে ধরা যে, ওঠো, জাগো, তোমরা তোমাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়তে পারো- ভবিষ্যৎ রচনার এই তো সময়। তোমাদের মধ্যে সব বিভাজনরেখা মুছে ফেলে সম্মিলিত হও। ঐক্যবদ্ধ হও। তোমরাই দেশ। তোমরাই জাতি। তোমাদের অজেয় শক্তির কিছুটা ব্যয় করে দেশকে শক্তিশালী করো।

তারা রাজনীতি করেছেন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার ওপর নিয়ন্ত্রণের জন্য। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাকে নিজেদের স্বার্থে প্রয়োগের লক্ষ্যে। জনকল্যাণকে মুখ্য জ্ঞান তারা কোনো দিন করেননি। ন্যায়নিষ্ঠ হয়ে যার যা প্রাপ্য তারা কোনো দিন তা তাদের হাতে তুলে দেননি। তারা ন্যায়নীতিকে কোনো দিন মুখ্যরূপে বিবেচনায় আনেননি। নৈতিকতার পাঠ তাদের সম্পন্ন হয়নি। দুর্নীতি সব সময় তাদের চার পাশে বাবুই পাখির নৈপুণ্যের মতো সাথী হয়ে ফিরেছে। তারা রাজনীতিকে ক্ষমতার রাজনীতিতে (Power politics) রূপান্তরিত করেছেন সব সময়। ক্ষমতার রাজনীতি যে চূড়ান্তপর্যায়ে সঙ্ঘাতের রাজনীতিতে পরিণত হয় তা কখনো অনুধাবনে আনেননি। ফলে যে রাজনীতির জন্ম হয়েছে ভিন্ন মতের ছিদ্রপথে সৃষ্ট সঙ্ঘাত নিরসনের জন্য, তারই চূড়ান্ত রূপ হয়ে পড়ে সঙ্ঘাতের রাজনীতি। একবার কোনো জনপদে সঙ্ঘাতের রাজনীতি শুরু হলে তার সমাপ্তি ঘটে ওই জনপদের আধ্যাত্ম শক্তিকে ক্ষতবিক্ষত করে। ওই জনপদের সঞ্চিত মূল্যবোধকে নির্দয়ভাবে বধ করে, জনকল্যাণমূলক সব চিন্তা ভাবনাকে নির্বাসিত করে।

সহজ কথায়, যে রাজনীতি নৈতিকতার সব স্পর্শমুক্ত তারই এমনি পরিণতি সেই জনপদের জন্য অভিশাপরূপে দেখা দেয়। তাই বলি, নৈতিকতা সুস্থ রাজনীতির শুধু অলঙ্কার নয়, এর অন্যতম ভিত্তিও। নৈতিকতাবোধ রাজনীতিকে শুধু মহান করে না, রাজনীতিকে সুস্থ করে, সবল করে, জনগণের কাছে অর্থপূর্ণ করে তোলে। রাজনীতিকদের নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি এ জন্য শুধু প্রয়োজনীয় নয়, অপরিহার্যও বটে। রাজনীতিকদের ন্যায়বোধ এ জন্য শুধু গুরুত্বপূর্ণ নয়, আবিচ্ছেদ্য অংশও বটে। ইংরেজ কবি টেনিসন (Tennyson) লিখেছেন, ‘আত্মমর্যাদাবোধ, আত্ম-সচেতনতা এবং আত্ম-নিয়ন্ত্রণ- এই তিনটি গুণই জীবনকে সার্বভৌম ক্ষমতার শীর্ষে নিয়ে যায়’ ('Self-reverence, self-knowledge, self-control-these three alone lead life to the sovereign power')। রাজনীতিকদের ক্ষেত্রে এই তিনটি গুণ অপরিহার্য। এর সাথে শুধু সংযুক্ত হতে হবে ন্যায়ানুগ মানসিকতা, নীতিবোধ এবং নৈতিকতার পাঠ। রাজনীতি তখনই সগৌরবে আত্মপ্রকাশ করবে। শাসকবর্গ তখনই সমাজের কাছে দায়বদ্ধ হবে। তাদের প্রণীত নীতি তখন হয়ে উঠবে ন্যায়নীতি। দুর্নীতি তখন সমাজ থেকে হবে নির্বাসিত। নৈতিকতা থেকে বিচ্ছিন্ন হলে রাজনীতি হয়ে পড়বে সঙ্ঘাতময়। নৈতিকতার স্পর্শই ক্ষমতাকে (Power) কর্তৃত্বে (Authority) রূপান্তরিত করে। ক্ষমতা অনেকটা পাশবিক। কর্তৃত্ব কিন্তু মানবিক। বাংলাদেশের রাজনীতিকেরা দুয়ের মধ্যে এই পার্থক্য যত শিগগির অনুধাবন করবেন ততই মঙ্গল।

( লেখাটি ১৩ অক্টোবর ২০১৫ দৈনিক নয়াদিগন্তে প্রকাশিত হয়েছে। )

প্রোব/পি/জাতীয়/১৩.১০.২০১৫

 

১৩ অক্টোবর ২০১৫ | জাতীয় | ১৪:৩৫:১৬ | ১৪:৩৫:৫৫

জাতীয়

 >  Last ›